ঢাকা ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

রামগঞ্জে মার্কেটের নাম পরিবর্তন করে লাগানো সাইনবোর্ডটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের নির্দেশে অপসারণ

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন ঐতিহ্যবাহী জিয়া শপিং কমপ্লেক্সের নাম পরিবর্তন করে রাতের আঁধারে রামগঞ্জ শপিং কমপ্লেক্স নামে একটি সাইনবোর্ড লাগানোর ঘটনায় উপজেলা জুড়ে ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আওয়ামীলীগ এবং বিএপির বিভিন্ন নেতাকর্মীসহ অসংখ্য মানুষকে পোস্ট দিতে দেখা গেছে।
তবে মার্কেটের নাম পরিবর্তন করে সাইবোর্ড লাগানোর বিষয়ে কিছুই জানেনা বলে জানান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান। বিষয়টি ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরে তাৎক্ষনিক সাইবোর্ডটি খুলে ফেলার নির্দেশ দেন তিনি।

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহানের ছেলে ইমতিয়াজ আরাফাত প্রার্থি হওয়ায় তাকে বিতর্কিত করতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েএকটি মহল এ কাজ করেছে বলে ইমতিয়াজ আরাফাতের কয়েকজন অনুসারী জানান।

সূত্রে জানা যায়, তৎকালীন মরহুম জিয়াউল হক জিয়া এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন রামগঞ্জ জিয়া শপিং কমপ্লেক্স নামে এ মার্কেটটি প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ নামে দীর্ঘ ১৭ বছর মার্কেটটি পরিচালিত হয়ে আসলেও মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) ভোর রাতে কে বা কাহারা ডাকবাংলা মসজিদ সংলগ্ন গেটে রামগঞ্জ জিয়া শপিং কমপ্লেক্স নামে সাইনবোর্ডটি সরিয়ে রামগঞ্জ শপিং কমপ্লেক্স নামে একটি সাইনবোর্ড স্থাপন করে। এসময় সকালে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা ও বাজারের অন্য ব্যবসায়ীরা এমন কর্মকান্ড দেখে হতবাক হয়ে যান। পরবর্তিতে দুপুরের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নতুন সাইনবোর্ডটির একটি ছবি চড়িয়ে পড়লে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠে।

এসময় বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. আনোয়ার হোসেন খান ও লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহানের নজরে আসলে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নির্দেশে রাতেই বিতর্কিত সাইনবোর্ডটি সরিয়ে ফেলা হয়।

স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মেহেদী হাসান শুভ বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। ফেসবুকে মার্কেটের নাম পরিবর্তনের সাইনবোর্ডটি দেখে তাৎক্ষণিক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান ও এমপি ড. আনোয়ার হোসেন খান মহোদয়কে অবিহিত করলে ওনারা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করেন এবং বিতর্কিত সাইনবোর্ডটি দ্রুত অপসারণ করা হয়।

রামগঞ্জ পৌর মেয়র আলহাজ্ব আবুল খায়ের পাটোয়ারী বলেন, অনেকে প্রচার করছেন মার্কেটের নাম পরিবর্তনের সাথে আমি নাকি জড়িত। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং অপপ্রচারের কৌশল মাত্র। এটার সাথে পৌরসভার কোন সম্পৃক্ততা নাই। আমার পরিষ্কার বক্তব্য হচ্ছে এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা এবং এটা আমার এখতিয়ার নয়।

লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান জানান, রামগঞ্জ জিয়া শপিং কমপ্লেক্সের নাম পরিবর্তনের বিষয়টি তৎকালীন জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব শামসুল ইসলাম সাহেবের সময় পরিষদের রেজুলেশন এর মাধ্যমে সিদ্ধান্তটি গৃহীত হয়।
জিয়া শপিং কমপ্লেক্সের সাইনবোর্ড টি কে বা কারা পরিবর্তন করেছে তা লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ অবগত নয়। কিছু অতি উৎসাহি ব্যক্তি বা মহল পরিষদের সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্য এ কাজটি করেছে। বিষয়টি আমি অবগত হওয়ার পর রামগঞ্জের মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয় ও ইউ এন ও মহোদয় এর সাথে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

