ঢাকা ০৭:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত চুয়াডাঙ্গায় ঘুমন্ত নারীকে কুপিয়ে হত্যা সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে ফের উত্তাল চট্টগ্রাম শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে মোটরসাইকেল চালানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ডাকসু

সাংবাদিকতার আড়ালে জাফরের চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইল বাণিজ্য

  • স্টাফ রিপোর্টার :
  • আপডেট সময় ০৮:০৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৮১৭ বার পড়া হয়েছে

ভুঁইফোড় সাংবাদিক আবু জাফর, যার কাজ হল সাংবাদিকতার আড়ালে চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন মানুষকে নারী দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা। যার আসল পরিচয় হলো আওয়ামী লীগের একজন দোসর। নাটোর জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সহ-সভাপতি এই জাফর। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পূর্বে তার কাজ ছিল বিভিন্ন ধনাঢ্য ব্যক্তিকে টার্গেট করে চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইল করা। তার নিজস্ব নারী সাপ্লাইয়ের একটি হাউস আছে গুলশানে। এখান থেকে সুন্দরী রমণীদের বিভিন্ন ধনাঢ্য ব্যক্তিদের কাছে পাঠায় আবু জাফর, পরে ওই নারীদের দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে।

 

সাংবাদিকতার আড়ালে একটি অপরাধী চক্র নিয়ে তার নিয়মিত চলাফেরা। কিছু ভুঁইফোড় সাংবাদিক দিয়ে মিথ্যা নিউজের নামে মানুষকে হয়রানি করা যাদের কাজ। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এইসব সাংবাদিক নিয়ে জাফর গুলশান বনানীর বিভিন্ন স্পা সেন্টার, বার, সিসা লাউঞ্জে গিয়ে ভয় ভীতি প্রদর্শন ও মিথ্যা নিউজ করার হুমকি দেয়, পরবর্তীতে নিজে শালিশি দরবারের মাধ্যমে চাঁদাবাজি করে একটি অংশের ভাগ পায়।

 

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল- ৩ এর কর্মকর্তা হারুনের ক্যাশিয়ার হিসেবে কাজ করে মূলত এই জাফর। হারুন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদাবাজি করতো সিলগালার ভয় দেখিয়ে। পাঁচই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নিজেকে জাতীয়তাবাদী কর্মচারী শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি পরিচয় দিয়ে গুলশান বনানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা আদায় করছে। যার সহযোগী হিসেবে কাজ করছে এই ক্যাশিয়ার জাফর। আর ঘুষ না দিলে প্রতিষ্ঠান করা হয় সিলগালা।

 

সাংবাদিকতার নামে গুলশান বনানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে মারধরের শিকার হন এই জাফর। বিভিন্ন টিভি চ্যানেল ও পত্রিকার নাম বিক্রি করে চাঁদাবাজি করতে গেলে প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা মারধর করে আটকিয়ে রাখে, পরবর্তীতে মাফ চেয়ে আর কোনোদিন চাঁদাবাজি করবে না এই মর্মে মুচলেকা দিয়ে রক্ষা পায়।

 

গুলশান বনানীর বিভিন্ন সীসা, বার, স্পা সেন্টার গুলোতে গিয়ে কখনো ডিসির পেমেন্ট, কখনো ওসির পেমেন্ট, কখনো সিটি কর্পোরেশনের নামে চাঁদাবাজি করে এই ভূইপোড় সাংবাদিক জাফর। এই ব্যাপারে গুলশানের ডিসির সাথে যোগাযোগ করলে বলেন, এই লোক প্রতারক, কোন সাংবাদিক নয়। আমার নাম বিক্রি করে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদা দাবি করছে। আমি তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছি। গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ এর সাথে যোগাযোগ করলে বলেন এই প্রতারকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সাংবাদিক আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন, কোন প্রতিষ্ঠান সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিলে আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব।

চাঁদাবাজ ও নারী ব্যবসায়ী জাফর এর বিরুদ্ধে কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায় নিউজ হয়েছে। এই ভুঁইফোড় সাংবাদিক চাঁদাবাজ ও নারী সাপ্লায়ার জাফরের বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা নিবেন বলে প্রত্যাশা করেন গুলশান বনানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি

