মুগদা থানা আওতাধীন মানিকনগরে বালুর মাঠে এখন জুয়ারির আস্থানা।পুরো মানিকনগরে জুয়ার আসরে নেতৃত্ব দিচ্ছে নূর ইসলাম। কে এই নুর ইসলাম অনুসন্ধানে নামেন পাওয়ার সেল টিম অত্যন্ত দরিদ্র ঘরের সন্তান ছিলেন নূর ইসলাম তিন ভাই এক বোন সবার বড় এই নুর ইসলাম ব্যক্তিগত জীবনে দুই বিয়ে প্রথম ঘরে এক ছেলে এক মেয়ে প্রথম স্ত্রী বিদেশে থাকে ।
সে দ্বিতীয় বিয়ে করেন তিন সন্তানের জননী দ্বিতীয় বউ নিয়ে এখনকার সংসার। নূর ইসলামের টাকার অভাবে স্কুলে যেতে পারেনি তাই ছোট বেলা থেকে বিভিন্ন জায়গায় কাজ করতো অনেকে জানিয়েছে বেশ কিছুদিন যাবত লেদে কাজ করত ভাল ইনকাম ছিল। হঠাৎ লেদে কাজ ছেড়ে দেয় তারপর শুরু হয়। অনৈতিক কর্মকাণ্ড মতিঝিল গোপীবাগ কথিত কিছু সন্ত্রাসীদের কর্মকান্ডের সাথে সোর্স বা পিয়ন হিসেবে কাজ করতে থাকে। এবং সবার সাথে ভালো সম্পর্ক হওয়ার পরে মতিঝিল ও মধুমিতা হল থেকে শাপলা চক্র পর্যন্ত ফুটে টাকা উঠানো দায়িত্ব নিয়ে থাকে ।
নিজেও দুইটি দোকান বসিয়ে রমরমা ব্যাবসা শুরু করতে থাকেন। তখন থেকেই।পুলিশের সাথে সখ্যতা তৈরি করে এবং মাদকের ব্যবসা শুরু করে। ব্রাদার্স ক্লাব আসা যাওয়া করতে থাকে। সেই সুবাদে উচ্চ ক্ষমতাশালী লোকদের সাথে সখ্যতা তৈরি করে। দিনে দিনে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পরেন তিনি। ব্রাদার্স ক্লাব ও মধুমিতা
হলের পিছনের রাস্তায় মদ বিয়ার বেচাকেনা শুরু করে।মতিঝিল এবং সূত্রাপুর থানা ম্যানেজ করে ব্যবসা পরিচালনা করতে থাকেন। এবং সেই অবস্থায় তার পিছু ফিরে তাকানোর সময় নেই এখন সে বেশ কিছু টাকার মালিক হয়ে উঠছে টাকার সাথে সাথে তার আচার-আচরণ বদলে যায় মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করতে শুরু করেছে। কথায় আছে অল্প বিদ্যা ভয়ংকর। খারাপ ব্যবহারের জন্য ঐ এলাকার স্থানীয় লোকজন তাকে এলাকা থেকে বিতাড়িত করে দেয়।
বদল করে নেয় নতুন ঠিকানা মানিকনগর বাজারে একটি রুম নিয়ে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে। জুয়ার আসর বসানো হয়। শুরু হয় ঢাকার ভেতরে অন্যতম জুয়ার আসর এবং পরিচিত লাভ করে এই জুয়ার আসরে থানার কোন পুলিশ দিয়ে হয়রানি শিকার হয় না বলে বিভিন্ন জায়গা থেকে জুয়ারীরা এসে খেলার আসর জমায় কয়েক বছর ভালোই চলছিল ।জুয়ার আসরে রুম, সিটি কর্পোরেশনের অবৈধ স্থাপনা থাকায় ভেঙ্গে ফেলে। নতুন করে আবার ও আস্তানা তৈরি করে মানিকনগর বালুর মাঠে এখানে শক্তিশালী অবস্থান নেয় পুলিশ ও বিভিন্ন নেতা দিয়ে মহড়া দিতে থাকে ভয়ে এলাকার মানুষ কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না।মানিকনগর বালুর মাঠে পুলিশ আসলেই নুর ইসলাম তাদেরকে চা নাস্তা থেকে শুরু করে পকেট ভারি করে দেয় এবং তাদের কোনো ছেলে মেয়ের জন্মদিন বা নতুন।
কোন সন্তান জন্ম হলে । নূর ইসলাম গরুর গোস্ত হাঁসের মাংস বিভিন্ন রকমের খাবারের আয়োজন করে থাকেন ।মাঝেমধ্যে ডিউটিরত পুলিশদেরকে রাতে বিরানি খাবারের ব্যবস্থা করেন এবং নিজের বা কাছের কোন মানুষেদের অনুষ্ঠান হলে থানায় দাওয়াত দিলে থানার বড় কর্মকর্তা দাওয়াতে চলে আসে শুধু তাই নয় অন্য। ওয়ার্ডের নেতাদের দাওয়াত দিলে তারা ও চলে আসে। যার কারণে এলাকার স্থানীয় লোকজন কিছু বলতে। সাহস পায়না বলতে গেলে, তাদেরকে মামলা হামলার ভয় দেখানো হয় । আর তা না হলে তাদেরকে বিভিন্নভাবে বিভ্রান্ত করে থাকে। ওই এলাকার বাসিন্দা একজন সাংবাদিক, নাম ছাড়াই জুয়ার নিউজ করেছিল দৈনিক এক জাতীয় পত্রিকায় তাকে অকাট্ট ভাষায়। গালিগালাজ এবং জবাই করে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে। তার কিছুদিন পরেই তাদের লোকজন দিয়ে ভিন্নময় নাটক সাজিয়ে ওই
সাংবাদিকের উপরে হামলা করেছে।
হুমকি দেওয়ার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া ভাসছে গত ১৬ ই মার্চ বিভিন্ন গণমাধ্যমে লেখালেখি হওয়া সত্ত্বেও মুগদা থানা কার্যকরী পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। জুয়ারি নুর ইসলাম ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে জুয়ার আসরে অন্য লোক বসিয়ে নুর ইসলাম বাহিরে পাহারা দিতে থাকে। বালুর মাঠ পাকা রাস্তার মাথায় সাংবাদিকদের অকাট্ট ভাষায় গালমন্দ করতে থাকে আর বলতে শোণা যায় তার পাশে কিছু (অসাধু বিপথগামী) পুলিশ থাকলে এই খেলা বন্ধ করতে পারবে না। উল্টো পুলিশ দিয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের হয়রানি করবে। গণমাধ্যম কর্মীদের ধারা (অসাধু বিপথগামী) পুলিশ টাকার আয়ের উৎস বন্ধ হলে পুলিশ কি ছেড়ে দিবে ? একটু সময়ের ব্যাপার। এক গোপন সূত্রে (অসাধু বিপথগামী) পুলিশ এসআই ওই এলাকার সাংবাদিককে বিপদে ফেলাবে এই কথা বলতে শোনা গেছে।
তবে পাওয়ার সেল টিম পুলিশ অফিসার দের কাছে জানতে চাইলে আমরা চেষ্টা করছি জুয়ার আসর গুলো বন্ধ করার জন্য অনেকগুলো ইতিমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্নভাবে অভিযান চালাচ্ছি হুমকি দাতা কে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য হন্যে হয়ে খুজছি। আমাদের পুলিশ বাহিনি কোন গণমাধ্যম কর্মীকে অসম্মান কখনোই করতে পারে না? (এটা একটি গুজব) আপনারা গণমাধ্যমে অপরাধমূলক ঘটনা গুলো তুলে ধরলে আমাদেরকে অনেক সহযোগিতা হয়।আমরা গণমাধ্যমে কাছ থেকে অনুপ্রেরণা ভাই গণমাধ্যম এবং পুলিশ কাঁধে কাঁধ মিলে কাজ করলে মুগদা থানা পরিচ্ছন্ন থানা বাংলাদেশের মডেল হয়ে থাকবে। আপনারাই প্রচার করছেন মাদককে জিরো টলারেন্স আনার জন্য অভিযান অব্যাহত আছে ঠিক তেমনি রাষ্ট্রবিরোধী আইনের বাইরে যেই করুক যত ক্ষমতাশালী হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
প্রিয়া চৌধুরী 























