সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

BMDC’র সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ইমরুল কায়েসের বিপুল সম্পদ ও নার্সিং কলেজ বাণিজ্য

বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের (BMDC) সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ইমরুল কায়েসের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রভাবশালী নেতাদের ছায়ায় থেকে আর্থিক ও প্রশাসনিক সুবিধা নিয়েছেন।

বিশ্বস্ত সূত্রগুলো দাবি করছে, ইমরুল কায়েস নার্সিং কলেজ অনুমোদনের ক্ষেত্রে ঘুষ ও অর্থ লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, অর্থের বিনিময়ে নানা বিধিভঙ্গ করে তিনি অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকেও অনুমোদন দিয়েছেন। বিশেষ করে তার স্ত্রী’র নামে নিবন্ধিত একাধিক নার্সিং কলেজ অনুমোদন পেয়েছে দ্রুত সময়ের মধ্যেই, যেখানে নিয়মিত প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত শর্ত পূরণ হয়নি বলেও দাবি করেছে একাধিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক BMDC কর্মকর্তা জানান, “নার্সিং কলেজ অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় ইমরুল কায়েস প্রভাব খাটিয়ে কমিশনের অভ্যন্তরীণ নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান মাত্র কয়েক মাসের প্রস্তুতি নিয়েই অনুমোদন পেয়ে গেছে।”

এছাড়া ইমরুল কায়েসের বিরুদ্ধে রাজধানী ঢাকাসহ আশেপাশে একাধিক বাড়ি, প্লট এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক হওয়ার অভিযোগ উঠেছে, যার অধিকাংশই তার স্ত্রী ও নিকট আত্মীয়দের নামে নিবন্ধিত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক কর্মকর্তা জানান, “আমরা ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করছি। যদি প্রয়োজনীয় প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে BMDC’র অভ্যন্তরেও ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। চিকিৎসা ও নার্সিং পেশাজীবীরা বলছেন, এমন অনিয়ম ও দুর্নীতি দেশের স্বাস্থ্য শিক্ষার মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, অবিলম্বে এইসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত এবং প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

BMDC’র সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ইমরুল কায়েসের বিপুল সম্পদ ও নার্সিং কলেজ বাণিজ্য

আপডেট সময় ১০:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের (BMDC) সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ইমরুল কায়েসের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রভাবশালী নেতাদের ছায়ায় থেকে আর্থিক ও প্রশাসনিক সুবিধা নিয়েছেন।

বিশ্বস্ত সূত্রগুলো দাবি করছে, ইমরুল কায়েস নার্সিং কলেজ অনুমোদনের ক্ষেত্রে ঘুষ ও অর্থ লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, অর্থের বিনিময়ে নানা বিধিভঙ্গ করে তিনি অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকেও অনুমোদন দিয়েছেন। বিশেষ করে তার স্ত্রী’র নামে নিবন্ধিত একাধিক নার্সিং কলেজ অনুমোদন পেয়েছে দ্রুত সময়ের মধ্যেই, যেখানে নিয়মিত প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত শর্ত পূরণ হয়নি বলেও দাবি করেছে একাধিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক BMDC কর্মকর্তা জানান, “নার্সিং কলেজ অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় ইমরুল কায়েস প্রভাব খাটিয়ে কমিশনের অভ্যন্তরীণ নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান মাত্র কয়েক মাসের প্রস্তুতি নিয়েই অনুমোদন পেয়ে গেছে।”

এছাড়া ইমরুল কায়েসের বিরুদ্ধে রাজধানী ঢাকাসহ আশেপাশে একাধিক বাড়ি, প্লট এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক হওয়ার অভিযোগ উঠেছে, যার অধিকাংশই তার স্ত্রী ও নিকট আত্মীয়দের নামে নিবন্ধিত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক কর্মকর্তা জানান, “আমরা ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করছি। যদি প্রয়োজনীয় প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে BMDC’র অভ্যন্তরেও ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। চিকিৎসা ও নার্সিং পেশাজীবীরা বলছেন, এমন অনিয়ম ও দুর্নীতি দেশের স্বাস্থ্য শিক্ষার মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, অবিলম্বে এইসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত এবং প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।