সাংবাদিকতার আড়ালে জাফরের চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইল বাণিজ্য

আপডেট সময় ০৮:০৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ভুঁইফোড় সাংবাদিক আবু জাফর, যার কাজ হল সাংবাদিকতার আড়ালে চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন মানুষকে নারী দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা। যার আসল পরিচয় হলো আওয়ামী লীগের একজন দোসর। নাটোর জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সহ-সভাপতি এই জাফর। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পূর্বে তার কাজ ছিল বিভিন্ন ধনাঢ্য ব্যক্তিকে টার্গেট করে চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইল করা। তার নিজস্ব নারী সাপ্লাইয়ের একটি হাউস আছে গুলশানে। এখান থেকে সুন্দরী রমণীদের বিভিন্ন ধনাঢ্য ব্যক্তিদের কাছে পাঠায় আবু জাফর, পরে ওই নারীদের দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে।

 

সাংবাদিকতার আড়ালে একটি অপরাধী চক্র নিয়ে তার নিয়মিত চলাফেরা। কিছু ভুঁইফোড় সাংবাদিক দিয়ে মিথ্যা নিউজের নামে মানুষকে হয়রানি করা যাদের কাজ। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এইসব সাংবাদিক নিয়ে জাফর গুলশান বনানীর বিভিন্ন স্পা সেন্টার, বার, সিসা লাউঞ্জে গিয়ে ভয় ভীতি প্রদর্শন ও মিথ্যা নিউজ করার হুমকি দেয়, পরবর্তীতে নিজে শালিশি দরবারের মাধ্যমে চাঁদাবাজি করে একটি অংশের ভাগ পায়।

 

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল- ৩ এর কর্মকর্তা হারুনের ক্যাশিয়ার হিসেবে কাজ করে মূলত এই জাফর। হারুন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদাবাজি করতো সিলগালার ভয় দেখিয়ে। পাঁচই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নিজেকে জাতীয়তাবাদী কর্মচারী শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি পরিচয় দিয়ে গুলশান বনানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা আদায় করছে। যার সহযোগী হিসেবে কাজ করছে এই ক্যাশিয়ার জাফর। আর ঘুষ না দিলে প্রতিষ্ঠান করা হয় সিলগালা।

 

সাংবাদিকতার নামে গুলশান বনানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে মারধরের শিকার হন এই জাফর। বিভিন্ন টিভি চ্যানেল ও পত্রিকার নাম বিক্রি করে চাঁদাবাজি করতে গেলে প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা মারধর করে আটকিয়ে রাখে, পরবর্তীতে মাফ চেয়ে আর কোনোদিন চাঁদাবাজি করবে না এই মর্মে মুচলেকা দিয়ে রক্ষা পায়।

 

গুলশান বনানীর বিভিন্ন সীসা, বার, স্পা সেন্টার গুলোতে গিয়ে কখনো ডিসির পেমেন্ট, কখনো ওসির পেমেন্ট, কখনো সিটি কর্পোরেশনের নামে চাঁদাবাজি করে এই ভূইপোড় সাংবাদিক জাফর। এই ব্যাপারে গুলশানের ডিসির সাথে যোগাযোগ করলে বলেন, এই লোক প্রতারক, কোন সাংবাদিক নয়। আমার নাম বিক্রি করে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদা দাবি করছে। আমি তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছি। গুলশান থানার অফিসার ইনচার্জ এর সাথে যোগাযোগ করলে বলেন এই প্রতারকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সাংবাদিক আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন, কোন প্রতিষ্ঠান সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিলে আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব।

চাঁদাবাজ ও নারী ব্যবসায়ী জাফর এর বিরুদ্ধে কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায় নিউজ হয়েছে। এই ভুঁইফোড় সাংবাদিক চাঁদাবাজ ও নারী সাপ্লায়ার জাফরের বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা নিবেন বলে প্রত্যাশা করেন গুলশান বনানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক।