ঢাকা ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদারীপুরের রাজৈর এ অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা -২০২৬ এর পরীক্ষা শুরু ডিপ্লোমা পাস করার ৩ বছর পূর্বেই সহকারী কৃষি শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছে আবুল কালাম আজাদ গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সারোয়ার জাহানের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত
বাগাতিপাড়া উপজেলা পিআইও মাসুদুর রহমান

নিম্ন আয়ের মানুষের সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ করে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জন

বিগত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার আমলে অর্থ দিলেই পাওয়া যেত মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট আর এই ভুয়া মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট তৈরি করে সরকারি চাকরিসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে অনেকেই শূন্য থেকে বনে গেছেন শত কোটি টাকার মালিক, গত ৫ ই আগস্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পতনের পর অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় অনুসন্ধানে নেমেছে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার তালিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই অনেকেই শনাক্ত হয়েছে আবার অনেকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে এরই মাঝে গণমাধ্যম বরাবর নিরাপত্তা জনিত কারণে নাম উল্লেখ না করে একটি অভিযোগ পত্র এসেছে বাগাতিপাড়া উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান ও ঈশ্বরদী খাদ্য গুদামের উপ খাদ্য পরিদর্শক ইসমত জাহান ইলার বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতির টাকায় বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন ও বাবা মোঃ ইউসুফ মিয়ার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেটের কোঠায় সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগ।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই ঘুষ দুর্নীতি আর সরকারি তথ্য আত্মসাৎ করে শত শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন অনেক পিআইও, এ যেন আলাদিনের চেরাগ ঘষা দিলেই শুধু অর্থ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে আসে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাদের দুর্নীতির তথ্য কিন্তু এরা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাহিরে অবৈধ অর্থের প্রভাবে, সম্প্রতি অভিযোগ এসেছে ঘুষ দুর্নীতি সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছে পাবনা বাগাতিপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান।
মাসুদুর রহমানের গ্রামের বাড়ি পাবনা পৌরসভার চকছাতিয়ানী মজীদ পাড়া ১৪ নং ওয়ার্ডের মুক্তিযোদ্ধা সাবেক বীমা কর্মচারী মো. ইউসুফের মেজো ছেলে (অভিযোগ আছে তিনি কোন মুক্তিযুদ্ধ করেননি অর্থের বিনিময়ে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট বানিয়েছেন)।
