ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

৭ দিনের তদন্ত কমিটি ১৯ দিনেও প্রতিবেদন জমা দেয়নি

রাজধানীর বেইলি রোড ট্যাজেডির প্রায় তিন সপ্তাহ। এখনো বাতাসে ভাসছে পোড়া ভবনের গন্ধ। আতঙ্ক কাটছে না ওই এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের। গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনটিতে আগুন লেগে ৪৬ জনের প্রাণহানির শোকের ছাপ আজও লেগে আছে পুরো এলাকাজুড়ে। আলোচিত বিভীষিকাময় এই ট্র্যাজেডির রহস্য ঘটনার ১৯ দিনেও উদ্ঘাটন করতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর। ঘটনার দিন রাতেই সংস্থাটি ৭দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তবে সেই কমিটি এখন পর্যন্ত তাদের প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি।

বেইলি রোডে গ্রিন কটেজ ভবনে আগুন লাগার সূত্রপাত জানা গেছে কিনা এবং সেখানে আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কী ছিল এমন প্রশ্নের জবাবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সিনিয়র স্টাফ অফিসার মো. শাহজাহান শিকদার ঢাকা টাইমসকে বলেন, আমাদের কাছে এ বিষয়ে তথ্য নেই। তদন্ত কমিটি কাজ করছে। রিপোর্ট জমা দিলে বলা যাবে।
তদন্ত কমিটির প্রধান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরীর কাছে একই বিষয় জানতে চাইলে তিনি ঢাকা টাইমসকে বলেন, এই সপ্তাহের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে।
বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে কোনো তথ্য নেই রমনা থানা পুলিশের কাছেও। থানার অফিসার ইনচার্জ উৎপল বড়ুয়া ঢাকা টাইমসকে বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে যে মামলা হয়েছে তা সিআইডি তদন্ত করছে, আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। তবে ঘটনার পর থেকে এখন পর্যন্ত এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সিআইডির তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা ঢাকা টাইমসকে বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে সিআইডি বিভিন্ন ধাপে তদন্ত কাজ চালাচ্ছে। শিগগিরই ঘটনার কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে জানানো হবে।

মঙ্গলবার সরেজমিনে বেইলি রোড এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, গ্রিন কোজি কটেজ ভবনটির চারপাশে ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ রাখা হয়েছে। ভবনটির আশপাশে থাকা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে আগের মতোই কর্মব্যস্ততা রয়েছে। তবে গত বছর রমজানের তুলনায় এবার ক্রেতাদের ভিড় কম দেখা গেছে।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের পাশে গোল্ড প্যালেস ভবনে থাকা কেএফসিতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে আগের মতো ক্রেতাদের ভিড় নেই। এক নারী বিক্রেতার সঙ্গে কথা হলে তিনি ঢাকা টাইমসকে বলেন, সারাদিন তেমন ক্রেতাদের ভিড় থাকে না। তবে দুপুরের পর থেকে ক্রেতারা আসতে থাকেন। অনেকেই ইফতার নেন এখান থেকে।

কেএফসির ম্যানেজার মেহেদী হাসান বলেন, আমাদের পাশের ভবনে আগুনের ঘটনায় কিছুদিন মানুষের মনে আতঙ্ক থাকবে এটা স্বাভাবিক। আগুন লাগার প্রথম দিকে বেশ প্রভাব পড়েছিল বেচাকেনায়। অনেকেই ভয়ে আসেনি। তবে এখন ভয় কেটে গেছে। সব কিছুই স্বাভাবিক রয়েছে। আমাদের বিক্রি এখন ধীরে ধীরে বাড়ছে। বর্তমানে তেমন কোনো প্রভাব নেই।

বেইলি রোড এলাকায় অভিজাত শ্রেণিদের জন্য একটি জনপ্রিয় স্থান ছিল। রমজান মাসে ইফতার আয়োজনে সুনাম থাকায় প্রতি রমজানে দূর-দূরান্ত থেকে এসে এই এলাকা থেকে ইফতারি কিনতেন ক্রেতারা। অনেক বছর ধরেই ইফতার তৈরিতে জৌলুস ধরে রেখেছিলেন ব্যবসায়ীরা। তবে বেইলি রোড ট্র্যাজেডির প্রভাবে ভাটা পড়েছে এই এলাকার ইফতার বাজারে। অনেক নামিদামি রেস্টুরেন্টেই তালা ঝুলতে দেখা দেখে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও সেখানে ক্রেতাদের আনাগোনা সেই আগের মতো।

অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় রাজউক, পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের অভিযানে এই এলাকার জনপ্রিয় রেস্টুরেন্ট নবাবী ভোজ, সুলতান ডাইন, ওয়েসিস, চিলক্সসহ একাধিক রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।এরমধ্যে অনেক ক্রেতাই বলছেন অন্যান্য এলাকার তুলনায় বর্তমানে এই এলাকার ইফতার সামগ্রির দাম বেশি রাখা হচ্ছে।

এই এলাকার এক ফাস্টফুড দোকানে গিয়ে দেখা যায়, বিকালে দোকানটিতে ক্রেতাদের কিছুটা আনাগোনা রয়েছে। তবে সেই সংখ্যা গত বছরের তুলনায় অনেক কম।
দোকানের ম্যানেজার এরশাদ ঢাকা টাইমসকে বলেন, রোজার প্রথম দিকে ক্রেতাদের চাপ ছিল না। দোকানে তেমন বেচাকেনা নেই। তবে বর্তমানে ক্রেতাদের চাপ বাড়তে শুরু করেছে। মানুষের আতংক কমতে শুরু করেছে।

ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই এলাকায় অগ্নিঝুঁকি নিয়ে এখনও উৎকণ্ঠায় রয়েছে অনেকেই। অনেক ভবন এখনও ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এতে করে ক্রেতারা এই এলাকার রেস্তোরাঁতে বর্তমানে তেমন আসছে না।

ফায়ার সার্ভিসের ১নং জোনের আওতাধীন বেইলি রোড, শান্তিনগর, মৌচাক, মালিবাগ ও মতিঝিল এলাকায় ৬৩টি ভবন অগ্নিঝুঁকিতে রয়েছে। এরমধ্যে ১০টি ভবন অতি ঝুকিপূর্ণ, ৫২টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১টি কম ঝুঁকিপূর্ণ ভবন রয়েছে।

এই এলাকায় মাত্র ৬টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। এরমধ্যে একটি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করেছে তারা। অভিযানে ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা জরিমানও করা হয়েছে বলে তথ্য রয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

৭ দিনের তদন্ত কমিটি ১৯ দিনেও প্রতিবেদন জমা দেয়নি

আপডেট সময় ০৭:৫২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মার্চ ২০২৪

রাজধানীর বেইলি রোড ট্যাজেডির প্রায় তিন সপ্তাহ। এখনো বাতাসে ভাসছে পোড়া ভবনের গন্ধ। আতঙ্ক কাটছে না ওই এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের। গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনটিতে আগুন লেগে ৪৬ জনের প্রাণহানির শোকের ছাপ আজও লেগে আছে পুরো এলাকাজুড়ে। আলোচিত বিভীষিকাময় এই ট্র্যাজেডির রহস্য ঘটনার ১৯ দিনেও উদ্ঘাটন করতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর। ঘটনার দিন রাতেই সংস্থাটি ৭দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তবে সেই কমিটি এখন পর্যন্ত তাদের প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি।

বেইলি রোডে গ্রিন কটেজ ভবনে আগুন লাগার সূত্রপাত জানা গেছে কিনা এবং সেখানে আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কী ছিল এমন প্রশ্নের জবাবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সিনিয়র স্টাফ অফিসার মো. শাহজাহান শিকদার ঢাকা টাইমসকে বলেন, আমাদের কাছে এ বিষয়ে তথ্য নেই। তদন্ত কমিটি কাজ করছে। রিপোর্ট জমা দিলে বলা যাবে।
তদন্ত কমিটির প্রধান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরীর কাছে একই বিষয় জানতে চাইলে তিনি ঢাকা টাইমসকে বলেন, এই সপ্তাহের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে।
বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে কোনো তথ্য নেই রমনা থানা পুলিশের কাছেও। থানার অফিসার ইনচার্জ উৎপল বড়ুয়া ঢাকা টাইমসকে বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে যে মামলা হয়েছে তা সিআইডি তদন্ত করছে, আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। তবে ঘটনার পর থেকে এখন পর্যন্ত এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সিআইডির তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা ঢাকা টাইমসকে বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে সিআইডি বিভিন্ন ধাপে তদন্ত কাজ চালাচ্ছে। শিগগিরই ঘটনার কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে জানানো হবে।

