ঢাকা ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত চুয়াডাঙ্গায় ঘুমন্ত নারীকে কুপিয়ে হত্যা সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে ফের উত্তাল চট্টগ্রাম শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে মোটরসাইকেল চালানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডাকসু
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলীর ক্ষমতার উৎস কোথায়?

অদৃশ্য প্রজেক্টের ১২ কোটি টাকা লোপাট

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের চিপ ইঞ্জিনিয়ারের নুর আজিজের ক্ষমতার উৎস কোথায়? অদৃশ্য প্রজেক্ট দেখিয়ে ১২ কোটি টাকা আত্মসাত সহ অসংখ্য অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে আতত করে সিটি কর্পোরেশনের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।
অনুসন্ধানীতে দেখা যায়,সিলেট সিটি কর্পোরেশন মালিকানাধীন সিলেট কেন্দ্রীয় বাস ও ট্রাক টার্মিনালের সিসিকের একটি প্রকল্প রিয়েল টাইম কাস্টমাইজড সফটওয়্যার বেসিট কম্পিউটারাইজ টোল কালেকশন এন্ড ওয়েট স্কেল সিস্টেম অপারেশনের প্রকল্পটির কাজ ১ জুন ২০২০ সালে দেওয়া হয় মেসার্স জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে।
কাগজে কলমে মেসার্স জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজ শেষ হয় ৮ আগস্ট ২০২৩ সালে। সমাপ্তি শেষে ১২ কোটি টাকা উত্তোলন করে মেসার্স জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
সরজমিনে অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা গেল ,উল্লিখিত প্রকল্পের কোনো অস্তিত্ব নেই। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি সিলেট বিভাগীয় শহরে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কর্মকর্তা দৈনিক আমাদের মাতৃভূমিকে নিশ্চিত করেন চিফ ইঞ্জিনিয়ার এর স্বেচ্ছাচারিতা দুর্নীতির লাগামহীন ভাবে চলছে আমরা কিছু বললে চাকরি চলে যাবে এই ভয়ে আমরা কিছু বলি না। আপনারা সাংবাদিক অনুসন্ধান করে দেখেন এই চিফ ইঞ্জিনিয়ার এর বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ পাবেন।
অন্যদিকে দেখা যায় মেসার্স জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটিকে উৎকোচ নিয়ে বিভিন্ন টোল প্লাজার দরপত্র আহ্বানে অংশ নিচ্ছেন। সিসিকের পক্ষ থেকে মেসার্স জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা হিসেবে সিসিকের রিয়েল টাইম কাস্টমাইজড সফটওয়্যার বেসিড টোল কালেকশন এন্ড ওয়েট স্কেল সিস্টেম অপারেশনের প্রকল্প বাস্তবায়নের সার্টিফিকেট প্রদান করছে। যা শুনে রীতিমতো হতবাগ সাধারণ জনগণ।
এসব বিষয় নিয়ে রোডস এন্ড হাইওয়ের সন্দেহ হলে মেসার্স জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি সিসিকের রিয়েল টাইম কাস্টমাইজড সফটওয়্যার বেসিড টোল কালেকশন এন্ড ওয়েট স্কেল সিস্টেম অপারেশন বাস্তবায়ন করেছে কি-না জানতে চেয়ে সিসিকের কাছে চিঠি প্রদান করে। সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে রোডস এন্ড হাইওয়েকে বলেন, মেসার্স মো জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি রিয়েল টাইম কাস্টমাইজড সফটওয়্যার বেসিড টোল কালেকশন এন্ড ওয়েট স্কেল সিস্টেম অপারেশন প্রকল্পটি ১ জুন থেকে ১০ আগস্ট ২০২৩ পর্যন্ত কার্যকাল সম্পাদন করে ১২ কোটি টাকার বিল উত্তোলন করেছে।
বাস্তবে মেসার্স জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিসিকের রিয়েল টাইম কাস্টমাইজড সফটওয়্যার বেসিড টোল কালেকশন এন্ড ওয়েট স্কেল সিস্টেম অপারেশন এই ধরনের কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন করে নাই।
আরও অনুসন্ধানীতে দেখা যায়, সিলেট কেন্দ্রীয় বাস ও ট্রাক টার্মিনালে কোনো ওয়েট স্কেল ও কোনো কম্পিউটারাইজ টোল প্লাজা নেই।
