উঠেনি কুরবানির পশুর হাট। উপজেলার ছোট-বড় এবং স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে রয়েছে ৩৩টি কুরবানি পশুর হাট। এসব হাটে শত শত গরু উঠলেও বিক্রি হচ্ছে একেবারে কম।
এদিকে উপজেলার পুরকায়স্থ বাজারে অবস্থিত কুরবানি পশুর হাটে ‘সওদাগর’ নামে একটি বিশালাকার ষাঁড়ের দাম চাওয়া হয়েছে ৭ লাখ টাকা!
বুধবার বিকালে উপজেলার পুরকায়স্থ বাজারে অবস্থিত কুরবানি পশুর হাট সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে রয়েছে শত শত ছোট-বড় গরু। এসব গরু দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন লোকজন। লোকজনদের ভিড় থাকলেও একেবারেই বিক্রি কম হচ্ছে।
এ নিয়ে হতাশ খোদ ইজারাদার সেলুম উদ্দিন। তিনি যুগান্তরকে বলেন, বাজারে শত শত গরু উঠলেও বিক্রি হচ্ছে একেবারে কম। তবে ঈদের আগ-মুহূর্তে ব্যবসা জমে উঠবে বলে আশাবাদী ইজারাদার সেলিম আহমদ।
এদিকে বাজারে অন্যান্য গরুর সঙ্গে উঠেছে বিশাল একটি ষাঁড়। ‘সওদাগর’ নামে এ ষাঁড়ের মূল্য চাওয়া হচ্ছে ৭ লাখ টাকা!
গরুর মালিক কুনু মিয়া বলেন, এ গরুটির নাম দিয়েছি সওদাগর। দাম ৭ লাখ টাকা। ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম উঠলেও বিক্রি করেননি তিনি। গরুটি ১২ মণ ওজনের বলে জানান তিনি।
আমাদের মার্তৃভূমি ডেস্ক : 



















