সংবাদ শিরোনাম ::
অডিটের নামে অর্থ আদায়ের প্রতারণা, করদাতাদের সতর্ক করল এনবিআর থানায় অভিযোগের পরও প্রতিকার না পেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্যাংক কর্মকর্তার আবেদন কমার্স ব্যাংকে আতাউরের পারিবারিক সিন্ডিকেটের অভিযোগ আওয়ামী দোসর নবীরুলকে ঘিরে সমবায় অধিদপ্তরে দুর্নীতি ঘুষ ও সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ ডিএনসিসির সিসিটিভি ও এআই নেটওয়ার্ক এখনও সাবেক প্রশাসক এজাজের নিয়ন্ত্রণে! রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিলল একাধিক গোপন পথ হামে মেয়ের মৃত্যু, ড. ইউনূসসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন বিদেশি মাকড়সা কিংবা সাপ কেন আনা হচ্ছে বাংলাদেশে? এবার আনিস আলমগীর, সোমা ও পিয়াসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে জিডি বরগুনায় হোমিওপ্যাথি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ইন্টার্ন  চিকিৎসকদের সনদ বিতরন ও বিদায় সংবর্ধনা

চোরাচালানের চাঁদা পেলে দাঁড়িয়ে প্রটোকল দেন বিজিবি সদস্য

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা ২নং পশ্চিম জাফলং সীমান্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে, দাপটের সঙ্গে বদরুল আহমদ ভারত বাংলাদেশ চোরাচালান ব্যবসা করছে,এবং ভারত বাংলাদেশ চোরাচালান ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিজিবির লাইনম্যান পরিচয় দানকারী বদরুল আহমদ, বিজিবির নাম ভাঙ্গিয়ে প্রতিদিন চাঁদা আদায় করছেন।

ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের নিরাপদ পয়েন্ট গুলো থেকে। যে-সব পয়েন্ট গুলো থেকে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে উপজেলার সোনারহাট মাতুরতল বাজার রাস্তা,পান্তুমাই, বাবুর কোনা, হাজিপুর, প্রতাপপুর, লামাপুঞ্জি, নস্কিয়া পুঞ্জি, মন্দির ঘাট, পুরাতন সংগ্রামপুঞ্জি, লন্ডনী বাজার, কাটারির খাল, এসব এলাকা দিয়ে সন্ধা থেকে শুরু করে সারা-রাত উপরোক্ত এলাকার সমূহ দিয়ে দেদারছে ভারত হতে বাংলাদেশে আসছে ভারতীয় কালো কালো মহিষ ও গরুসহ বিভিন্ন ব্রান্ডের পণ্য৷

সেই সাথে রয়েছে ভারতীয়, চা পাতা, কসমেটিক, শাড়ি, থ্রিপিস, লেহেঙ্গা,মদ, ইয়াবা,ফেনসিডিল সহ বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী ৷

তবে এসব পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশের পর বিজিবির কথিত নামধারী লাইনম্যান বদরুল আহমদ চক্র এই চক্রটিকে সহযোগিতা করছে। উপজেলার পশ্চিম জাফলংয়ের বদরুল, সেকেন্ড ইন কমান্ড বদরুল,সর্বদাই বিজিবির সাথে লিয়াজু রক্ষা করে বলছেন স্থানীয়রা।

বিনিময়ে ভারত বাংলাদেশ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেন লক্ষ লক্ষ টাকা বৈধতা দিচ্ছে অবৈধ চোরাচালান ব্যবসার৷
তাদের নিরাপদ রাস্তা, কাটারিখাল চা বাগান এলাকা হয়ে নৌপথে নৌকা বোঝাই দিয়ে রাতের আধারে নেওয়া,ও রাধানগর বাজার হয়ে ওপেন গরু মহিষ, ভারতীয় চিনি, চা পাতা, কসমেটিক, শাড়ি, থ্রিপিস, লেহেঙ্গা, মোবাইল ফোন, মদ ,ইয়াবা, ফেনসিডিল, সহ বিভিন্ন পণ্য,যাচ্ছে কৌশল অবলম্বন করে এক এক সময় একেক রাস্তা ব্যবহার করে থাকেন।

সীমান্তে চোরাচালন সংশ্লিষ্টদের দাবী তারা বিভিন্ন লাইন দিয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আসছে গরু মহিষ৷ ভারতীয় চিনি, চা পাতা, মোবাইল ফোন, কসমেটিক, শাড়ি, থ্রিপিস, লেহেঙ্গা, মদ, ইয়াবা, নাছির উদ্দিন, বিড়ি টেন্ডুল পাতা,যার বদৌলতে ভারত বাংলাদেশ ব্যবসায় সহযোগিতা কারীদের দিতে হয় মোটা অংকের টাকা কারণ কেউ তাদেরকে ধরার সুযোগ নেই ৷

কেউ বাধা দেওয়ার সাহস করলে তাকে হুমকি ধামকি মারপিট করা হয়৷বিজিবির নিরব ভূমিকা থাকায় ব্যবসায়ীরা অনায়াসে ব্যবসা করতে পারছে বলে সচেতন মহলের ধারণা। গোয়াইনঘাটবাসীর দাবি খুব দ্রুত এসব চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করবেন প্রশাসন।
বাংলাদেশ সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।

