ঢাকা ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

এস.আলমের ব্যাংকের ৪০০ কোটি দিলীপ আগারওয়ালের পকেটে

কেঁচো খুঁড়তেই রীতিমত সাপ বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। বিচি দিলীপের কত যে কীর্তি তার যেনো ইয়ত্তা নেই। লুটেরা লুটেরাদের মধ্যে পীড়িতির কমতি নেই। এস আলমের ভাই লাবুর মাধ্যমে দিলীপ ৪০০ কোটি টাকা লোন নিয়ে হজম করলেও টু শব্দটি পর্যন্ত উঠেনি। ডায়মন্ড বাবু ওই টাকার মধ্যে গুলশানে আকাশ টাওয়ারে ১২০ কোটি টাকায় ৭টি ফ্লোর আর ৭০ কোটি টাকায় শান্তা টাওয়ারে ২টি ফ্লোর কিনেছে।
রাতারাতি এতো যে শত শত কোটি টাকার লেনদেন হচ্ছে সেসবের উৎস খুঁজে দেখার যেন কেউ নেই। দুদক, এনবিআর, আয়কর গোয়েন্দা বিভাগ থেকে শুরু করে সরকারের রং বেরঙের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে কোনো খবর নেই? আমাদের মত ছাপোষা সাংবাদিকরা যদি এসব তথ্য পেয়ে যাই তাহলে সরকারি সংস্থাগুলো থাকে কোথায়??
দিলীপ ভারতে পান্না ডায়মন্ড নামে ৫ টি শোরুম কিভাবে করল? টাকা পাঠালো কিভাবে? অস্ট্রেলিয়ায় শোরুম করল কিভাবে? বাংলাদেশ ফাইনেশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কী করছে? দুদক কী করছে? দুদক এসব খতিয়ে দেখা ছাড়াই আগেভাগে কিভাবে তার অনুসন্ধান নথিভুক্ত করল? ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড এর ওয়েব সাইটে সব তথ্য দেয়া আছে। কিন্তু দুদক ও বিএফআইইউ পায় না কেন?

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

এস.আলমের ব্যাংকের ৪০০ কোটি দিলীপ আগারওয়ালের পকেটে

আপডেট সময় ০৫:১৭:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৪

কেঁচো খুঁড়তেই রীতিমত সাপ বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। বিচি দিলীপের কত যে কীর্তি তার যেনো ইয়ত্তা নেই। লুটেরা লুটেরাদের মধ্যে পীড়িতির কমতি নেই। এস আলমের ভাই লাবুর মাধ্যমে দিলীপ ৪০০ কোটি টাকা লোন নিয়ে হজম করলেও টু শব্দটি পর্যন্ত উঠেনি। ডায়মন্ড বাবু ওই টাকার মধ্যে গুলশানে আকাশ টাওয়ারে ১২০ কোটি টাকায় ৭টি ফ্লোর আর ৭০ কোটি টাকায় শান্তা টাওয়ারে ২টি ফ্লোর কিনেছে।
রাতারাতি এতো যে শত শত কোটি টাকার লেনদেন হচ্ছে সেসবের উৎস খুঁজে দেখার যেন কেউ নেই। দুদক, এনবিআর, আয়কর গোয়েন্দা বিভাগ থেকে শুরু করে সরকারের রং বেরঙের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে কোনো খবর নেই? আমাদের মত ছাপোষা সাংবাদিকরা যদি এসব তথ্য পেয়ে যাই তাহলে সরকারি সংস্থাগুলো থাকে কোথায়??
দিলীপ ভারতে পান্না ডায়মন্ড নামে ৫ টি শোরুম কিভাবে করল? টাকা পাঠালো কিভাবে? অস্ট্রেলিয়ায় শোরুম করল কিভাবে? বাংলাদেশ ফাইনেশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কী করছে? দুদক কী করছে? দুদক এসব খতিয়ে দেখা ছাড়াই আগেভাগে কিভাবে তার অনুসন্ধান নথিভুক্ত করল? ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড এর ওয়েব সাইটে সব তথ্য দেয়া আছে। কিন্তু দুদক ও বিএফআইইউ পায় না কেন?