মঙ্গলবার সরেজমিনে বেইলি রোড এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, গ্রিন কোজি কটেজ ভবনটির চারপাশে ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ রাখা হয়েছে। ভবনটির আশপাশে থাকা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে আগের মতোই কর্মব্যস্ততা রয়েছে। তবে গত বছর রমজানের তুলনায় এবার ক্রেতাদের ভিড় কম দেখা গেছে।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের পাশে গোল্ড প্যালেস ভবনে থাকা কেএফসিতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে আগের মতো ক্রেতাদের ভিড় নেই। এক নারী বিক্রেতার সঙ্গে কথা হলে তিনি ঢাকা টাইমসকে বলেন, সারাদিন তেমন ক্রেতাদের ভিড় থাকে না। তবে দুপুরের পর থেকে ক্রেতারা আসতে থাকেন। অনেকেই ইফতার নেন এখান থেকে।

কেএফসির ম্যানেজার মেহেদী হাসান বলেন, আমাদের পাশের ভবনে আগুনের ঘটনায় কিছুদিন মানুষের মনে আতঙ্ক থাকবে এটা স্বাভাবিক। আগুন লাগার প্রথম দিকে বেশ প্রভাব পড়েছিল বেচাকেনায়। অনেকেই ভয়ে আসেনি। তবে এখন ভয় কেটে গেছে। সব কিছুই স্বাভাবিক রয়েছে। আমাদের বিক্রি এখন ধীরে ধীরে বাড়ছে। বর্তমানে তেমন কোনো প্রভাব নেই।

বেইলি রোড এলাকায় অভিজাত শ্রেণিদের জন্য একটি জনপ্রিয় স্থান ছিল। রমজান মাসে ইফতার আয়োজনে সুনাম থাকায় প্রতি রমজানে দূর-দূরান্ত থেকে এসে এই এলাকা থেকে ইফতারি কিনতেন ক্রেতারা। অনেক বছর ধরেই ইফতার তৈরিতে জৌলুস ধরে রেখেছিলেন ব্যবসায়ীরা। তবে বেইলি রোড ট্র্যাজেডির প্রভাবে ভাটা পড়েছে এই এলাকার ইফতার বাজারে। অনেক নামিদামি রেস্টুরেন্টেই তালা ঝুলতে দেখা দেখে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও সেখানে ক্রেতাদের আনাগোনা সেই আগের মতো।

অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় রাজউক, পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের অভিযানে এই এলাকার জনপ্রিয় রেস্টুরেন্ট নবাবী ভোজ, সুলতান ডাইন, ওয়েসিস, চিলক্সসহ একাধিক রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।এরমধ্যে অনেক ক্রেতাই বলছেন অন্যান্য এলাকার তুলনায় বর্তমানে এই এলাকার ইফতার সামগ্রির দাম বেশি রাখা হচ্ছে।

এই এলাকার এক ফাস্টফুড দোকানে গিয়ে দেখা যায়, বিকালে দোকানটিতে ক্রেতাদের কিছুটা আনাগোনা রয়েছে। তবে সেই সংখ্যা গত বছরের তুলনায় অনেক কম।
দোকানের ম্যানেজার এরশাদ ঢাকা টাইমসকে বলেন, রোজার প্রথম দিকে ক্রেতাদের চাপ ছিল না। দোকানে তেমন বেচাকেনা নেই। তবে বর্তমানে ক্রেতাদের চাপ বাড়তে শুরু করেছে। মানুষের আতংক কমতে শুরু করেছে।

ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই এলাকায় অগ্নিঝুঁকি নিয়ে এখনও উৎকণ্ঠায় রয়েছে অনেকেই। অনেক ভবন এখনও ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এতে করে ক্রেতারা এই এলাকার রেস্তোরাঁতে বর্তমানে তেমন আসছে না।

ফায়ার সার্ভিসের ১নং জোনের আওতাধীন বেইলি রোড, শান্তিনগর, মৌচাক, মালিবাগ ও মতিঝিল এলাকায় ৬৩টি ভবন অগ্নিঝুঁকিতে রয়েছে। এরমধ্যে ১০টি ভবন অতি ঝুকিপূর্ণ, ৫২টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১টি কম ঝুঁকিপূর্ণ ভবন রয়েছে।

এই এলাকায় মাত্র ৬টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। এরমধ্যে একটি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করেছে তারা। অভিযানে ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা জরিমানও করা হয়েছে বলে তথ্য রয়েছে।