ঢাকা ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

চট্টগ্রামে নবীর প্রেমে লাখো মানুষের ঢল নেমেছে

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) জন্মদিনের উপলক্ষে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী জশনে জুলুস। সোমবার সকাল ১০টায় ষোলশহরের জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা সংলগ্ন আলমগীর খানকাহ থেকে জুলুস শুরু হয়। জুলুসে নেতৃত্ব দিয়েছেন দরবারে আলীয়া কাদেরিয়া ছিরিকোট শরীফের সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ সাবির শাহ। নবী প্রেমিদের এই জুলুস নগরীর বিবিরহাট, মুরাদপুর, ষোলশহর, দুই নম্বর গেট, জিইসি মোড় হয়ে পুনরায় একই রুটে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলীয়া ময়দানে গিয়ে মিলিত হয়। পরবর্তীতে জামেয়া মাদ্রাসা মাঠে সম্মিলিত মোনাজাতের মধ্য দিয়ে জুলুসের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। জুলুস চলাকালীন সময় হামদ, নাত, তাকবির, দরুদ শরিফ ও জিকিরে মুখরিত ছিল নগরীর সড়কগুলো। শিশু থেকে বৃদ্ধ নানান বয়সী নবী প্রেমী মুসল্লীরা পায়ে হেঁটে, মোটরসাইকেলে, ট্রাক পিকআপে অংশ নেন জুলুসে।জুলুসের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিপুল পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবকরা দ্বায়িত পালন করেছেন। কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার জানান= আনজুমান সিকিউরিটি ফোর্সের (এএসএফ) ৩০০ প্রশিক্ষিত সদস্য এবার জুলুসের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করছেন। এর বাইরে গাউসিয়া কমিটির কর্মী ও জামেয়ার হাজার হাজার ছাত্র স্বেচ্ছাসেবকরা কাজ করছেন।জশনে জুলুসের আয়োজক প্রতিষ্ঠান আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের তথ্য অনুযায়ী, আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ তৈয়ব শাহের নির্দেশনায় ১৯৭৪ সালে শুরু হওয়া এই জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) এখন চট্টগ্রামের ঐতিহ্যে রূপ নিয়েছে। ঈদে মিলাদুন্নবীর জুলুসে এত বিশাল জমায়েত আর কোথাও হয় না বলে জানিয়েছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

চট্টগ্রামে নবীর প্রেমে লাখো মানুষের ঢল নেমেছে

আপডেট সময় ০৬:৫৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) জন্মদিনের উপলক্ষে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী জশনে জুলুস। সোমবার সকাল ১০টায় ষোলশহরের জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা সংলগ্ন আলমগীর খানকাহ থেকে জুলুস শুরু হয়। জুলুসে নেতৃত্ব দিয়েছেন দরবারে আলীয়া কাদেরিয়া ছিরিকোট শরীফের সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ সাবির শাহ। নবী প্রেমিদের এই জুলুস নগরীর বিবিরহাট, মুরাদপুর, ষোলশহর, দুই নম্বর গেট, জিইসি মোড় হয়ে পুনরায় একই রুটে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলীয়া ময়দানে গিয়ে মিলিত হয়। পরবর্তীতে জামেয়া মাদ্রাসা মাঠে সম্মিলিত মোনাজাতের মধ্য দিয়ে জুলুসের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। জুলুস চলাকালীন সময় হামদ, নাত, তাকবির, দরুদ শরিফ ও জিকিরে মুখরিত ছিল নগরীর সড়কগুলো। শিশু থেকে বৃদ্ধ নানান বয়সী নবী প্রেমী মুসল্লীরা পায়ে হেঁটে, মোটরসাইকেলে, ট্রাক পিকআপে অংশ নেন জুলুসে।জুলুসের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিপুল পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবকরা দ্বায়িত পালন করেছেন। কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার জানান= আনজুমান সিকিউরিটি ফোর্সের (এএসএফ) ৩০০ প্রশিক্ষিত সদস্য এবার জুলুসের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করছেন। এর বাইরে গাউসিয়া কমিটির কর্মী ও জামেয়ার হাজার হাজার ছাত্র স্বেচ্ছাসেবকরা কাজ করছেন।জশনে জুলুসের আয়োজক প্রতিষ্ঠান আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের তথ্য অনুযায়ী, আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ তৈয়ব শাহের নির্দেশনায় ১৯৭৪ সালে শুরু হওয়া এই জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) এখন চট্টগ্রামের ঐতিহ্যে রূপ নিয়েছে। ঈদে মিলাদুন্নবীর জুলুসে এত বিশাল জমায়েত আর কোথাও হয় না বলে জানিয়েছেন।