ঢাকা ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ র‍্যাবের নাম বদলে আসছে এসআরবি অফিস টাইমে ক্লিনিকে রোগী দেখছিলেন সরকারি চিকিৎসক, লাইসেন্স বাতিল ও বরখাস্তের নির্দেশ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ১২ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া সংস্কৃতির মাধ্যমে বিদায় করতে হবে : শফিকুর রহমান আ.লীগের কার্যক্রম নিয়ে ভারতকে কড়া বার্তা শামা ওবায়েদের  কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪ গ্রেপ্তার, উদ্ধার এক ভিকটিম ব্রাহ্মণপাড়ায় নবাগত ইউএনওর সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় কালিহাতীতে ২১৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ রাজশাহীর শীর্ষ মাদককারবারি গ্রেপ্তার বড়লেখায় গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

২ হাজার বছরের সমস্যার সমাধান করলেন ২৭ বছর বয়সী গবেষক

সংস্কৃত ব্যাকরণের এক জটিল সূত্রের সমাধান করেছেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭ বছর বয়সী পিএইচডি ছাত্র ড. ঋষি রাজপোপাট। বিষয়টিকে ইতোমধ্যে বৈপ্লবিক বলে দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা।  

সংস্কৃত ভাষার পণ্ডিত পাণিনির রচিত গ্রন্থের এই সমাধানের ফলে পাণিনির ব্যাকরণ কম্পিউটারের মাধ্যমে শেখানো সহজ হবে।

আজ থেকে প্রায় ২ হাজার বছর আগে অষ্টাধ্যয়ী লেখা হয়েছিল। সংস্কৃত কীভাবে লিখতে-পড়তে হবে, ভাষাবিজ্ঞানের সেই পাঠ দিয়েছিল এই বই। এটি ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব, বাক্য গঠন এবং ব্যাকরণের গভীর বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে। যে কোনো সংস্কৃত শব্দে মূল এবং প্রত্যয় কীভাবে যোগ করা যেতে পারে এবং ব্যাকরণগত সঠিক শব্দ ও বাক্য কীভাবে গঠন করা যায়, তার নিয়ম এই বইয়ে আছে। এ ব্যাপারে পাণিনি মোট ৪ হাজার নিয়ম তৈরি করেছিলেন।

 ড. ঋষি রাজপোপাট

কিন্তু পণ্ডিতরা পরে দেখেন যে এই বইয়ে লেখা দুই বা ততোধিক নিয়ম একটা বাক্য তৈরিতে প্রযোজ্য হচ্ছে। যা নিয়ে একটা সমস্যা তৈরি হয়। এর সমাধানও পাণিনি তৈরি করেছিলেন। তিনি একটি মূল নিয়ম তৈরি করে বলেছিলেন, এক ক্ষেত্রে যদি তার লেখা ব্যাকরণের দুটি নিয়ম কার্যকরী হয়, তবে সেক্ষেত্রে দ্বিতীয় নিয়মটি গ্রহণ করতে হবে বা মানতে হবে। কিন্তু, তারপরও ধারাবাহিকভাবে সেই নিয়ম কার্যকর করার ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা থেকেই যাচ্ছিল। যার ফলে বাড়ছিল ব্যতিক্রমের সংখ্যা।

ঋষি রাজপোপাট মূলত  সেই সমস্যারই সমাধান করে ফেললেন। ‘পাণিনি উই ট্রাস্ট’ শিরোনামে থিসিসে ড. রাজপোপাট একটি সরল পথ দেখিয়েছেন। তিনি যুক্তি দিয়েছেন যে এতদিন পর্যন্ত পাণিনির শেখানো মূল নিয়মকেই আমরা ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে এসেছি। রাজপোপাটের দাবি, পাণিনি দুটি নিয়ম কোনো একটি ক্ষেত্রে কার্যকর হলে, পরবর্তী নিয়ম ব্যবহার করতে হবে, এমনটা বলেননি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ

২ হাজার বছরের সমস্যার সমাধান করলেন ২৭ বছর বয়সী গবেষক

আপডেট সময় ০৩:২০:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২২

সংস্কৃত ব্যাকরণের এক জটিল সূত্রের সমাধান করেছেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭ বছর বয়সী পিএইচডি ছাত্র ড. ঋষি রাজপোপাট। বিষয়টিকে ইতোমধ্যে বৈপ্লবিক বলে দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা।  

সংস্কৃত ভাষার পণ্ডিত পাণিনির রচিত গ্রন্থের এই সমাধানের ফলে পাণিনির ব্যাকরণ কম্পিউটারের মাধ্যমে শেখানো সহজ হবে।

আজ থেকে প্রায় ২ হাজার বছর আগে অষ্টাধ্যয়ী লেখা হয়েছিল। সংস্কৃত কীভাবে লিখতে-পড়তে হবে, ভাষাবিজ্ঞানের সেই পাঠ দিয়েছিল এই বই। এটি ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব, বাক্য গঠন এবং ব্যাকরণের গভীর বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে। যে কোনো সংস্কৃত শব্দে মূল এবং প্রত্যয় কীভাবে যোগ করা যেতে পারে এবং ব্যাকরণগত সঠিক শব্দ ও বাক্য কীভাবে গঠন করা যায়, তার নিয়ম এই বইয়ে আছে। এ ব্যাপারে পাণিনি মোট ৪ হাজার নিয়ম তৈরি করেছিলেন।

 ড. ঋষি রাজপোপাট

কিন্তু পণ্ডিতরা পরে দেখেন যে এই বইয়ে লেখা দুই বা ততোধিক নিয়ম একটা বাক্য তৈরিতে প্রযোজ্য হচ্ছে। যা নিয়ে একটা সমস্যা তৈরি হয়। এর সমাধানও পাণিনি তৈরি করেছিলেন। তিনি একটি মূল নিয়ম তৈরি করে বলেছিলেন, এক ক্ষেত্রে যদি তার লেখা ব্যাকরণের দুটি নিয়ম কার্যকরী হয়, তবে সেক্ষেত্রে দ্বিতীয় নিয়মটি গ্রহণ করতে হবে বা মানতে হবে। কিন্তু, তারপরও ধারাবাহিকভাবে সেই নিয়ম কার্যকর করার ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা থেকেই যাচ্ছিল। যার ফলে বাড়ছিল ব্যতিক্রমের সংখ্যা।

ঋষি রাজপোপাট মূলত  সেই সমস্যারই সমাধান করে ফেললেন। ‘পাণিনি উই ট্রাস্ট’ শিরোনামে থিসিসে ড. রাজপোপাট একটি সরল পথ দেখিয়েছেন। তিনি যুক্তি দিয়েছেন যে এতদিন পর্যন্ত পাণিনির শেখানো মূল নিয়মকেই আমরা ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে এসেছি। রাজপোপাটের দাবি, পাণিনি দুটি নিয়ম কোনো একটি ক্ষেত্রে কার্যকর হলে, পরবর্তী নিয়ম ব্যবহার করতে হবে, এমনটা বলেননি।