ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ পরিবারের সঞ্জিত মালাকার থেকে আবদুর রহমান: ধর্মান্তর, বিয়ে, ২০ লাখ টাকা ও পিতৃপরিচয়ের জটিলতা সালমান শাহ হত্যা মামলা : খলনায়ক ডনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন বালিয়াডাঙ্গীতে স্কুলের ৪৭ শতক জমি নিয়ে বিরোধ, উদ্ধারে মানববন্ধন সিলেট পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরে নিয়াজুর-সুবর্ণা দম্পতিকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ ডিজিটাল নম্বর প্লেটের নামে ১৫০০ কোটি টাকা আদায়, ৫৪ লাখ গ্রাহক বিপাকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগে যুগ্ম সচিব মোর্শেদা ফেরদৌসকে ঘিরে নানা অভিযোগ সোনামসজিদ স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে বড় ধস, চার বছরে ঘাটতি হাজার কোটি সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে যন্ত্র বিকলের নামে ৪৭ লাখ টাকা লোপাট! আওয়ামী আমলের প্রভাবশালী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান এখনো গুরুত্বপূর্ণ পদে, উঠছে নানা প্রশ্ন

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগে যুগ্ম সচিব মোর্শেদা ফেরদৌসকে ঘিরে নানা অভিযোগ

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোর্শেদা ফেরদৌস। আছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে। আওয়ামীলীগের নেত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন।
শেখ হাসিনার এপিএস ছিলেন কাজী নিশাত রসুল এটা সবার জানা। এই নিশাত রসুলের অত্যন্ত ঘনিষ্ট সহচর নিয়মিত পদোন্নতি প্রাপ্ত অত্যন্ত সুবিধাবাদী কর্মকর্তা এই মোর্শেদা। আওয়ামীলীগের পদধারী হওয়ার সুবাদে মাঠে কাজ করতে হয়নি। লম্বা সময় কেটেছে ক্যাবিনেট ডিভিশনে। কেবিনেট ডিভিশনের এক কর্মকর্তার সাথে নৈতিক স্খলনজনিত স্ক্যান্ডালের জন্ম দিয়েছেন তিনি। এঘটনায় ওই কর্মকর্তার সংসার ভাঙ্গার উপক্রম হলে সচিবালয়ে বৈঠকও হয়।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিপক্ষের অবস্থান নেওয়া মোর্শেদা দম্ভ করে বলতেন, “ছাত্র জনতার” আন্দোলনে আওয়ামীলীগ সরকারের বা* বাকা করতেপারবে না।
সচিবালয়ের আওয়ামীলীগ ঘরনার কর্মকর্তাদের সাথে
সার্বক্ষণিক লিয়াজো রাখতেন। সচিবালয়ের যাবতীয় তথ্য এখন এই মহারানি পাচার করেন পলাতক লীগের মন্ত্রী নসরুদ হামিদ বীপুর কাছে।
চট্টগ্রামে প্রায় আট হাজার কোটি টাকার অধিক ব্যয়ে নির্মিত সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং। এই আলুরানির প্রকল্পে অনিয়ম আর দুর্নীতির কারণে সেটা আলোর মুখ দেখেনি। ওই প্রকল্পটি জন্য টেন্ডার আহ্বান করেছিলেন গত ১১ ফেব্রুয়ারি। অর্থাৎ নির্বাচনের আগের দিন যাতে বিএনপির কেউ টেন্ডারের অংশগ্রহণ করতে না পারে! এতটাই কৌশলী এই মোর্শেদা।
অফশোর টেন্ডারের কাজ এখনো টেন্ডার সাবমিট করাতে না পারা মোর্শেদার অদক্ষতার পরিচয় বহন করে। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, অফশোর টেন্ডারের নাম করে এখন রোড শো নাম দেখিয়ে আমেরিকা যাবেন এই আলুরানি সরকারি খরচে! তার চেয়েও বড় কথা হলো এতো গুরুত্বপূর্ণ একটা বিভাগের তথ্য বা সরকারি কোনো তথ্য পাচারের উদ্দেশ্যেই তিনি সেখানে যাচ্ছেন কি না সেটা খতিয়ে দেখতে হবে।
সুদীর্ঘ সাত বছরের কাছাকাছিএই মোর্শেদা আছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি বিভাগে। অথচ সরকারের কোন মন্ত্রণালয়ে তিন বছরের বেশী পোস্টিং থাকার কোনো নীতিগত সুযোগ নেই। আওয়ামী লীগের সময়ে, কেয়ারটেকার আর বিএনপির সরকারের এই সময়ে তিনি আছেন জ্বালানি বিভাগে বহাল তবিয়তে!
এই গ্রুপ স্যাবোটেজ ছাড়া আর তাদের নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু করবে না জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের জন্য নিশ্চিত থাকেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ পরিবারের

