ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারি কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা পেতে ভোগান্তি, ৯ টায় অফিস উপস্থিত ১২ টায় নিজস্ব কারখানা অচল, ঠিকাদার-নির্ভর আসবাব কেনে গণপূর্ত ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী পরীক্ষা ছাড়া নিয়োগ পাওয়া সেই ১৪৩ কর্মী এবার তদন্তের মুখে মো. আলমগীর কবীরকে ঘিরে নৌনিরাপত্তা বিভাগে অনিয়মের অভিযোগ বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি জনশক্তি নি‌তে ব্রুনাইকে অনু‌রোধ ছাত্রদলের নতুন কমিটি যেকোনো সময়, শীর্ষ পদে আলোচনায় যাদের নাম পবিপ্রবিতে জিএসটি গুচ্ছে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত লামায় ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসলে ও বালু উত্তোলন বন্ধ হবে না: কক্সবাজার শ্রমিকদলের সহ-সভাপতি মোস্তাক আহমেদ

শিশুকন্যাকে বাঁচাতে পারলেও চোখের সামনে মারা গেছেন স্ত্রী

মাইক্রোবাসের কাচ ভেঙে শিশুকন্যা সাফরিনসহ বের হন মালয়েশিয়া প্রবাসী সোহেল খান। পরে সাত মাসের শিশুকে কচুরিপানার ওপর ফেলে রেখে বোন সুরমা আক্তার, শ্যালিকা সুইটি ও ভাইয়ের স্ত্রী বিষা আক্তারকে উদ্ধার করেন তিনি; কিন্তু জীবনসঙ্গী রাইতি খানকে উদ্ধার করতে পারেনি।

নদীতে তলিয়ে যাওয়া মাইক্রোবাস থেকে নয় লাশের মধ্যে ছিলেন তার স্ত্রী রাইতি খানকে উদ্ধার করা হয়।

সোহেল খান বলেন, শিশুকন্যা সাফরিনসহ চারজনকে উদ্ধার করলেও আমার স্ত্রীকে উদ্ধার করতে পারিনি। আমি এখন কাকে নিয়ে বাঁচব। আমার শিশু কন্যাকে নিয়ে আমি এখন কোথায় যাব? এমন বিলাপ করছে কান্না করছিলেন শিশু কন্যা সাফরিনের বাবা সোহেল খান।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, আমার আর কিছুই রইল না। এই নিষ্পাপ শিশুকন্যাকে কি বুঝ দেব? এমন মৃত্যু যেন আর কাউকে আল্লাহ না দেন। তবে তিনি তদন্তপূর্বক ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা পেতে ভোগান্তি, ৯ টায় অফিস উপস্থিত ১২ টায়

শিশুকন্যাকে বাঁচাতে পারলেও চোখের সামনে মারা গেছেন স্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪

মাইক্রোবাসের কাচ ভেঙে শিশুকন্যা সাফরিনসহ বের হন মালয়েশিয়া প্রবাসী সোহেল খান। পরে সাত মাসের শিশুকে কচুরিপানার ওপর ফেলে রেখে বোন সুরমা আক্তার, শ্যালিকা সুইটি ও ভাইয়ের স্ত্রী বিষা আক্তারকে উদ্ধার করেন তিনি; কিন্তু জীবনসঙ্গী রাইতি খানকে উদ্ধার করতে পারেনি।

নদীতে তলিয়ে যাওয়া মাইক্রোবাস থেকে নয় লাশের মধ্যে ছিলেন তার স্ত্রী রাইতি খানকে উদ্ধার করা হয়।

সোহেল খান বলেন, শিশুকন্যা সাফরিনসহ চারজনকে উদ্ধার করলেও আমার স্ত্রীকে উদ্ধার করতে পারিনি। আমি এখন কাকে নিয়ে বাঁচব। আমার শিশু কন্যাকে নিয়ে আমি এখন কোথায় যাব? এমন বিলাপ করছে কান্না করছিলেন শিশু কন্যা সাফরিনের বাবা সোহেল খান।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, আমার আর কিছুই রইল না। এই নিষ্পাপ শিশুকন্যাকে কি বুঝ দেব? এমন মৃত্যু যেন আর কাউকে আল্লাহ না দেন। তবে তিনি তদন্তপূর্বক ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।