বাস ও ট্রাকের অনেক শ্রমিক নেতারা জানান কেন্দ্রীয় বাস ও ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণের পর থেকে কোনো টোল প্লাজা বা ওয়েট স্কেল সিস্টেম নেই। সিসিকের রিয়েল টাইম কাস্টমাইজড সফটওয়্যার বেসিড টোল কালেকশন এন্ড ওয়েট স্কেল সিস্টেম অপারেশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে মেসার্স মো জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যেখানে কোনো প্রকল্পই নেই সেখানে বাস্তবায়ন কীভাবে হয় এমন প্রশ্নের জবাবে সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান বলেন, মেসার্স মো জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এই প্রকল্পের প্রস্তাব দেয় যে কম্পিউটারাইজ ও ওয়েট স্কেল সিস্টেম অপারেশন করতে ১২ কোটি টাকা খরচ করলে সিসিকের অনেক লাভ হবে। মেসার্স মো জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তারা নিজের থেকেই কিছু কাজ করেছে আমরা সিসিক থেকে কোনো টাকা দেই নাই।
একটি সূত্র বলছে মেসার্স মো জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রোপ্রাইটার মো. জামিল ইকবালের সাথে যোগসাজশে নুর আজিজুর রহমান এই ভুয়া অদৃশ্য প্রকল্প সাজিয়ে ১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সিসিকের অনেক প্রকল্প হাতিয়ে নিতেন জামিল ইকবাল এবং তার ছত্রছায়ায় কাজ পাইয়ে দিতেন প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান।
সিটি কর্পোরেশনর আওয়ামী ডেভিলদের রক্ষার জন্য নুর আজিজুর রহমান এখনো গোপনে কাজ করছেন।
উল্লেখ মেসার্স মো. জামিল ইকবাল কাল্পনিক অদৃশ্য প্রকল্প বাস্তবায়ন ও সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমানের স্বাক্ষরিত সনদ পত্র দাখিল করে বিভিন্ন টোল প্লাজার ইজারা নিতে চেষ্টা চালাচ্ছে।
এদিকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান ইঞ্জিনিয়ার নুর আজিজুর রহমানের মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি। তবে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সচিব তিনি নিশ্চিত করেন এসব কাজ ইঞ্জিনিয়ার সাহেবেরা করেন দেখা শোনার দায়িত্ব তাদের।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলীর ক্ষমতার উৎস কোথায়?

অদৃশ্য প্রজেক্টের ১২ কোটি টাকা লোপাট

আপডেট সময় ১০:০৩:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের চিপ ইঞ্জিনিয়ারের নুর আজিজের ক্ষমতার উৎস কোথায়? অদৃশ্য প্রজেক্ট দেখিয়ে ১২ কোটি টাকা আত্মসাত সহ অসংখ্য অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে আতত করে সিটি কর্পোরেশনের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।
অনুসন্ধানীতে দেখা যায়,সিলেট সিটি কর্পোরেশন মালিকানাধীন সিলেট কেন্দ্রীয় বাস ও ট্রাক টার্মিনালের সিসিকের একটি প্রকল্প রিয়েল টাইম কাস্টমাইজড সফটওয়্যার বেসিট কম্পিউটারাইজ টোল কালেকশন এন্ড ওয়েট স্কেল সিস্টেম অপারেশনের প্রকল্পটির কাজ ১ জুন ২০২০ সালে দেওয়া হয় মেসার্স জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে।
কাগজে কলমে মেসার্স জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজ শেষ হয় ৮ আগস্ট ২০২৩ সালে। সমাপ্তি শেষে ১২ কোটি টাকা উত্তোলন করে মেসার্স জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
সরজমিনে অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা গেল ,উল্লিখিত প্রকল্পের কোনো অস্তিত্ব নেই। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি সিলেট বিভাগীয় শহরে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কর্মকর্তা দৈনিক আমাদের মাতৃভূমিকে নিশ্চিত করেন চিফ ইঞ্জিনিয়ার এর স্বেচ্ছাচারিতা দুর্নীতির লাগামহীন ভাবে চলছে আমরা কিছু বললে চাকরি চলে যাবে এই ভয়ে আমরা কিছু বলি না। আপনারা সাংবাদিক অনুসন্ধান করে দেখেন এই চিফ ইঞ্জিনিয়ার এর বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ পাবেন।
অন্যদিকে দেখা যায় মেসার্স জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটিকে উৎকোচ নিয়ে বিভিন্ন টোল প্লাজার দরপত্র আহ্বানে অংশ নিচ্ছেন। সিসিকের পক্ষ থেকে মেসার্স জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা হিসেবে সিসিকের রিয়েল টাইম কাস্টমাইজড সফটওয়্যার বেসিড টোল কালেকশন এন্ড ওয়েট স্কেল সিস্টেম অপারেশনের প্রকল্প বাস্তবায়নের সার্টিফিকেট প্রদান করছে। যা শুনে রীতিমতো হতবাগ সাধারণ জনগণ।
এসব বিষয় নিয়ে রোডস এন্ড হাইওয়ের সন্দেহ হলে মেসার্স জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি সিসিকের রিয়েল টাইম কাস্টমাইজড সফটওয়্যার বেসিড টোল কালেকশন এন্ড ওয়েট স্কেল সিস্টেম অপারেশন বাস্তবায়ন করেছে কি-না জানতে চেয়ে সিসিকের কাছে চিঠি প্রদান করে। সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে রোডস এন্ড হাইওয়েকে বলেন, মেসার্স মো জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি রিয়েল টাইম কাস্টমাইজড সফটওয়্যার বেসিড টোল কালেকশন এন্ড ওয়েট স্কেল সিস্টেম অপারেশন প্রকল্পটি ১ জুন থেকে ১০ আগস্ট ২০২৩ পর্যন্ত কার্যকাল সম্পাদন করে ১২ কোটি টাকার বিল উত্তোলন করেছে।
বাস্তবে মেসার্স জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিসিকের রিয়েল টাইম কাস্টমাইজড সফটওয়্যার বেসিড টোল কালেকশন এন্ড ওয়েট স্কেল সিস্টেম অপারেশন এই ধরনের কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন করে নাই।
আরও অনুসন্ধানীতে দেখা যায়, সিলেট কেন্দ্রীয় বাস ও ট্রাক টার্মিনালে কোনো ওয়েট স্কেল ও কোনো কম্পিউটারাইজ টোল প্লাজা নেই।
বাস ও ট্রাকের অনেক শ্রমিক নেতারা জানান কেন্দ্রীয় বাস ও ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণের পর থেকে কোনো টোল প্লাজা বা ওয়েট স্কেল সিস্টেম নেই। সিসিকের রিয়েল টাইম কাস্টমাইজড সফটওয়্যার বেসিড টোল কালেকশন এন্ড ওয়েট স্কেল সিস্টেম অপারেশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে মেসার্স মো জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যেখানে কোনো প্রকল্পই নেই সেখানে বাস্তবায়ন কীভাবে হয় এমন প্রশ্নের জবাবে সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান বলেন, মেসার্স মো জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এই প্রকল্পের প্রস্তাব দেয় যে কম্পিউটারাইজ ও ওয়েট স্কেল সিস্টেম অপারেশন করতে ১২ কোটি টাকা খরচ করলে সিসিকের অনেক লাভ হবে। মেসার্স মো জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তারা নিজের থেকেই কিছু কাজ করেছে আমরা সিসিক থেকে কোনো টাকা দেই নাই।
একটি সূত্র বলছে মেসার্স মো জামিল ইকবাল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রোপ্রাইটার মো. জামিল ইকবালের সাথে যোগসাজশে নুর আজিজুর রহমান এই ভুয়া অদৃশ্য প্রকল্প সাজিয়ে ১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সিসিকের অনেক প্রকল্প হাতিয়ে নিতেন জামিল ইকবাল এবং তার ছত্রছায়ায় কাজ পাইয়ে দিতেন প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান।
সিটি কর্পোরেশনর আওয়ামী ডেভিলদের রক্ষার জন্য নুর আজিজুর রহমান এখনো গোপনে কাজ করছেন।
উল্লেখ মেসার্স মো. জামিল ইকবাল কাল্পনিক অদৃশ্য প্রকল্প বাস্তবায়ন ও সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমানের স্বাক্ষরিত সনদ পত্র দাখিল করে বিভিন্ন টোল প্লাজার ইজারা নিতে চেষ্টা চালাচ্ছে।
এদিকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান ইঞ্জিনিয়ার নুর আজিজুর রহমানের মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি। তবে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সচিব তিনি নিশ্চিত করেন এসব কাজ ইঞ্জিনিয়ার সাহেবেরা করেন দেখা শোনার দায়িত্ব তাদের।