ঢাকা ০৬:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

আগামী পহেলা বৈশাখে নদ-নদীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ: রিজওয়ানা হাসান

পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আগামী পহেলা বৈশাখে দেশের নদ-নদীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।তিনি বলেন, নদ-নদীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করার ক্ষেত্রে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয় এবং সঙ্গে ভূমি মন্ত্রণালয়কেও যুক্ত করা হবে।
মঙ্গলবার দুপুরে সকালে ঢাকায় পানি ভবনের মাল্টিপারপাস হলরুমে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের নদ-নদীর সংখ্যা নির্ধারণ বিষয়ক এক অবহিতকরণ সেমিনারে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেন, মৃত নদী বলতে কোনো নদী নেই, প্রবাহহীন বলতে পারেন।প্রবাহহীন নদীকে প্রবাহমান করার অনেক প্রক্রিয়া বা রাস্তা আছে। মৃত নদী দেখিয়ে নদীর জায়গা ইজারা বা লিজ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, আমরা কিন্তু হাওরের তালিকা চূড়ান্ত করে ফেলেছি। আমরা বিলেরও একটা তালিকা চূড়ান্ত করে ফেলেছি।পরবর্তী কাজ হচ্ছে খালের তালিকা চূড়ান্ত করা।
অবহিতকরণ সেমিনারে ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকা সারা দেশের জেলা প্রশাসকদের আজকে থেকে আগামী ৩ মাসের মধ্যে জেলার সব খালের তালিকা রেকর্ড অনুযায়ী যাছাই-বাছাই করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য উপদেষ্টা নির্দেশনা দেন।
ঢাকার চারপাশে থাকা বুড়িগঙ্গা, তুরাগ এবং শীতলক্ষ্যা- এই ৩ নদীকে দখল ও দূষণমুক্ত করার একটা বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা করে কাজ শুরু করার জন্য উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
উপদেষ্টা আরও বলেন, ঢাকার ভেতরে থাকা ২১টি খাল দখল ও দূষণমুক্ত করে একটা ব্লু নেটওয়ার্ক করার পরিকল্পনা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছি এবং এটির বাস্তবায়ন কাজ দ্রুতই শুরু করা হবে। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি জেলায় ১টি করে নদীকে দখল ও দূষণমুক্ত করার কাজ আমরা অচিরেই শুরু করে দেব।
সেমিনারে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে নৌপরিবহণ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন,
বাংলাদেশ নদীবিধৌত দেশ। এ দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নদ-নদীর ওপর নির্ভরশীল। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য উন্নয়নের নামে নদ-নদী খালবিল দখল করা হয়েছে। নদীকে বাঁচাতে হলে দূষণ ও অবৈধ দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করতে হবে। নদী বাঁচানোর এখনই উপযুক্ত সময়। অন্য সময় করতে হলে স্বার্থের সংঘাত শুরু হবে।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমুল আহসানের সভাপতিত্বে সেমিনারে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিবসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মুহাম্মদ আমিরুল হক ভূঞাসহ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকরা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

আগামী পহেলা বৈশাখে নদ-নদীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ: রিজওয়ানা হাসান

আপডেট সময় ০৮:৩৫:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪
পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আগামী পহেলা বৈশাখে দেশের নদ-নদীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।তিনি বলেন, নদ-নদীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করার ক্ষেত্রে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয় এবং সঙ্গে ভূমি মন্ত্রণালয়কেও যুক্ত করা হবে।
মঙ্গলবার দুপুরে সকালে ঢাকায় পানি ভবনের মাল্টিপারপাস হলরুমে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের নদ-নদীর সংখ্যা নির্ধারণ বিষয়ক এক অবহিতকরণ সেমিনারে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেন, মৃত নদী বলতে কোনো নদী নেই, প্রবাহহীন বলতে পারেন।প্রবাহহীন নদীকে প্রবাহমান করার অনেক প্রক্রিয়া বা রাস্তা আছে। মৃত নদী দেখিয়ে নদীর জায়গা ইজারা বা লিজ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, আমরা কিন্তু হাওরের তালিকা চূড়ান্ত করে ফেলেছি। আমরা বিলেরও একটা তালিকা চূড়ান্ত করে ফেলেছি।পরবর্তী কাজ হচ্ছে খালের তালিকা চূড়ান্ত করা।
অবহিতকরণ সেমিনারে ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকা সারা দেশের জেলা প্রশাসকদের আজকে থেকে আগামী ৩ মাসের মধ্যে জেলার সব খালের তালিকা রেকর্ড অনুযায়ী যাছাই-বাছাই করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য উপদেষ্টা নির্দেশনা দেন।
ঢাকার চারপাশে থাকা বুড়িগঙ্গা, তুরাগ এবং শীতলক্ষ্যা- এই ৩ নদীকে দখল ও দূষণমুক্ত করার একটা বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা করে কাজ শুরু করার জন্য উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
উপদেষ্টা আরও বলেন, ঢাকার ভেতরে থাকা ২১টি খাল দখল ও দূষণমুক্ত করে একটা ব্লু নেটওয়ার্ক করার পরিকল্পনা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছি এবং এটির বাস্তবায়ন কাজ দ্রুতই শুরু করা হবে। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি জেলায় ১টি করে নদীকে দখল ও দূষণমুক্ত করার কাজ আমরা অচিরেই শুরু করে দেব।
সেমিনারে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে নৌপরিবহণ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন,
বাংলাদেশ নদীবিধৌত দেশ। এ দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নদ-নদীর ওপর নির্ভরশীল। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য উন্নয়নের নামে নদ-নদী খালবিল দখল করা হয়েছে। নদীকে বাঁচাতে হলে দূষণ ও অবৈধ দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করতে হবে। নদী বাঁচানোর এখনই উপযুক্ত সময়। অন্য সময় করতে হলে স্বার্থের সংঘাত শুরু হবে।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমুল আহসানের সভাপতিত্বে সেমিনারে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিবসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মুহাম্মদ আমিরুল হক ভূঞাসহ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকরা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।