ঢাকা ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণ মামলায় ইউপি চেয়ারম্যানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ঝিনাইদহের বহুল আলোচিত সদর উপজেলার হরিশংপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদকে ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ৫ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে তাকে।

মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহের নারী-শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার অপর আসামি গাড়িচালক (ফরিদের) মো. নজরুল ইসলামকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মো. বজলুর রহমান।

খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদ উপজেলার নরহরিদ্রা গ্রামের মৃত খন্দকার আমিরুজ্জামানের ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৫ এপ্রিল বিকালে ভিকটিম স্বামীর বিরোধ মীমাংসার জন্য নরহরিদ্রা গ্রামের চেয়ারম্যান ফরিদের বাড়িতে যান। ওই সময় ফাঁকা বাড়িতে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ওই নারীকে জোরপূর্বক চেয়ারম্যান (ফরিদ) ধর্ষণ করেন। পরদিন ভুক্তভোগী নারী ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি হন।

এ ঘটনায় ২০২২ সালের ১৯ এপ্রিল ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন ওই নারী। এ থেকে বাঁচতে মামলার বাদী ওই নারীকে বিয়ে করে একই টেবিলে বসে তালাকও দেন ফরিদ।

আলোচিত এ মামলায় অধিকতর তদন্তের জন্য ডিএনএ টেস্ট করার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। ডিএনএ টেস্টে ফেঁসে যান ফরিদ।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মো. বজলুর রহমান বলেন, সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বিচারক।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ষণ মামলায় ইউপি চেয়ারম্যানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় ১১:৫৩:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪

ঝিনাইদহের বহুল আলোচিত সদর উপজেলার হরিশংপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদকে ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ৫ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে তাকে।

মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহের নারী-শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার অপর আসামি গাড়িচালক (ফরিদের) মো. নজরুল ইসলামকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মো. বজলুর রহমান।

খন্দকার ফারুকুজ্জামান ফরিদ উপজেলার নরহরিদ্রা গ্রামের মৃত খন্দকার আমিরুজ্জামানের ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৫ এপ্রিল বিকালে ভিকটিম স্বামীর বিরোধ মীমাংসার জন্য নরহরিদ্রা গ্রামের চেয়ারম্যান ফরিদের বাড়িতে যান। ওই সময় ফাঁকা বাড়িতে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ওই নারীকে জোরপূর্বক চেয়ারম্যান (ফরিদ) ধর্ষণ করেন। পরদিন ভুক্তভোগী নারী ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি হন।

এ ঘটনায় ২০২২ সালের ১৯ এপ্রিল ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন ওই নারী। এ থেকে বাঁচতে মামলার বাদী ওই নারীকে বিয়ে করে একই টেবিলে বসে তালাকও দেন ফরিদ।

আলোচিত এ মামলায় অধিকতর তদন্তের জন্য ডিএনএ টেস্ট করার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। ডিএনএ টেস্টে ফেঁসে যান ফরিদ।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মো. বজলুর রহমান বলেন, সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বিচারক।