ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ৮ নং ওয়ার্ডে বাসা বাড়ীতে গৃহকর্মী পারুল বেগমকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার মামুন হাওলাদারের বিরুদ্ধে।
১৪ মার্চ বৃহস্পতিবার সাড়ে তিনটায় ৮ নং ওয়ার্ডের মামুন হাওলাদারের বাসায় এ ঘটনা ঘটে।পরে ওই গৃহকর্মীকে তার ছেলে মিরাজ উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করেন।
নির্যাতিত পারুল বেগম অভিযোগ করে বলেন- দশ বছর ধরে মামুন হাওলাদারের বাসায় কাজ করি, এর আগেও তার স্ত্রী ও মা আমাকে মারধর করে, একবার নয়, কয়েক বার, পরে মামুন হাওলাদারকে জানালে তিনি মিমাংসা করে দেন। মামুন হাওলাদার আমাকে ৮ শতাংশ জমি দিবে ঘর উঠানোর জন্য এই বলে আমার কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নেন, জমি দেই দিচ্ছি বলে ঘুরায়, জমিও দেননা টাকা চাইলে খারাপ আচরণ করে। আজকে মামুন হাওলাদার তাদের পুকুরে মাছ ধরেন, ওই মাছ বাসায় আনে, আমি আমার বাসা থেকে আসতে লেট করলে মামুন হাওলাদারের স্ত্রী আমাকে গালমন্দ করে, এই জের ধরে মামুন হাওলাদার বাসায় এসে আমাকে মারতে মারতে মাটিতে ফেলে দেন,এরপর পা দিয়ে লাথি, চড় থাপ্পর, মারতে থাকেন, কেউ আমাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি, আমার চিৎকার শুনে আমার ছেলে মিরাজ আমাকে উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করেন, পরে আমার ছেলে মিরাজ বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় অভিযোগ করি।
অন্যদিকে এই বিষয় অভিযুক্ত মামুন হাওলাদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বললেন – প্রথমে বলেন পারুল নামে কাউকে চিনিনা। পরে তার মোবাইল ফোনে আবার কল করলে তিনি বলেন কাজ করতে দেরি হওয়ায় আমার স্ত্রী তাকে রাগারাগি করে, সে আমার স্ত্রীর মুখে মুখে তর্ক করায় আমি তাকে একটা থাপ্পর মারি, আর কিছু করিনি, আমার কাছে টাকা পাবে ৪০.০০০/( চল্লিশ হাজার) দুই লাখ টাকা পাবে এ অভিযোগ মিথ্যে।
বোরহানউদ্দিন থানার ইনচার্জ ওসি শাহীন ফকির (বিপিএম) বলেন – অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রিয়াজ ফরাজি.স্টাফ রিপোর্টার 























