ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিরোধী দল দুর্ভাগ্যবশত হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ভারতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ পরিবারের সঞ্জিতের ধর্মান্তর, বিয়ে, ২০ লাখ টাকা ও পিতৃপরিচয়ের জটিলতা ও প্রতারণা সালমান শাহ হত্যা মামলা : খলনায়ক ডনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন বালিয়াডাঙ্গীতে স্কুলের ৪৭ শতক জমি নিয়ে বিরোধ, উদ্ধারে মানববন্ধন সিলেট পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরে নিয়াজুর-সুবর্ণা দম্পতিকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ ডিজিটাল নম্বর প্লেটের নামে ১৫০০ কোটি টাকা আদায়, ৫৪ লাখ গ্রাহক বিপাকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগে যুগ্ম সচিব মোর্শেদা ফেরদৌসকে ঘিরে নানা অভিযোগ সোনামসজিদ স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে বড় ধস, চার বছরে ঘাটতি হাজার কোটি সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে যন্ত্র বিকলের নামে ৪৭ লাখ টাকা লোপাট!

জিএম কাদেরের নিষেধাজ্ঞাদেশের বিষয়ে শুনানি ১০ নভেম্বর

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা জি এম কাদেরের দলীয় কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞাদেশের বিষয়ে আগামী ১০ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ মাসুদুল হকের আদালতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে শুনানি করেন জিএম কাদেরের আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলাম।

এদিন শুনানিতে শেখ সিরাজুল ইসলাম বলেন, বাদী জিয়াউল হক মৃধা জাতীয় পার্টির উপদেষ্টা পরিচয় দিয়েছেন। আসলে জাতীয় পার্টিতে এমন পদ নেই। আছে চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা। বাদী মিথ্যা তথ্য দিয়ে ও আদালতকে ভুল বুঝিয়ে নিষেধাজ্ঞার আদেশ নিয়েছেন। জিএম কাদের দলের চেয়ারম্যানের পাশাপাশি সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় উপনেতা।

এর আগে গত ৬ অক্টোবর জিএম কাদেরের পক্ষে শেখ সিরাজুল ইসলাম, কলিম উল্যাহ মজুমদারসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী  নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রত্যাহারের আবেদন করেন।

মামলার বিবরণীতে বলা হয়, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। এরপর বিবাদী জিএম কাদের হাইকোর্ট বিভাগের একটি রিট মামলা বিচারাধীন থাকাবস্থায় জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ওই বছরের ২৮ ডিসেম্বর কাউন্সিল করে নিজেকে চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করেন।

গত ৫ মার্চ গাজীপুর মহানগর কমিটির উপদেষ্টা আতাউর রহমান সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সবুর শিকদার, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. মো. আজিজকে বহিষ্কার করেন। এছাড়া গত ১৪ সেপ্টেম্বর বাদী মশিউর রহমান রাঙ্গাকে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করেন। অন্যদিকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধাকেও জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কার করেন, যা সম্পূর্ণভাবে অবৈধ।

তাই ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বরের কাউন্সিলসহ চলতি বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বহিষ্কার আদেশ অবৈধ ঘোষণা করতে এবং হাইকোর্ট বিভাগের রিট নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় পার্টির পরবর্তী কাউন্সিল স্থগিত রাখতে মামলায় আদেশ চাওয়া হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিরোধী দল দুর্ভাগ্যবশত হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

জিএম কাদেরের নিষেধাজ্ঞাদেশের বিষয়ে শুনানি ১০ নভেম্বর

আপডেট সময় ০৪:১৪:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর ২০২২

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা জি এম কাদেরের দলীয় কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞাদেশের বিষয়ে আগামী ১০ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ মাসুদুল হকের আদালতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে শুনানি করেন জিএম কাদেরের আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলাম।

এদিন শুনানিতে শেখ সিরাজুল ইসলাম বলেন, বাদী জিয়াউল হক মৃধা জাতীয় পার্টির উপদেষ্টা পরিচয় দিয়েছেন। আসলে জাতীয় পার্টিতে এমন পদ নেই। আছে চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা। বাদী মিথ্যা তথ্য দিয়ে ও আদালতকে ভুল বুঝিয়ে নিষেধাজ্ঞার আদেশ নিয়েছেন। জিএম কাদের দলের চেয়ারম্যানের পাশাপাশি সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় উপনেতা।

এর আগে গত ৬ অক্টোবর জিএম কাদেরের পক্ষে শেখ সিরাজুল ইসলাম, কলিম উল্যাহ মজুমদারসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী  নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রত্যাহারের আবেদন করেন।

মামলার বিবরণীতে বলা হয়, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। এরপর বিবাদী জিএম কাদের হাইকোর্ট বিভাগের একটি রিট মামলা বিচারাধীন থাকাবস্থায় জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ওই বছরের ২৮ ডিসেম্বর কাউন্সিল করে নিজেকে চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করেন।

গত ৫ মার্চ গাজীপুর মহানগর কমিটির উপদেষ্টা আতাউর রহমান সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সবুর শিকদার, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. মো. আজিজকে বহিষ্কার করেন। এছাড়া গত ১৪ সেপ্টেম্বর বাদী মশিউর রহমান রাঙ্গাকে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করেন। অন্যদিকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধাকেও জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কার করেন, যা সম্পূর্ণভাবে অবৈধ।

তাই ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বরের কাউন্সিলসহ চলতি বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বহিষ্কার আদেশ অবৈধ ঘোষণা করতে এবং হাইকোর্ট বিভাগের রিট নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় পার্টির পরবর্তী কাউন্সিল স্থগিত রাখতে মামলায় আদেশ চাওয়া হয়েছে।