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগে যুগ্ম সচিব মোর্শেদা ফেরদৌসকে ঘিরে নানা অভিযোগ

আপডেট সময় ০৩:৫০:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোর্শেদা ফেরদৌস। আছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে। আওয়ামীলীগের নেত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন।
শেখ হাসিনার এপিএস ছিলেন কাজী নিশাত রসুল এটা সবার জানা। এই নিশাত রসুলের অত্যন্ত ঘনিষ্ট সহচর নিয়মিত পদোন্নতি প্রাপ্ত অত্যন্ত সুবিধাবাদী কর্মকর্তা এই মোর্শেদা। আওয়ামীলীগের পদধারী হওয়ার সুবাদে মাঠে কাজ করতে হয়নি। লম্বা সময় কেটেছে ক্যাবিনেট ডিভিশনে। কেবিনেট ডিভিশনের এক কর্মকর্তার সাথে নৈতিক স্খলনজনিত স্ক্যান্ডালের জন্ম দিয়েছেন তিনি। এঘটনায় ওই কর্মকর্তার সংসার ভাঙ্গার উপক্রম হলে সচিবালয়ে বৈঠকও হয়।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিপক্ষের অবস্থান নেওয়া মোর্শেদা দম্ভ করে বলতেন, “ছাত্র জনতার” আন্দোলনে আওয়ামীলীগ সরকারের বা* বাকা করতেপারবে না।
সচিবালয়ের আওয়ামীলীগ ঘরনার কর্মকর্তাদের সাথে
সার্বক্ষণিক লিয়াজো রাখতেন। সচিবালয়ের যাবতীয় তথ্য এখন এই মহারানি পাচার করেন পলাতক লীগের মন্ত্রী নসরুদ হামিদ বীপুর কাছে।
চট্টগ্রামে প্রায় আট হাজার কোটি টাকার অধিক ব্যয়ে নির্মিত সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং। এই আলুরানির প্রকল্পে অনিয়ম আর দুর্নীতির কারণে সেটা আলোর মুখ দেখেনি। ওই প্রকল্পটি জন্য টেন্ডার আহ্বান করেছিলেন গত ১১ ফেব্রুয়ারি। অর্থাৎ নির্বাচনের আগের দিন যাতে বিএনপির কেউ টেন্ডারের অংশগ্রহণ করতে না পারে! এতটাই কৌশলী এই মোর্শেদা।
অফশোর টেন্ডারের কাজ এখনো টেন্ডার সাবমিট করাতে না পারা মোর্শেদার অদক্ষতার পরিচয় বহন করে। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, অফশোর টেন্ডারের নাম করে এখন রোড শো নাম দেখিয়ে আমেরিকা যাবেন এই আলুরানি সরকারি খরচে! তার চেয়েও বড় কথা হলো এতো গুরুত্বপূর্ণ একটা বিভাগের তথ্য বা সরকারি কোনো তথ্য পাচারের উদ্দেশ্যেই তিনি সেখানে যাচ্ছেন কি না সেটা খতিয়ে দেখতে হবে।
সুদীর্ঘ সাত বছরের কাছাকাছিএই মোর্শেদা আছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি বিভাগে। অথচ সরকারের কোন মন্ত্রণালয়ে তিন বছরের বেশী পোস্টিং থাকার কোনো নীতিগত সুযোগ নেই। আওয়ামী লীগের সময়ে, কেয়ারটেকার আর বিএনপির সরকারের এই সময়ে তিনি আছেন জ্বালানি বিভাগে বহাল তবিয়তে!
এই গ্রুপ স্যাবোটেজ ছাড়া আর তাদের নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু করবে না জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের জন্য নিশ্চিত থাকেন।