সত্যতা জানতে বদরুল আহমেদ এর মোটো ফোনে ফোন দিলে স্বীকার করে বলেন ‌সীমান্তে বিজিবির লাইনম্যান এর দায়িত্ব পালন করতেছি বদরুল আহমদ আরও বলেন আমি বিজিবির কথার বাহিরে কিছু করিনা তবে আপনারা সাংবাদিক নিউজ করতে পারেন করেন সমস্যা নেই। এবিষয়ে সোনারহাট ক্যাম্প কমান্ডারের মোঠুফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ,বদরুল এর কথা বলতে বলেন এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না এই বলে মুঠোফোনে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অডিটের নামে অর্থ আদায়ের প্রতারণা, করদাতাদের সতর্ক করল এনবিআর

চোরাচালানের চাঁদা পেলে দাঁড়িয়ে প্রটোকল দেন বিজিবি সদস্য

আপডেট সময় ০৪:৪৪:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০২৪

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা ২নং পশ্চিম জাফলং সীমান্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে, দাপটের সঙ্গে বদরুল আহমদ ভারত বাংলাদেশ চোরাচালান ব্যবসা করছে,এবং ভারত বাংলাদেশ চোরাচালান ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিজিবির লাইনম্যান পরিচয় দানকারী বদরুল আহমদ, বিজিবির নাম ভাঙ্গিয়ে প্রতিদিন চাঁদা আদায় করছেন।

ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের নিরাপদ পয়েন্ট গুলো থেকে। যে-সব পয়েন্ট গুলো থেকে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে উপজেলার সোনারহাট মাতুরতল বাজার রাস্তা,পান্তুমাই, বাবুর কোনা, হাজিপুর, প্রতাপপুর, লামাপুঞ্জি, নস্কিয়া পুঞ্জি, মন্দির ঘাট, পুরাতন সংগ্রামপুঞ্জি, লন্ডনী বাজার, কাটারির খাল, এসব এলাকা দিয়ে সন্ধা থেকে শুরু করে সারা-রাত উপরোক্ত এলাকার সমূহ দিয়ে দেদারছে ভারত হতে বাংলাদেশে আসছে ভারতীয় কালো কালো মহিষ ও গরুসহ বিভিন্ন ব্রান্ডের পণ্য৷

সেই সাথে রয়েছে ভারতীয়, চা পাতা, কসমেটিক, শাড়ি, থ্রিপিস, লেহেঙ্গা,মদ, ইয়াবা,ফেনসিডিল সহ বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী ৷

তবে এসব পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশের পর বিজিবির কথিত নামধারী লাইনম্যান বদরুল আহমদ চক্র এই চক্রটিকে সহযোগিতা করছে। উপজেলার পশ্চিম জাফলংয়ের বদরুল, সেকেন্ড ইন কমান্ড বদরুল,সর্বদাই বিজিবির সাথে লিয়াজু রক্ষা করে বলছেন স্থানীয়রা।

বিনিময়ে ভারত বাংলাদেশ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেন লক্ষ লক্ষ টাকা বৈধতা দিচ্ছে অবৈধ চোরাচালান ব্যবসার৷
তাদের নিরাপদ রাস্তা, কাটারিখাল চা বাগান এলাকা হয়ে নৌপথে নৌকা বোঝাই দিয়ে রাতের আধারে নেওয়া,ও রাধানগর বাজার হয়ে ওপেন গরু মহিষ, ভারতীয় চিনি, চা পাতা, কসমেটিক, শাড়ি, থ্রিপিস, লেহেঙ্গা, মোবাইল ফোন, মদ ,ইয়াবা, ফেনসিডিল, সহ বিভিন্ন পণ্য,যাচ্ছে কৌশল অবলম্বন করে এক এক সময় একেক রাস্তা ব্যবহার করে থাকেন।

সীমান্তে চোরাচালন সংশ্লিষ্টদের দাবী তারা বিভিন্ন লাইন দিয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আসছে গরু মহিষ৷ ভারতীয় চিনি, চা পাতা, মোবাইল ফোন, কসমেটিক, শাড়ি, থ্রিপিস, লেহেঙ্গা, মদ, ইয়াবা, নাছির উদ্দিন, বিড়ি টেন্ডুল পাতা,যার বদৌলতে ভারত বাংলাদেশ ব্যবসায় সহযোগিতা কারীদের দিতে হয় মোটা অংকের টাকা কারণ কেউ তাদেরকে ধরার সুযোগ নেই ৷

কেউ বাধা দেওয়ার সাহস করলে তাকে হুমকি ধামকি মারপিট করা হয়৷বিজিবির নিরব ভূমিকা থাকায় ব্যবসায়ীরা অনায়াসে ব্যবসা করতে পারছে বলে সচেতন মহলের ধারণা। গোয়াইনঘাটবাসীর দাবি খুব দ্রুত এসব চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করবেন প্রশাসন।
বাংলাদেশ সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।

সত্যতা জানতে বদরুল আহমেদ এর মোটো ফোনে ফোন দিলে স্বীকার করে বলেন ‌সীমান্তে বিজিবির লাইনম্যান এর দায়িত্ব পালন করতেছি বদরুল আহমদ আরও বলেন আমি বিজিবির কথার বাহিরে কিছু করিনা তবে আপনারা সাংবাদিক নিউজ করতে পারেন করেন সমস্যা নেই। এবিষয়ে সোনারহাট ক্যাম্প কমান্ডারের মোঠুফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ,বদরুল এর কথা বলতে বলেন এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না এই বলে মুঠোফোনে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।