রামগঞ্জে মার্কেটের নাম পরিবর্তন করে লাগানো সাইনবোর্ডটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের নির্দেশে অপসারণ

আপডেট সময় ০২:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০২৪

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন ঐতিহ্যবাহী জিয়া শপিং কমপ্লেক্সের নাম পরিবর্তন করে রাতের আঁধারে রামগঞ্জ শপিং কমপ্লেক্স নামে একটি সাইনবোর্ড লাগানোর ঘটনায় উপজেলা জুড়ে ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আওয়ামীলীগ এবং বিএপির বিভিন্ন নেতাকর্মীসহ অসংখ্য মানুষকে পোস্ট দিতে দেখা গেছে।
তবে মার্কেটের নাম পরিবর্তন করে সাইবোর্ড লাগানোর বিষয়ে কিছুই জানেনা বলে জানান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান। বিষয়টি ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরে তাৎক্ষনিক সাইবোর্ডটি খুলে ফেলার নির্দেশ দেন তিনি।

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহানের ছেলে ইমতিয়াজ আরাফাত প্রার্থি হওয়ায় তাকে বিতর্কিত করতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েএকটি মহল এ কাজ করেছে বলে ইমতিয়াজ আরাফাতের কয়েকজন অনুসারী জানান।

সূত্রে জানা যায়, তৎকালীন মরহুম জিয়াউল হক জিয়া এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন রামগঞ্জ জিয়া শপিং কমপ্লেক্স নামে এ মার্কেটটি প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ নামে দীর্ঘ ১৭ বছর মার্কেটটি পরিচালিত হয়ে আসলেও মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) ভোর রাতে কে বা কাহারা ডাকবাংলা মসজিদ সংলগ্ন গেটে রামগঞ্জ জিয়া শপিং কমপ্লেক্স নামে সাইনবোর্ডটি সরিয়ে রামগঞ্জ শপিং কমপ্লেক্স নামে একটি সাইনবোর্ড স্থাপন করে। এসময় সকালে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা ও বাজারের অন্য ব্যবসায়ীরা এমন কর্মকান্ড দেখে হতবাক হয়ে যান। পরবর্তিতে দুপুরের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নতুন সাইনবোর্ডটির একটি ছবি চড়িয়ে পড়লে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠে।

এসময় বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. আনোয়ার হোসেন খান ও লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহানের নজরে আসলে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নির্দেশে রাতেই বিতর্কিত সাইনবোর্ডটি সরিয়ে ফেলা হয়।

স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মেহেদী হাসান শুভ বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। ফেসবুকে মার্কেটের নাম পরিবর্তনের সাইনবোর্ডটি দেখে তাৎক্ষণিক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান ও এমপি ড. আনোয়ার হোসেন খান মহোদয়কে অবিহিত করলে ওনারা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করেন এবং বিতর্কিত সাইনবোর্ডটি দ্রুত অপসারণ করা হয়।

রামগঞ্জ পৌর মেয়র আলহাজ্ব আবুল খায়ের পাটোয়ারী বলেন, অনেকে প্রচার করছেন মার্কেটের নাম পরিবর্তনের সাথে আমি নাকি জড়িত। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং অপপ্রচারের কৌশল মাত্র। এটার সাথে পৌরসভার কোন সম্পৃক্ততা নাই। আমার পরিষ্কার বক্তব্য হচ্ছে এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা এবং এটা আমার এখতিয়ার নয়।

লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান জানান, রামগঞ্জ জিয়া শপিং কমপ্লেক্সের নাম পরিবর্তনের বিষয়টি তৎকালীন জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব শামসুল ইসলাম সাহেবের সময় পরিষদের রেজুলেশন এর মাধ্যমে সিদ্ধান্তটি গৃহীত হয়।
জিয়া শপিং কমপ্লেক্সের সাইনবোর্ড টি কে বা কারা পরিবর্তন করেছে তা লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ অবগত নয়। কিছু অতি উৎসাহি ব্যক্তি বা মহল পরিষদের সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্য এ কাজটি করেছে। বিষয়টি আমি অবগত হওয়ার পর রামগঞ্জের মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয় ও ইউ এন ও মহোদয় এর সাথে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।