ঢাকা ১২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১০৫ স্কুল-কলেজের জমি ভূমিখেকোর পেটে নেতানিয়াহুই ট্রাম্পকে ইরান যুদ্ধে জড়িয়েছেন: কমালা হ্যারিস বড়লেখা উপজেলার ০৪ নং উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের নাপিতখাই নামক রাস্তার শুভ উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু এমপি। টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় দুই শ্রমিক নিহত নেইমারের হাতে বাংলাদেশের জার্সি লেবাননে শান্তিরক্ষীদের ওপর হামলা, ফরাসি সেনা নিহত ইউনেস্কো-এপিসিআইসি সম্মেলনে আমন্ত্রণ পেলেন আসিফ মাহমুদ পুলিশের সামনেই গ্রাহকদের পেটালেন পাম্পকর্মীরা ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ:‌ গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানি সংকট নিরসন দাবি রাতে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া, ভোরে আত্মহত্যা করেন সম্রাট

চাকসু নির্বাচনের ভোটের ফলাফল কখন!

  • চবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৬:৪৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৭৮ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটের ফলাফল গণনা করতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে বলে জনিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সদস্য ও আইটি সেলের প্রধান অধ্যাপক সাইদুর রহমান চৌধুরী।

সাইদুর রহমান চৌধুরী বলেন, যেসব ব্যালটে ভোটাররা ভোট দেবেন সেগুলো মেশিনে প্রি-স্ক্যান করা হয়েছে। প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজারের মতো পাতা আমরা টেস্ট করেছি, এটা নিশ্চিত হওয়ার জন্য যে-সবগুলো পাতা যেন মেশিন পড়তে পারে। একটা ব্যাপার নিশ্চিত করতে পারছি, মেশিন পাতাগুলো পড়তে পারবে।

অন্য কোনো বাইরের একটি পাতা যদি এ মেশিনে ঢুকেও পড়ে, তাহলে তা মেশিন রিজেক্ট করবে। কারণ তা মেশিনে দেওয়া আমাদের সিকিউরিটি কোডের বাহিরে। আমরা আশা করছি, ভোটগ্রহণ যখন শেষ হবে তখন ওএমআরগুলোর ডাটা রিড করতে পারবে। আমরা ওএমআরগুলো মেশিনে স্ক্যান করার পর দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে পরীক্ষা করে দেখব। এতে বুঝতে পারব, আমাদের মেশিন ঠিকমতো কাজ করছে।

এর আগে নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. এ.কে.এম আরিফুল হক সিদ্দিকী জানিয়েছেন, নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৬০ শতাংশ।

এবারের নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হয়েছে ব্যালট পেপারে, আর গণনা করা হচ্ছে ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) পদ্ধতিতে। ভোট গণনার পুরো প্রক্রিয়া সরাসরি দেখানো হচ্ছে ১৪টি এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মনির উদ্দিন বলেন, চাকসু নির্বাচনে হাতে লাগানো অমোচনীয় কালি উঠে যাওয়াসহ বিচ্ছিন্ন কিছু অভিযোগ ছাড়া সার্বিকভাবে ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট ভোটার ছিল ২৭ হাজার ৫১৭ জন। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় পাঁচটি অনুষদের ১৫টি কেন্দ্রে, যেখানে ৬০টি কক্ষে ৬৮৯টি বুথে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

কেন্দ্রীয় ও হল সংসদ মিলিয়ে এবার মোট ৯০৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদের ২৬টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১৩টি প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে ৪১৫ জন, আর হল সংসদে ৪৯৩ জন প্রার্থী অংশ নিয়েছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১০৫ স্কুল-কলেজের জমি ভূমিখেকোর পেটে

চাকসু নির্বাচনের ভোটের ফলাফল কখন!

আপডেট সময় ০৬:৪৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটের ফলাফল গণনা করতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে বলে জনিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সদস্য ও আইটি সেলের প্রধান অধ্যাপক সাইদুর রহমান চৌধুরী।

সাইদুর রহমান চৌধুরী বলেন, যেসব ব্যালটে ভোটাররা ভোট দেবেন সেগুলো মেশিনে প্রি-স্ক্যান করা হয়েছে। প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজারের মতো পাতা আমরা টেস্ট করেছি, এটা নিশ্চিত হওয়ার জন্য যে-সবগুলো পাতা যেন মেশিন পড়তে পারে। একটা ব্যাপার নিশ্চিত করতে পারছি, মেশিন পাতাগুলো পড়তে পারবে।

অন্য কোনো বাইরের একটি পাতা যদি এ মেশিনে ঢুকেও পড়ে, তাহলে তা মেশিন রিজেক্ট করবে। কারণ তা মেশিনে দেওয়া আমাদের সিকিউরিটি কোডের বাহিরে। আমরা আশা করছি, ভোটগ্রহণ যখন শেষ হবে তখন ওএমআরগুলোর ডাটা রিড করতে পারবে। আমরা ওএমআরগুলো মেশিনে স্ক্যান করার পর দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে পরীক্ষা করে দেখব। এতে বুঝতে পারব, আমাদের মেশিন ঠিকমতো কাজ করছে।

এর আগে নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. এ.কে.এম আরিফুল হক সিদ্দিকী জানিয়েছেন, নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৬০ শতাংশ।

এবারের নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হয়েছে ব্যালট পেপারে, আর গণনা করা হচ্ছে ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) পদ্ধতিতে। ভোট গণনার পুরো প্রক্রিয়া সরাসরি দেখানো হচ্ছে ১৪টি এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মনির উদ্দিন বলেন, চাকসু নির্বাচনে হাতে লাগানো অমোচনীয় কালি উঠে যাওয়াসহ বিচ্ছিন্ন কিছু অভিযোগ ছাড়া সার্বিকভাবে ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট ভোটার ছিল ২৭ হাজার ৫১৭ জন। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় পাঁচটি অনুষদের ১৫টি কেন্দ্রে, যেখানে ৬০টি কক্ষে ৬৮৯টি বুথে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

কেন্দ্রীয় ও হল সংসদ মিলিয়ে এবার মোট ৯০৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদের ২৬টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১৩টি প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে ৪১৫ জন, আর হল সংসদে ৪৯৩ জন প্রার্থী অংশ নিয়েছেন।