ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ, থানায় এজাহার চাঁদপুরে গণমানুষের কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষ উদযাপিত কমিশনে দলীয় লোক বসিয়ে স্থানীয় নির্বাচন দখলের পরিকল্পনা করছে বিএনপি ইতালিতে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড করলেন মেলোনি গোমস্তাপুরে ডিএনসির অভিযানে ১.৫ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ১ বিরোধীদল সংসদে সুন্দর কথা বলে, আর বাহিরে ৭১’র রূপ ধারণ করে: এ্যানি স্ত্রীর মারধরের দাবি করে মদপান, ভিডিও ভাইরালের পর নৌ পুলিশের এসআই প্রত্যাহার চলে গেলে কেউ দেবে না, তাই বিভিন্ন স্থাপনায় নিজের নাম দিচ্ছি: ট্রাম্প মরণফাঁদে কুমিল্লা সদরের রঘুপুর সড়ক, দুর্দশায় ১৩ হাজার মানুষ লং মার্চের নামে বিরোধী দল জ্বালানি অপচয় করছে : মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী

সাতক্ষীরার আলোচিত জনপদ খলিশাখালিতে পুলিশ ফাঁড়ি’র দাবী

মারপিট, হামলা-মামলার জন্য আলোচিত জনপদ সাতক্ষীরার দেবহাটার খলিশাখালি এলাকা। এই জনপদে অপরাধ দমনের জন্য একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন এখন স্থানীয়দের সময়ের দবী।

জানা গেছে, খলিশাখালি একটি জনবহুল এলাকা। এই এলাকায় ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসীরা ব্যক্তিমালিকানাধীন ১৩’শ ২০ বিঘা জমি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে আবাসন প্রকল্প করে দখল হয়ে আছে। বর্তমানে সেখানে মাদক আখড়াসহ বিভিন্ন ধরণের অপরাধের স্বর্গরাজ্য হিসেবে গড়ে উঠেছে।

এলাকাবাসীরা বলছেন, দেবহাটা থানা থেকে খলিসাখালির দুরুত্ব প্রায় ১০ কি.মি. হওয়ার কারণে প্রতিনিয়িত ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপরাধের জন্য আইনের দ্বারস্থ হতে হিমশিম খেতে হয়। তাই এখানে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হলে, এটি অপরাধ দমনে সহায়ক হবে এবং এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে।

খলিশাখালি এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহমান , সামাদ আলী, আশরাফ উদ্দীনসহ অনেকে জানান- এই এলাকায় ভুমিদস্যুরা মালিকানাধীন ভূমিগ্রাস করে এখানে অবস্থান করে সন্ত্রাসীরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ কর্মকান্ডের আস্থানা গেড়ে বসেছে। এই কারণে, এখানে অপরাধের সম্ভাবনাও বেশি। তাই এখানে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হলে, পুলিশ খুব দ্রুত ঘটনাস্থলে যেতে পারবে এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে পারবে। এছাড়াও একটি পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা বোধ সৃষ্টি করবে। যখন মানুষ জানবে যে তাদের এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি আছে, তখন তারা আরও বেশি নিরাপদ বোধ করবে এবং অপরাধের শিকার হওয়ার ভয় কম পাবে।

তাই এলাকাবাসীর দাবি, খলিশাখালি এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি। এটি এলাকার নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখতে সহায়ক হবে এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

এবিষয়ে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মুকিত হাসান খাঁন বলেন, সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ জনগনের সেবা দিতেই কাজ করে যাচ্ছে। সেবা নেওয়া স্বার্থে জনগনের কোন প্রত্যাশা থাকলে পুলিশ সেটি পূরণ করবে। তাছাড়া দেবহাটার খলিশাখালি এলাকায় সময় বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত হয়ে থাকে। স্থানীয়রা যদি সেখানে পুলিশ ফাঁড়ির দাবি করে সেটি সম্ভব।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ, থানায় এজাহার

সাতক্ষীরার আলোচিত জনপদ খলিশাখালিতে পুলিশ ফাঁড়ি’র দাবী

আপডেট সময় ০৩:৫৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

মারপিট, হামলা-মামলার জন্য আলোচিত জনপদ সাতক্ষীরার দেবহাটার খলিশাখালি এলাকা। এই জনপদে অপরাধ দমনের জন্য একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন এখন স্থানীয়দের সময়ের দবী।

জানা গেছে, খলিশাখালি একটি জনবহুল এলাকা। এই এলাকায় ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসীরা ব্যক্তিমালিকানাধীন ১৩’শ ২০ বিঘা জমি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে আবাসন প্রকল্প করে দখল হয়ে আছে। বর্তমানে সেখানে মাদক আখড়াসহ বিভিন্ন ধরণের অপরাধের স্বর্গরাজ্য হিসেবে গড়ে উঠেছে।

এলাকাবাসীরা বলছেন, দেবহাটা থানা থেকে খলিসাখালির দুরুত্ব প্রায় ১০ কি.মি. হওয়ার কারণে প্রতিনিয়িত ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপরাধের জন্য আইনের দ্বারস্থ হতে হিমশিম খেতে হয়। তাই এখানে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হলে, এটি অপরাধ দমনে সহায়ক হবে এবং এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে।

খলিশাখালি এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহমান , সামাদ আলী, আশরাফ উদ্দীনসহ অনেকে জানান- এই এলাকায় ভুমিদস্যুরা মালিকানাধীন ভূমিগ্রাস করে এখানে অবস্থান করে সন্ত্রাসীরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ কর্মকান্ডের আস্থানা গেড়ে বসেছে। এই কারণে, এখানে অপরাধের সম্ভাবনাও বেশি। তাই এখানে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হলে, পুলিশ খুব দ্রুত ঘটনাস্থলে যেতে পারবে এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে পারবে। এছাড়াও একটি পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা বোধ সৃষ্টি করবে। যখন মানুষ জানবে যে তাদের এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি আছে, তখন তারা আরও বেশি নিরাপদ বোধ করবে এবং অপরাধের শিকার হওয়ার ভয় কম পাবে।

তাই এলাকাবাসীর দাবি, খলিশাখালি এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি। এটি এলাকার নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখতে সহায়ক হবে এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

এবিষয়ে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মুকিত হাসান খাঁন বলেন, সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ জনগনের সেবা দিতেই কাজ করে যাচ্ছে। সেবা নেওয়া স্বার্থে জনগনের কোন প্রত্যাশা থাকলে পুলিশ সেটি পূরণ করবে। তাছাড়া দেবহাটার খলিশাখালি এলাকায় সময় বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত হয়ে থাকে। স্থানীয়রা যদি সেখানে পুলিশ ফাঁড়ির দাবি করে সেটি সম্ভব।