ঢাকা ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর আর্জি জানিয়েছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তত্ত্বাবধানে আদালত শেখ হাসিনাকে ফাঁসির শাস্তি দিয়েছে। মহম্মদ ইউনূসের সরকার ভারতের কাছে আবেদন করেছে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য।

বাংলাদেশের পরোক্ষ সেনা অভ্যুত্থানের জন্য শেখ হাসিনাকে দেশ ছাড়তে রীতিমতো বাধ্য হতে হয়। তারপর বাংলাদেশ ছেড়ে প্রথমে আগরতলা তারপর রাজধানী দিল্লিতে পৌঁছান শেখ হাসিনা। ব্রিটেনের কাছ থেকে রাজনৈতিক স্মরণ পাননি, তবে সঙ্গে সঙ্গে আমেরিকা শেখ হাসিনার ভিসা বাতিল করে। আমেরিকার অক্ষতে থাকা দেশগুলো হাসিনাকে গ্রহণ করবে না তা বোঝাই যাচ্ছে। তবে আমেরিকার বিপরীতে অবস্থানকারী রাশিয়া শেখ হাসিনার বিপক্ষে যায়নি। ভ্লাদিমির পুতিন এখনও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কোনো রকম বিবৃতি দেননি।

শেখ হাসিনা ভারতে ভালোই আছেন। তাঁকে সেই সুরক্ষা ভারত সরকার তাঁকে দেবে। রাজনৈতিক স্মরণ হোক, আতিথেয়তা হোক আর যাই হোক ভারত কোনোভাবেই শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেবে না। ভারতে অতিথি হিসেবে আছেন শেখ হাসিনা। আর ভারতীয় সংস্কৃতি অনুযায়ী অতিথি স্বয়ং নারায়ণ। ভারতীয়রাও শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে পাঠানোর পক্ষে নেই এটা বাংলাদেশের জানা দরকার।

আমেরিকা ভারতের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু দক্ষিণ- পূর্ব এশিয়াতে ভারতের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া আমেরিকার পক্ষে এতটাও সহজ নয় উপরন্তু সুরক্ষিত‌ও নয়। দক্ষিণ- পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম শক্তিশালী ও প্রভাবশালী দেশ ভারতের বিরোধিতা করা আমেরিকার স্বার্থবিরোধী। এখানে আমেরিকাকেও ঢোঁক গিলতে হবে। তাই হয়ত বেসুরো যুক্তরাষ্ট্র ভারতের সুরেই হিন্দু ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার জন্য ইউনূস সরকারের কাছে আর্জি জানিয়েছে।

ভারতে শেখ হাসিনা রয়েছেন এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে ভারত সরকার শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেবে না এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

শুরু থেকেই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস যেভাবে ভারতকে হুমকি দিচ্ছে তাতে বাংলাদেশের মহম্মদ যে মালদ্বীপের মহম্মদ হয়ে যাবে না তার বিশেষ গ্যারান্টি দিতে পারছি না। কিন্তু মালদ্বীপের মহম্মদ ছিলেন নির্বাচিত বৈধ সরকারের প্রধান। আর বাংলাদেশের মহম্মদ তা নন। কী হতে পারে কে জানে?

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর আর্জি জানিয়েছে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ১১:৫৮:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৪

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তত্ত্বাবধানে আদালত শেখ হাসিনাকে ফাঁসির শাস্তি দিয়েছে। মহম্মদ ইউনূসের সরকার ভারতের কাছে আবেদন করেছে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য।

বাংলাদেশের পরোক্ষ সেনা অভ্যুত্থানের জন্য শেখ হাসিনাকে দেশ ছাড়তে রীতিমতো বাধ্য হতে হয়। তারপর বাংলাদেশ ছেড়ে প্রথমে আগরতলা তারপর রাজধানী দিল্লিতে পৌঁছান শেখ হাসিনা। ব্রিটেনের কাছ থেকে রাজনৈতিক স্মরণ পাননি, তবে সঙ্গে সঙ্গে আমেরিকা শেখ হাসিনার ভিসা বাতিল করে। আমেরিকার অক্ষতে থাকা দেশগুলো হাসিনাকে গ্রহণ করবে না তা বোঝাই যাচ্ছে। তবে আমেরিকার বিপরীতে অবস্থানকারী রাশিয়া শেখ হাসিনার বিপক্ষে যায়নি। ভ্লাদিমির পুতিন এখনও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কোনো রকম বিবৃতি দেননি।

শেখ হাসিনা ভারতে ভালোই আছেন। তাঁকে সেই সুরক্ষা ভারত সরকার তাঁকে দেবে। রাজনৈতিক স্মরণ হোক, আতিথেয়তা হোক আর যাই হোক ভারত কোনোভাবেই শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেবে না। ভারতে অতিথি হিসেবে আছেন শেখ হাসিনা। আর ভারতীয় সংস্কৃতি অনুযায়ী অতিথি স্বয়ং নারায়ণ। ভারতীয়রাও শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে পাঠানোর পক্ষে নেই এটা বাংলাদেশের জানা দরকার।

আমেরিকা ভারতের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু দক্ষিণ- পূর্ব এশিয়াতে ভারতের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া আমেরিকার পক্ষে এতটাও সহজ নয় উপরন্তু সুরক্ষিত‌ও নয়। দক্ষিণ- পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম শক্তিশালী ও প্রভাবশালী দেশ ভারতের বিরোধিতা করা আমেরিকার স্বার্থবিরোধী। এখানে আমেরিকাকেও ঢোঁক গিলতে হবে। তাই হয়ত বেসুরো যুক্তরাষ্ট্র ভারতের সুরেই হিন্দু ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার জন্য ইউনূস সরকারের কাছে আর্জি জানিয়েছে।

ভারতে শেখ হাসিনা রয়েছেন এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে ভারত সরকার শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেবে না এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

শুরু থেকেই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস যেভাবে ভারতকে হুমকি দিচ্ছে তাতে বাংলাদেশের মহম্মদ যে মালদ্বীপের মহম্মদ হয়ে যাবে না তার বিশেষ গ্যারান্টি দিতে পারছি না। কিন্তু মালদ্বীপের মহম্মদ ছিলেন নির্বাচিত বৈধ সরকারের প্রধান। আর বাংলাদেশের মহম্মদ তা নন। কী হতে পারে কে জানে?