ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লক্ষ্মীপুরে বিএনপির ‘দুঃসময়ের কাণ্ডারি’ দু’নেতাকে অব্যাহতি: তৃণমূলে ক্ষোভ ও উত্তেজনা শেখ হাসিনাসহ ৪১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ লালমনিরহাটের আদিতমারীতে খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে বিএনপির দোয়া মাহফিল কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে : নুরুল হক নুর একাত্তরে ভুল করা দলকে উসকানির রাজনীতি বন্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কুষ্টিয়ায় আমির হামজার গাড়ি ভাঙচুর, জামায়াত-গণঅধিকারের সংঘর্ষ কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপকের মরদেহ উদ্ধার আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া, নিহত ৪৭ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বসছে ‘অটো ফাইন সিস্টেম’

১৫ অক্টোবরের মধ্যেই হবে ইকসুর গঠনতন্ত্র

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ইকসু) নির্বাচনের গঠনতন্ত্র আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যেই চূড়ান্ত করার আশ্বাস দিয়েছে দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি।

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইকসুর গঠনতন্ত্র ও সংবিধি প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মিজানূর রহমান।

তবে কাজের ধীরগতির কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন ও স্মারকলিপির মাধ্যমে তারা দ্রুত নির্বাচন আয়োজন ও গঠনতন্ত্র বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। ইবি শাখা ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা এবং ইবি সংস্কার আন্দোলনের পক্ষ থেকে ইকসুর গঠনতন্ত্র প্রণয়নে জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে ইকসুর গঠনতন্ত্র প্রণয়নের রোডম্যাপ নির্ধারণে সভা করেছে কমিটি। এসময় ইকসু গঠন ও নির্বাচনের গঠনতন্ত্র প্রণয়নের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

ইকসু গঠন ও নির্বাচনের গঠনতন্ত্র প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মিজানূর রহমান বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে সভা করেছি। ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের গঠনতন্ত্র সংগ্রহ করে সেগুলো যাচাই-বাছাই চলছে। ২৪ সেপ্টেম্বর পরবর্তী সভা। পূজার ছুটির আগে (৩০ সেপ্টেম্বর) খসড়া প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন করবো। ছুটি শেষে পরবর্তীতে অক্টোবরের ১৫ তারিখের মধ্যে ইকসুর চূড়ান্ত গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করে জমা দেবো।’

শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এক সপ্তাহের মধ্যে এটা সম্ভব না। এই প্রক্রিয়ায় কিছুটা সময় লাগবে। কারণ এটি একক কোনো কাজ নয়, সবাই মিলে করতে হবে।’

‘জাতীয় নির্বাচন কেন্দ্রিক কোনো জটিলতা হবে কি-না’ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না কোনো জটিলতা হবে। সরকার যদি দায়িত্বশীল থাকে তাহলে কোনো বাধা হওয়ার কথা নয়। আমাদের কাজ শুধু গঠনতন্ত্র তৈরি করা, বাকিটা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের ব্যাপার। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান আইনে ছাত্র সংসদের বিধান না থাকায় আইন পরিবর্তনের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সরকারের। আমরা শুধু গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করবো। গঠনতন্ত্রটি সিন্ডিকেটে অনুমোদিত হতে হবে। কিন্তু আইনে যখন বলা আছে সংসদ থাকবে না, তখন সেটি সংশোধনের দায়িত্ব জাতীয় সংসদের। বর্তমানে জাতীয় সংসদ না থাকায় হয়তো রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করতে হবে।’

ইকসু গঠনের দাবিতে গত ২৪ আগস্ট ‘মুভমেন্ট ফর ইকসু’ প্ল্যাটফর্মের প্রতিনিধি দল উপাচার্যের সঙ্গে বৈঠক করে। সেখানে উপাচার্য নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ নভেম্বরের মধ্যে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আশ্বাস দেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে বিএনপির ‘দুঃসময়ের কাণ্ডারি’ দু’নেতাকে অব্যাহতি: তৃণমূলে ক্ষোভ ও উত্তেজনা

১৫ অক্টোবরের মধ্যেই হবে ইকসুর গঠনতন্ত্র

আপডেট সময় ০৩:৫৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ইকসু) নির্বাচনের গঠনতন্ত্র আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যেই চূড়ান্ত করার আশ্বাস দিয়েছে দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি।

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইকসুর গঠনতন্ত্র ও সংবিধি প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মিজানূর রহমান।

তবে কাজের ধীরগতির কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন ও স্মারকলিপির মাধ্যমে তারা দ্রুত নির্বাচন আয়োজন ও গঠনতন্ত্র বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। ইবি শাখা ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা এবং ইবি সংস্কার আন্দোলনের পক্ষ থেকে ইকসুর গঠনতন্ত্র প্রণয়নে জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে ইকসুর গঠনতন্ত্র প্রণয়নের রোডম্যাপ নির্ধারণে সভা করেছে কমিটি। এসময় ইকসু গঠন ও নির্বাচনের গঠনতন্ত্র প্রণয়নের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

ইকসু গঠন ও নির্বাচনের গঠনতন্ত্র প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মিজানূর রহমান বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে সভা করেছি। ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের গঠনতন্ত্র সংগ্রহ করে সেগুলো যাচাই-বাছাই চলছে। ২৪ সেপ্টেম্বর পরবর্তী সভা। পূজার ছুটির আগে (৩০ সেপ্টেম্বর) খসড়া প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন করবো। ছুটি শেষে পরবর্তীতে অক্টোবরের ১৫ তারিখের মধ্যে ইকসুর চূড়ান্ত গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করে জমা দেবো।’

শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এক সপ্তাহের মধ্যে এটা সম্ভব না। এই প্রক্রিয়ায় কিছুটা সময় লাগবে। কারণ এটি একক কোনো কাজ নয়, সবাই মিলে করতে হবে।’

‘জাতীয় নির্বাচন কেন্দ্রিক কোনো জটিলতা হবে কি-না’ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না কোনো জটিলতা হবে। সরকার যদি দায়িত্বশীল থাকে তাহলে কোনো বাধা হওয়ার কথা নয়। আমাদের কাজ শুধু গঠনতন্ত্র তৈরি করা, বাকিটা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের ব্যাপার। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান আইনে ছাত্র সংসদের বিধান না থাকায় আইন পরিবর্তনের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সরকারের। আমরা শুধু গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করবো। গঠনতন্ত্রটি সিন্ডিকেটে অনুমোদিত হতে হবে। কিন্তু আইনে যখন বলা আছে সংসদ থাকবে না, তখন সেটি সংশোধনের দায়িত্ব জাতীয় সংসদের। বর্তমানে জাতীয় সংসদ না থাকায় হয়তো রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করতে হবে।’

ইকসু গঠনের দাবিতে গত ২৪ আগস্ট ‘মুভমেন্ট ফর ইকসু’ প্ল্যাটফর্মের প্রতিনিধি দল উপাচার্যের সঙ্গে বৈঠক করে। সেখানে উপাচার্য নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ নভেম্বরের মধ্যে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আশ্বাস দেন।