ঢাকা ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ: কুমিল্লায় ১১ দলীয় ঐক্যের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় ইন্টারপোলের কাছে বেনজীরের অবস্থান জানতে চেয়ে পুলিশের চিঠি পীরগঞ্জে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৭৫ শিক্ষার্থীকে ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা দ্বিতীয় বাংলাদেশি বংশদ্ভূত তানভীর শাহনেওয়াজ কানাডার ফেডারেল পার্লামেন্টে এমপি নির্বাচিত বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঝালকাঠিতে সুগন্ধা নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত গাড়িচালক মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ সিআই মৃত্যুঞ্জয়ের বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের অভিযোগ আহমেদ বাওয়ানী একাডেমিতে অনিয়মের অভিযোগ পরিচালক আল ফাত্তাহকে ঘিরে ৩ হাজার কোটি টাকার অভিযোগ পূর্তে প্যারাডাইমের ফের দাপট, গুরুত্বপূর্ণ কাজ যাচ্ছে একই প্রতিষ্ঠানের ঝুড়িতে

চিলমারীতে সেতু চালুর ১০ মাসেই সংযোগ সড়কে ধস

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে হরিশ্বর ডারা খালের উপর নির্মিত আরসিসি গার্ডার ব্রিজ চালুর মাত্র ১০ মাসের মাথায় সংযোগ সড়কের পশ্চিম অংশে ধস দেখা দিয়েছে। সোয়া ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৬৪ মিটার দীর্ঘ এই ব্রিজটি গত বছরের নভেম্বর মাসে জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল। গত ২৮ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) ভারী বর্ষণের পর এই ধসের ঘটনা ঘটে, যার ফলে ব্রিজ দিয়ে যান চলাচল এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্রিজের পশ্চিম পাশে সংযোগ সড়কের নিচের মাটি সরে যাওয়ায় সড়কের ইটের সোলিং ভেঙে পড়েছে। ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে ধসে যাওয়া অংশটি দিনদিন আরও বড় হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।

রমনা মডেল ইউনিয়নের পাত্রখাতা মিনাবাজার এলাকার বাসিন্দা নুরুল হক বলেন, বৃষ্টির পর সড়কের দুধারের নিচের মাটি ধসে গেছে। এতে রাস্তার ওপর বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এখনই সংস্কার করা না হলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে শরীফের হাট-কাশিম বাজার সড়কের হরিশ্বর ডারা খালের উপর ৬৪ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার ব্রিজটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২১ সালের ১২ এপ্রিল। শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২২ সালের ১২ এপ্রিল। তবে সময়মতো কাজ শেষ না হওয়ায় নির্মাণের মেয়াদ বাড়ানো হয়। অবশেষে গত বছরের নভেম্বর মাসে ব্রিজটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

ব্রিজ নির্মাণে ব্যয় হয় মোট ৪ কোটি ১৩ লাখ ৪০ হাজার ১৯৩ টাকা। কাজটি সম্পন্ন করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স নুফা-জেডএইচডি-জেভি। চলতি বছরের ১৯ মে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্ত বিল প্রদান করা হয়।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. জুলফিকার আলী বলেন, ভারী বর্ষণে ব্রিজের সংযোগ সড়কের পশ্চিম অংশে কয়েকটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ হয়েছে। তারা সরেজমিনে তদন্ত করে রিপোর্ট দিবেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিল থেকে ১০ শতাংশ সিকিউরিটি মানি কেটে রাখা হয়েছে। তারা সংস্কার না করলে সেই টাকা থেকেই কাজটি করা হবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ: কুমিল্লায় ১১ দলীয় ঐক্যের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়

চিলমারীতে সেতু চালুর ১০ মাসেই সংযোগ সড়কে ধস

আপডেট সময় ০৮:২৭:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে হরিশ্বর ডারা খালের উপর নির্মিত আরসিসি গার্ডার ব্রিজ চালুর মাত্র ১০ মাসের মাথায় সংযোগ সড়কের পশ্চিম অংশে ধস দেখা দিয়েছে। সোয়া ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৬৪ মিটার দীর্ঘ এই ব্রিজটি গত বছরের নভেম্বর মাসে জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল। গত ২৮ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) ভারী বর্ষণের পর এই ধসের ঘটনা ঘটে, যার ফলে ব্রিজ দিয়ে যান চলাচল এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্রিজের পশ্চিম পাশে সংযোগ সড়কের নিচের মাটি সরে যাওয়ায় সড়কের ইটের সোলিং ভেঙে পড়েছে। ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে ধসে যাওয়া অংশটি দিনদিন আরও বড় হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।

রমনা মডেল ইউনিয়নের পাত্রখাতা মিনাবাজার এলাকার বাসিন্দা নুরুল হক বলেন, বৃষ্টির পর সড়কের দুধারের নিচের মাটি ধসে গেছে। এতে রাস্তার ওপর বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এখনই সংস্কার করা না হলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে শরীফের হাট-কাশিম বাজার সড়কের হরিশ্বর ডারা খালের উপর ৬৪ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার ব্রিজটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২১ সালের ১২ এপ্রিল। শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২২ সালের ১২ এপ্রিল। তবে সময়মতো কাজ শেষ না হওয়ায় নির্মাণের মেয়াদ বাড়ানো হয়। অবশেষে গত বছরের নভেম্বর মাসে ব্রিজটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

ব্রিজ নির্মাণে ব্যয় হয় মোট ৪ কোটি ১৩ লাখ ৪০ হাজার ১৯৩ টাকা। কাজটি সম্পন্ন করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স নুফা-জেডএইচডি-জেভি। চলতি বছরের ১৯ মে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্ত বিল প্রদান করা হয়।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. জুলফিকার আলী বলেন, ভারী বর্ষণে ব্রিজের সংযোগ সড়কের পশ্চিম অংশে কয়েকটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ হয়েছে। তারা সরেজমিনে তদন্ত করে রিপোর্ট দিবেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিল থেকে ১০ শতাংশ সিকিউরিটি মানি কেটে রাখা হয়েছে। তারা সংস্কার না করলে সেই টাকা থেকেই কাজটি করা হবে।