ঢাকা ০১:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলায় প্রজন্ম লীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫ বঙ্গোপসাগর থেকে গ্যাস তুলে নিয়ে যাচ্ছে ভারত ও মিয়ানমার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বেতাগীতে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর তিন দাঁত ভাঙার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ফ্যামিলি-কৃষক কার্ড নিয়ে স্বজনপ্রীতি করলেই মামলা: ডেপুটি স্পিকার পবিপ্রবিতে ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগে গবেষণাগার উদ্বোধন করলেন পবিপ্রবি উপাচার্য মৃত্যুফাঁদে বড়লেখা পৌর মার্কেট, জীবনের ঝুঁকিতে ব্যবসায়ীরা ভৈরবে জে.আই. ইমপেক্সে ৩৫ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি, জব্দ বিপুল নথি বান্দরবানে রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ সালমান এফ রহমানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলার সুপারিশ সম্মাননা স্মারক পেলেন নীলফামারীর সাংবাদিক আশরাফুল ইসলাম রাজু

ডাকসু নির্বাচন: জয়ী হলে হল থেকে গাঁজাখোর উচ্ছেদের প্রতিশ্রুতি প্রার্থীর

আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে সূর্যসেন হল সংসদে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। নির্বাচিত হলে তিনি হল থেকে গাঁজা সেবনকারীদের উচ্ছেদ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সম্প্রতি নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ ঘোষণা দেন আবু সাঈদ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও হলের নিয়ম অনুসারে নেশাজাতীয় দ্রব্য রাখা বা সেবন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। হল একটি শিক্ষার পরিবেশ, এখানে শৃঙ্খলা বজায় রাখা জরুরি। কেউ নিয়ম ভাঙলে প্রশাসনের সহযোগিতায় তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আবু সাঈদ বলেন, গাঁজা সেবনের কারণে আশপাশের শিক্ষার্থীরা বিরক্ত হয়। অনেক সময় এরা আড্ডা, উচ্চশব্দ, ঝগড়া বা অশোভন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে, যা অন্যদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটায়। এতে নতুন শিক্ষার্থীরাও প্রভাবিত হয়ে নেশার দিকে ঝুঁকতে পারে।

তিনি আরও বলেন, গাঁজা সেবনের কারণে ব্যক্তিগত ক্ষতিও হয়। নিয়মিত গাঁজা সেবনে পড়াশোনার ক্ষতি হয়, মনোযোগ কমে যায়, শারীরিক ও মানসিক সমস্যা তৈরি হয়। দীর্ঘমেয়াদে এটি আসক্তি বাড়িয়ে জীবন নষ্ট করতে পারে। বড় করে বলতে গেলে এটি সমাজ ও ভবিষ্যতের দায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশের ভবিষ্যৎ সম্পদ। যদি তারা নেশায় ডুবে যায়, তবে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি জানান, হল থেকে ‘গাঁজাখোরকে’ বের করে দেওয়া আসলে কোনো শাস্তি নয়; বরং শৃঙ্খলা রক্ষা ও অন্যদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার উপায়। তবে শুধু বের করে দিলেই সমাধান নয়; তাদের জন্য কাউন্সেলিং, সচেতনতা বৃদ্ধি ও চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া হলে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলায় প্রজন্ম লীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫

ডাকসু নির্বাচন: জয়ী হলে হল থেকে গাঁজাখোর উচ্ছেদের প্রতিশ্রুতি প্রার্থীর

আপডেট সময় ০২:০২:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে সূর্যসেন হল সংসদে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। নির্বাচিত হলে তিনি হল থেকে গাঁজা সেবনকারীদের উচ্ছেদ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সম্প্রতি নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ ঘোষণা দেন আবু সাঈদ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও হলের নিয়ম অনুসারে নেশাজাতীয় দ্রব্য রাখা বা সেবন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। হল একটি শিক্ষার পরিবেশ, এখানে শৃঙ্খলা বজায় রাখা জরুরি। কেউ নিয়ম ভাঙলে প্রশাসনের সহযোগিতায় তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আবু সাঈদ বলেন, গাঁজা সেবনের কারণে আশপাশের শিক্ষার্থীরা বিরক্ত হয়। অনেক সময় এরা আড্ডা, উচ্চশব্দ, ঝগড়া বা অশোভন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে, যা অন্যদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটায়। এতে নতুন শিক্ষার্থীরাও প্রভাবিত হয়ে নেশার দিকে ঝুঁকতে পারে।

তিনি আরও বলেন, গাঁজা সেবনের কারণে ব্যক্তিগত ক্ষতিও হয়। নিয়মিত গাঁজা সেবনে পড়াশোনার ক্ষতি হয়, মনোযোগ কমে যায়, শারীরিক ও মানসিক সমস্যা তৈরি হয়। দীর্ঘমেয়াদে এটি আসক্তি বাড়িয়ে জীবন নষ্ট করতে পারে। বড় করে বলতে গেলে এটি সমাজ ও ভবিষ্যতের দায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশের ভবিষ্যৎ সম্পদ। যদি তারা নেশায় ডুবে যায়, তবে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি জানান, হল থেকে ‘গাঁজাখোরকে’ বের করে দেওয়া আসলে কোনো শাস্তি নয়; বরং শৃঙ্খলা রক্ষা ও অন্যদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার উপায়। তবে শুধু বের করে দিলেই সমাধান নয়; তাদের জন্য কাউন্সেলিং, সচেতনতা বৃদ্ধি ও চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া হলে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে।