সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের আসনে বসে টিকটক ভিডিও ধারণের অভিযোগে তিন কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আজ শুক্রবার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গোলাপগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। সেই সঙ্গে গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিটি।
এর আগে গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের আসনে বসে টিকটক ভিডিও ধারণ করেন এক তরুণী। গত বৃহস্পতিবার ওই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে উপজেলা চেয়ারম্যানের আসনে বসে গানের সঙ্গে এক তরুণীকে ঠোঁট মিলিয়ে অভিনয় করতে দেখা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বছরের ৫ আগস্ট সরকারের পটপরিবর্তনের পর গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান মনজুর কাদির শাফি চৌধুরী প্রবাসে চলে যান। তিনি সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য পদে ছিলেন। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের অপসারণ করা হলে প্রশাসকের দায়িত্ব পান গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। এর পর থেকে কার্যালয়টি তালাবদ্ধ ছিল। সেই কক্ষে টিকটক ভিডিও ধারণের ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।
উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের কয়েজন কর্মকর্তা ও কর্মচারী সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি উপজেলা পরিষদে দুই তরুণী জন্মনিবন্ধনের কাজে গিয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সময় উপজেলা চেয়ারম্যানের তালাবদ্ধ কক্ষে প্রবেশ করে টিকটক ভিডিওটি ধারণ করেন তাঁরা। ওই কক্ষের মূল দরজাটি তালাবদ্ধ থাকলেও পাশের আরেকটি কক্ষ দিয়ে সেখানে প্রবেশ করা যায়।
উপজেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পেলেও চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বসেন না বলে জানিয়েছেন ইউএনও মিলটন চন্দ্র পাল। তিনি বলেন, টিকটক ভিডিওটি দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলীকে প্রধান করে আজ তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
সিলেট প্রতিনিধি 























