রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের কনসালটেন্ট ও ইনচার্জ- ডাক্তার এ বি এম মারুফুল হাসান এর বিরুদ্ধে গভীর যড়যন্ত্র মুলক চক্রান্ত করে স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুব হোসেন সুমন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুকে) মিথ্যা- ভিত্তিহীন-বিভ্রান্তি ও আপত্তিকর তথ্য প্রচার করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন এক চিকিৎসক।
৩০ শে জুলাই বুধবার বিকাল ৪-৩০ মিনিটে রংপুর সিটি প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
ডাক্তার এ বি এম মারুফুল হাসান গণমাধ্যমকে লিখিত বক্তব্যে বলেন,
রংপুর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুব হোসেন সুমন তার ফেসবুক আইডি থেকে
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করে এবং পরবর্তীতে এক ভিডিও কনফারেন্সে একই ধরনের আপত্তিকর ও মানহানিকর বক্তব্য উপস্থাপন করে। তা উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও পরিকল্পিত বলে আমার কাছে প্রতিয়মান। এই সুমন এর সাথে রমেক হাসপাতালে গত ২৮/০৭/২৫ ইং তারিখে অপর এক চিকিৎসকের সাথে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। আর সেই দোষ আমার উপর চাপিয়ে দিয়ে আমার নামে নানান ধরনের অপপ্রচারে চালাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, আমি বাংলাদেশ সোসাইটি অফ এনিস্থিসীয়লজিস্ট ক্রিটিক্যাল কেয়ার ও পেইন ফিজিশিয়ান ( বিএসএ -সিসিপিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ও রংপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছি, এছাড়াও আমি স্পেশাল বিসিএস’ ২১, ( ষষ্ঠ গ্রেড) স্বাস্থ্য
ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় কমিটির রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, পুলিশ লাইন স্কুল ও কলেজের অ্যালুমিনি অ্যাসোসিয়েশনের
সভাপতি। তাছাড়াও আমি বিভিন্ন পেশাজীবী ও সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে জড়িত। আমার এসব পোস্ট পদবী ও সামাজিক অবস্থানের কারণে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করার
উদ্দেশ্যে সবসময় ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। আমার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করার বিষয়টি সেই ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ বলে আশঙ্কা করেন তিনি। এবং উল্লেখযোগ্য হিসাবে
মাহবুব হোসেন সুমন অভিযোগ উত্থাপন করে বিভ্রান্ত ছড়ায় যে
এ্যানেস্থেসিয়া ডাক্তার হয়েও দলীয় প্রভাব খাটিয়ে লাইফ সাপোর্টের মতো জায়গায় দায়িত্বে আছি আমি।
তিনি সাংবাদিকদের জ্ঞাতার্থে আরো বলেন, সারা বাংলাদেশের সকল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ এ্যানেস্থেসিয়া ডিপার্টমেন্টের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। এ্যানেস্থেসিয়া বিভাগ থেকে
দক্ষতা,যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও পোস্ট গ্রাজুয়েশন ডিগ্রির বিবেচনায় একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে আইসিইউ
পরিচালনার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়।
যদিও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ ওয়ার্ডে বেড সংখ্যা কম থাকা সত্ত্বেও সাংবাদিক পরিচয়ধারী মাহবুব হোসেন সুমন বিভিন্ন সময় আইসিইউতে
রোগী ভর্তির জন্য চাপ প্রয়োগ করত এবং কিছুদিন আগে সে ৭১ টিভির সাংবাদিক পরিচয়ে একই বিষয়ে
হাসপাতাল পরিচালক ও এ্যানেস্থেসিয়া বিভাগীয় প্রধানের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে। যা হয়রানি ও বিভ্রান্তিকর। স্বেচ্ছাসেবক দলের রংপুর মহানগর শাখার বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুব হোসেন সুমন এর
এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি। সেই সাথে মানহানিকর এমন তথ্য ছড়িয়ে দেয়ার জন্য মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে গনমাধ্যমকে জানান তিনি।
শহীদুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি 




















