ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত চুয়াডাঙ্গায় ঘুমন্ত নারীকে কুপিয়ে হত্যা সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে ফের উত্তাল চট্টগ্রাম শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে মোটরসাইকেল চালানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডাকসু

অনিয়মের অভিযোগ স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থ শাখার পরিচালকের বিরুদ্ধে 

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থশাখার পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান স্বৈরাচারী সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানা অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে জানা যায়।

সৈয়দ মোঃ হাবিবুর রহমান স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থ শাখার পরিচালক। স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের আমলে স্বাস্থ্য বিষয়ক অবকাঠামো নির্মাণের বিভিন্ন প্রকল্পের বাজেট তছরুপ করে হাতিয়ে নিয়েছেন শত শত কোটি টাকা। বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও প্রধান প্রকৌশলীর সাথে আতাত করে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করেছেন বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ । নিজেকে বিত্তশালী পরিবারের সন্তান হিসেবে দাবি করে বলেন, পৈত্রিক সূত্রেই নাকি তিনি শতকোটি টাকার মালিক। তার বড় ভাই মোঃ কাশেম ছিলেন একজন সুপরিচিত আওয়ামী লীগ নেতা। ২০১৮ সালে রাতের ভোটের নির্বাচনে মোঃ কাশেম এমপি হওয়ার জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন। এমনকি তার দুর্নীতির খবর জানার কারণে নিজের অফিসের অ্যাকাউন্ট সেকশনের কর্মকর্তা সিরাজ কে চাকুরী জীবন শেষ হওয়ার পূর্বেই এই হাবিবুর রহমান চক্রান্ত করে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠান। ওই পদে নিয়োগ দিয়েছেন নিজের পছন্দের মুরাদ নামের একজন ব্যক্তিকে। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অন্যতম দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেনের সাথেও ছিল তার ভালো সখ্যতা, যে কারণে উভয় মিলে লুট করেছেন শত কোটি টাকা। অর্থশাখার পরিচালক হাবিবুর রহমানের দুর্নীতির সকল তথ্য রয়েছে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ক্যাশিয়ার আইয়ুব এর কাছে যে আইয়ুব তার ডানহাত হিসেবে কাজ করতেন। রাজধানী ঢাকায় নামে-বেনামে গড়েছেন বিপুল পরিমাণ সম্পদ ও নগদ অর্থ । আগামী মাসে তিনি অবসরে যাবেন বলে জানা গেছে। ক্ষমতার পালা বদলে আওয়ামী সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য বিষয়ক সচিব ও প্রধান প্রকৌশলী পরিবর্তন হলেও অর্থ পরিচালক দুর্নীতিবাজ হাবিবুর রহমান রয়েছেন বহাল তবিয়তে। তার বিরুদ্ধে যেন বিভাগীয় কোন তদন্ত না হয় সেজন্য প্রধান প্রকৌশলী ও স্বাস্থ্য সচিব কে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে রেখেছেন। তিনি হয়তো মনে করেন এক মাস পর অবসরে গেলে এমনিতেই লোকচক্ষুর অন্তরালে ধামাচাপা পড়ে যাবে তার দুর্নীতি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা -কর্মচারী বলেন, স্বৈরাচারী সরকার থাকা অবস্থায় ক্ষমতা অপব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম করে সরকারের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন অর্থ শাখার পরিচালক হাবিবুর রহমান স্যার। তারা আরো বলেন,আমরা শুনেছি বিদেশ অর্থ পাচারের সাথেও নাকি অর্থ শাখার পরিচালক হাবিবুর রহমান স্যার জড়িত আছেন।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থ শাখার পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমানের সাথে দেখা করলে তিনি বলেন, এগুলো সবই আমার পৈতৃক সম্পত্তি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি

অনিয়মের অভিযোগ স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থ শাখার পরিচালকের বিরুদ্ধে 

আপডেট সময় ১০:৩৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থশাখার পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান স্বৈরাচারী সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানা অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে জানা যায়।

সৈয়দ মোঃ হাবিবুর রহমান স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থ শাখার পরিচালক। স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের আমলে স্বাস্থ্য বিষয়ক অবকাঠামো নির্মাণের বিভিন্ন প্রকল্পের বাজেট তছরুপ করে হাতিয়ে নিয়েছেন শত শত কোটি টাকা। বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও প্রধান প্রকৌশলীর সাথে আতাত করে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করেছেন বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ । নিজেকে বিত্তশালী পরিবারের সন্তান হিসেবে দাবি করে বলেন, পৈত্রিক সূত্রেই নাকি তিনি শতকোটি টাকার মালিক। তার বড় ভাই মোঃ কাশেম ছিলেন একজন সুপরিচিত আওয়ামী লীগ নেতা। ২০১৮ সালে রাতের ভোটের নির্বাচনে মোঃ কাশেম এমপি হওয়ার জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন। এমনকি তার দুর্নীতির খবর জানার কারণে নিজের অফিসের অ্যাকাউন্ট সেকশনের কর্মকর্তা সিরাজ কে চাকুরী জীবন শেষ হওয়ার পূর্বেই এই হাবিবুর রহমান চক্রান্ত করে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠান। ওই পদে নিয়োগ দিয়েছেন নিজের পছন্দের মুরাদ নামের একজন ব্যক্তিকে। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অন্যতম দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেনের সাথেও ছিল তার ভালো সখ্যতা, যে কারণে উভয় মিলে লুট করেছেন শত কোটি টাকা। অর্থশাখার পরিচালক হাবিবুর রহমানের দুর্নীতির সকল তথ্য রয়েছে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ক্যাশিয়ার আইয়ুব এর কাছে যে আইয়ুব তার ডানহাত হিসেবে কাজ করতেন। রাজধানী ঢাকায় নামে-বেনামে গড়েছেন বিপুল পরিমাণ সম্পদ ও নগদ অর্থ । আগামী মাসে তিনি অবসরে যাবেন বলে জানা গেছে। ক্ষমতার পালা বদলে আওয়ামী সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য বিষয়ক সচিব ও প্রধান প্রকৌশলী পরিবর্তন হলেও অর্থ পরিচালক দুর্নীতিবাজ হাবিবুর রহমান রয়েছেন বহাল তবিয়তে। তার বিরুদ্ধে যেন বিভাগীয় কোন তদন্ত না হয় সেজন্য প্রধান প্রকৌশলী ও স্বাস্থ্য সচিব কে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে রেখেছেন। তিনি হয়তো মনে করেন এক মাস পর অবসরে গেলে এমনিতেই লোকচক্ষুর অন্তরালে ধামাচাপা পড়ে যাবে তার দুর্নীতি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা -কর্মচারী বলেন, স্বৈরাচারী সরকার থাকা অবস্থায় ক্ষমতা অপব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম করে সরকারের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন অর্থ শাখার পরিচালক হাবিবুর রহমান স্যার। তারা আরো বলেন,আমরা শুনেছি বিদেশ অর্থ পাচারের সাথেও নাকি অর্থ শাখার পরিচালক হাবিবুর রহমান স্যার জড়িত আছেন।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থ শাখার পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমানের সাথে দেখা করলে তিনি বলেন, এগুলো সবই আমার পৈতৃক সম্পত্তি।