ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে পিআইবির ডিজি ফারুক ওয়াসিফের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন অভিযোগের পরও একই বিদেশি স্টেশনে স্বামী-স্ত্রী কুমিল্লা সার্কিট হাউসে উইপোকার উপদ্রব, রাত না কাটিয়েই চলে গেলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কুমিল্লা মেডিকেলে মন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শন, অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা বন্ধে কঠোর নির্দেশ শেরেবাংলা নগর বয়েজ হাই স্কুল অ্যালামনাই এসোসিয়েশন-এর কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত আত্রাইয়ের ঐতিহাসিক পতিসর রাস্তার সৌন্দর্যবর্ধনে তাল গাছের চারা রোপণ দাবি না মানলে ডিসেম্বরের মধ্যে সরকার পতনের হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল ARLCB পবিপ্রবিতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপিত

স্বামীকে অপহরণ করে চাঁদা দাবি, স্ত্রীসহ গ্রেফতার ৬

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অপহরণ করে চাঁদা দাবির অভিযোগে এক নারীসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে অপহরণের শিকার ব্যক্তির স্ত্রীও রয়েছেন।

শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের মীর দেওহাটা গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে হাসান মোল্লা (৩৪), মীর দেওহাটা গ্রামের মৃত আতোয়ার হোসেনের ছেলে ইমরান হোসেন (২৫), একই এলাকার রহিম সিকদারের ছেলে জহিরুল ইসলাম (২৪), কোদালিয়া গ্রামের খোরশেদ আলীর ছেলে মো. রানা (২০), বহুরিয়া ইউনিয়নের বহুরিয়া গ্রামের মঙ্গল সিকদারের ছেলে আরিফ (৩৩) ও গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার তালচানা গ্রামের আলকেসের মেয়ে আকলিমা বেগম (৪০)।

পুলিশ জানায়, একই ইটভাটায় কাজ করার সময় অপহরণের শিকার আব্দুর রহিমের সঙ্গে গ্রেফতার আকলিমা আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে তারা বিয়েও করেন। ইটভাটার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আব্দুর রহিম তার নিজ এলাকায় চলে যান। সেখানে তার আরেক স্ত্রী রয়েছে।

৬-৭ মাস ধরে আব্দুর রহিম যোগাযোগ না করায় তাকে শায়েস্তা করার ফন্দি আটেন স্ত্রী আকলিমা। ফোন করে তাকে মির্জাপুরে আসতে বলেন তিনি। আব্দুর রহিম মির্জাপুরে আকলিমার ভাড়া বাসায় আসার পরপরই এ মামলায় পলাতক রাকিব হোসেনের নেতৃত্বে গ্রেফতার অন্যরা তাকে মারধর করেন। পরে গোড়াই পালপাড়ার একটি বাড়িতে নিয়ে জিম্মি করেন। এরপর স্বজনদের কাছে ফোন করে চার লাখ টাকা দাবি করা হয়।

জিম্মি আব্দুর রহিমের স্বজনরা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানান। শুক্রবার (১ আগস্ট) রাতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়।

এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিরা এলাকায় মাদক নির্মূল কমিটির নেতৃত্ব দিতেন। কিন্তু অন্তরালে তারা অপহরণসহ বিভিন্নভাবে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ ছিল।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে পিআইবির ডিজি ফারুক ওয়াসিফের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

স্বামীকে অপহরণ করে চাঁদা দাবি, স্ত্রীসহ গ্রেফতার ৬

আপডেট সময় ০৭:৫৫:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অপহরণ করে চাঁদা দাবির অভিযোগে এক নারীসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে অপহরণের শিকার ব্যক্তির স্ত্রীও রয়েছেন।

শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের মীর দেওহাটা গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে হাসান মোল্লা (৩৪), মীর দেওহাটা গ্রামের মৃত আতোয়ার হোসেনের ছেলে ইমরান হোসেন (২৫), একই এলাকার রহিম সিকদারের ছেলে জহিরুল ইসলাম (২৪), কোদালিয়া গ্রামের খোরশেদ আলীর ছেলে মো. রানা (২০), বহুরিয়া ইউনিয়নের বহুরিয়া গ্রামের মঙ্গল সিকদারের ছেলে আরিফ (৩৩) ও গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার তালচানা গ্রামের আলকেসের মেয়ে আকলিমা বেগম (৪০)।

পুলিশ জানায়, একই ইটভাটায় কাজ করার সময় অপহরণের শিকার আব্দুর রহিমের সঙ্গে গ্রেফতার আকলিমা আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে তারা বিয়েও করেন। ইটভাটার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আব্দুর রহিম তার নিজ এলাকায় চলে যান। সেখানে তার আরেক স্ত্রী রয়েছে।

৬-৭ মাস ধরে আব্দুর রহিম যোগাযোগ না করায় তাকে শায়েস্তা করার ফন্দি আটেন স্ত্রী আকলিমা। ফোন করে তাকে মির্জাপুরে আসতে বলেন তিনি। আব্দুর রহিম মির্জাপুরে আকলিমার ভাড়া বাসায় আসার পরপরই এ মামলায় পলাতক রাকিব হোসেনের নেতৃত্বে গ্রেফতার অন্যরা তাকে মারধর করেন। পরে গোড়াই পালপাড়ার একটি বাড়িতে নিয়ে জিম্মি করেন। এরপর স্বজনদের কাছে ফোন করে চার লাখ টাকা দাবি করা হয়।

জিম্মি আব্দুর রহিমের স্বজনরা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানান। শুক্রবার (১ আগস্ট) রাতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়।

এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিরা এলাকায় মাদক নির্মূল কমিটির নেতৃত্ব দিতেন। কিন্তু অন্তরালে তারা অপহরণসহ বিভিন্নভাবে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ ছিল।