মাসুদুর রহমান পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিতে পড়াশোনা করেন এবং তৎকালীন ছাত্রলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ছিলেন পিতার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেটের কোঠায় তিনি ও তার বোন উপ খাদ্য পরিদর্শক ইসমত জাহান ইলা সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন।
মাসুদুর রহমানের গ্রামের বাড়ির বেশ কয়েকজন ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করে বলেন, মাসুদুর রহমান পিতা ইউসুফ অসচ্ছল ছিলেন আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো ছিল না, তবে মাসুদুর রহমানের সরকারি চাকরি হওয়াতে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ঘুষের টাকায় বড় বড় ভাই মামুনুর রশিদকে ঠিকাদারি ব্যবসায় নামিয়েছেন, এলাকার বেশ কয়েকজন ঠিকাদারকে কোটি কোটি টাকা দিয়ে রেখেছেন ব্যবসার জন্য, এর মধ্যে কিছু বিতর্কিত ঠিকাদার আছে যারা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন দুর্নীতির মামলার আসামি, তবে তিনি খুব চালাক সহজে ধরা দেন না নিজের নামে তেমন কোন সম্পদ করেননি, নিজের ব্যক্তিগত চলার জন্য ক্রয় করেছেন একটি গাড়ি যাহা নম্বর ঢাকা মেট্রো খ ৩৬২৬৪০, এই গাড়িটি তিনি ক্রয় করেছেন মোহাম্মদ নুরুজ্জামানের কাছ থেকে যার এন আই ডি নম্বর (৬৮৬৬৮৬২৯৪৬), কিন্তু গাড়িটি নাম পরিবর্তন করেননি, গাড়িটি এখনো নুরুজ্জামানের নামেই রয়েছে শুধুমাত্র একটি স্ট্যাম্পের চুক্তিতে গাড়িটি ক্রয় করেছেন কারণ তার অবৈধ অর্থের হিসাব দিতে পারবেন না এজন্য। বাবার ভাঙা টিনের ঘর ভেঙে একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি নির্মাণ করেছেন, স্ত্রী বাবা মা ভাই বোন শ্বশুর বাড়ির সহ বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের নামে বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ ক্রয় করেছেন, সবাই দাবি করেন এ ধরনের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত হলে পরবর্তীতে কেউ জনগণের অর্থ আত্মসাৎ করার সাহস পাবে না।
মাসুদুর রহমানের পিতা ইউসুফ মিয়ার মুক্তিযুদ্ধ সার্টিফিকেটের সত্যতা জানতে চাইলে পাবনা সদর উপজেলা মুক্তিযুদ্ধ কমান্ডার কাশেম বিশ্বাস বলেন, আমার জানামতে এই নামে কোন ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধ করেনি এবং কোন মুক্তিযোদ্ধা নেই কারণ আমি সকল মুক্তিযোদ্ধার বাড়িঘর পরিচয় সবকিছুই জানি কে কোথায় থাকে, এটা হয়তো অর্থ দিয়ে অবৈধভাবে তৈরি করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের এক জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সরকার ইতিমধ্যে সকল মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা নিয়ে কাজ করছে এবং শনাক্ত করা হচ্ছে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত সকল তথ্য ও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পিআইও মাসুদুর রহমান ও উপ খাদ্য পরিদর্শক ইসমত জাহান ইলার ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
পিআইও মাসুদুর রহমান ও উপ খাদ্য পরিদর্শক ইসমত জাহান ইলার অনিয়ম দুর্নীতি ও আরো সম্পদের বিবরণ নিয়ে আসছে দ্বিতীয় পর্ব।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুরের রাজৈর এ অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা -২০২৬ এর পরীক্ষা শুরু

বাগাতিপাড়া উপজেলা পিআইও মাসুদুর রহমান

নিম্ন আয়ের মানুষের সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ করে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জন

আপডেট সময় ০৪:২৭:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

বিগত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার আমলে অর্থ দিলেই পাওয়া যেত মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট আর এই ভুয়া মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট তৈরি করে সরকারি চাকরিসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে অনেকেই শূন্য থেকে বনে গেছেন শত কোটি টাকার মালিক, গত ৫ ই আগস্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পতনের পর অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় অনুসন্ধানে নেমেছে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার তালিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই অনেকেই শনাক্ত হয়েছে আবার অনেকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে এরই মাঝে গণমাধ্যম বরাবর নিরাপত্তা জনিত কারণে নাম উল্লেখ না করে একটি অভিযোগ পত্র এসেছে বাগাতিপাড়া উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান ও ঈশ্বরদী খাদ্য গুদামের উপ খাদ্য পরিদর্শক ইসমত জাহান ইলার বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতির টাকায় বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন ও বাবা মোঃ ইউসুফ মিয়ার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেটের কোঠায় সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগ।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই ঘুষ দুর্নীতি আর সরকারি তথ্য আত্মসাৎ করে শত শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন অনেক পিআইও, এ যেন আলাদিনের চেরাগ ঘষা দিলেই শুধু অর্থ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে আসে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাদের দুর্নীতির তথ্য কিন্তু এরা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাহিরে অবৈধ অর্থের প্রভাবে, সম্প্রতি অভিযোগ এসেছে ঘুষ দুর্নীতি সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছে পাবনা বাগাতিপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান।
মাসুদুর রহমানের গ্রামের বাড়ি পাবনা পৌরসভার চকছাতিয়ানী মজীদ পাড়া ১৪ নং ওয়ার্ডের মুক্তিযোদ্ধা সাবেক বীমা কর্মচারী মো. ইউসুফের মেজো ছেলে (অভিযোগ আছে তিনি কোন মুক্তিযুদ্ধ করেননি অর্থের বিনিময়ে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট বানিয়েছেন)।
মাসুদুর রহমান পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিতে পড়াশোনা করেন এবং তৎকালীন ছাত্রলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ছিলেন পিতার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেটের কোঠায় তিনি ও তার বোন উপ খাদ্য পরিদর্শক ইসমত জাহান ইলা সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন।
মাসুদুর রহমানের গ্রামের বাড়ির বেশ কয়েকজন ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করে বলেন, মাসুদুর রহমান পিতা ইউসুফ অসচ্ছল ছিলেন আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো ছিল না, তবে মাসুদুর রহমানের সরকারি চাকরি হওয়াতে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি ঘুষের টাকায় বড় বড় ভাই মামুনুর রশিদকে ঠিকাদারি ব্যবসায় নামিয়েছেন, এলাকার বেশ কয়েকজন ঠিকাদারকে কোটি কোটি টাকা দিয়ে রেখেছেন ব্যবসার জন্য, এর মধ্যে কিছু বিতর্কিত ঠিকাদার আছে যারা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন দুর্নীতির মামলার আসামি, তবে তিনি খুব চালাক সহজে ধরা দেন না নিজের নামে তেমন কোন সম্পদ করেননি, নিজের ব্যক্তিগত চলার জন্য ক্রয় করেছেন একটি গাড়ি যাহা নম্বর ঢাকা মেট্রো খ ৩৬২৬৪০, এই গাড়িটি তিনি ক্রয় করেছেন মোহাম্মদ নুরুজ্জামানের কাছ থেকে যার এন আই ডি নম্বর (৬৮৬৬৮৬২৯৪৬), কিন্তু গাড়িটি নাম পরিবর্তন করেননি, গাড়িটি এখনো নুরুজ্জামানের নামেই রয়েছে শুধুমাত্র একটি স্ট্যাম্পের চুক্তিতে গাড়িটি ক্রয় করেছেন কারণ তার অবৈধ অর্থের হিসাব দিতে পারবেন না এজন্য। বাবার ভাঙা টিনের ঘর ভেঙে একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি নির্মাণ করেছেন, স্ত্রী বাবা মা ভাই বোন শ্বশুর বাড়ির সহ বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের নামে বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ ক্রয় করেছেন, সবাই দাবি করেন এ ধরনের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত হলে পরবর্তীতে কেউ জনগণের অর্থ আত্মসাৎ করার সাহস পাবে না।
মাসুদুর রহমানের পিতা ইউসুফ মিয়ার মুক্তিযুদ্ধ সার্টিফিকেটের সত্যতা জানতে চাইলে পাবনা সদর উপজেলা মুক্তিযুদ্ধ কমান্ডার কাশেম বিশ্বাস বলেন, আমার জানামতে এই নামে কোন ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধ করেনি এবং কোন মুক্তিযোদ্ধা নেই কারণ আমি সকল মুক্তিযোদ্ধার বাড়িঘর পরিচয় সবকিছুই জানি কে কোথায় থাকে, এটা হয়তো অর্থ দিয়ে অবৈধভাবে তৈরি করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের এক জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সরকার ইতিমধ্যে সকল মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা নিয়ে কাজ করছে এবং শনাক্ত করা হচ্ছে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত সকল তথ্য ও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পিআইও মাসুদুর রহমান ও উপ খাদ্য পরিদর্শক ইসমত জাহান ইলার ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
পিআইও মাসুদুর রহমান ও উপ খাদ্য পরিদর্শক ইসমত জাহান ইলার অনিয়ম দুর্নীতি ও আরো সম্পদের বিবরণ নিয়ে আসছে দ্বিতীয় পর্ব।