ঢাকা ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

হত্যা মামলার আসামির ছেলে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী

ছাত্রলীগ নেতা আশীষ দত্ত ভোলা। ৭৫ পরবর্তী সময়ে হাতে গুণা যে কয়েকজনের রক্তের বিনিময়ে শেরপুর জেলার আওয়ামী রাজনীতি আজ শক্ত অবস্থানে দাঁড়িয়ে তাদের মধ্যে ছাত্রলীগ নেতা আশীষ দত্ত ভোলা একজন উন্নতম। ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮৮ সালে জাসদের ক্যাডারদের নির্মম হামলায় নিহত হন আশীষ দত্ত ভোলা।

সেদিন, আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও সন্ত্রাসীরা ছাড় দেয়নি তাকে হামলা করেছিল। মৃত্যু নিশ্চিত করতে দ্বিতীয় দিন
সেদিন, আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও সন্ত্রাসীরা ছাড় দেয়নি তাকে হামলা করেছিল। মৃত্যু নিশ্চিত করতে দ্বিতীয় দফায় নেক্কার জনক সে হামলা কাঁদিয়েছিল সবাইকে। তারপর, ১৯৮৮ সালে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা শেরপুরে এসে ভোলার বাসায় গিয়ে ভোলার পরিবারের জন্য দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং ভোলার মা কে সান্ত্বনা দেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সেই জনপ্রিয় ছাত্রলীগ নেতা ভোলা হত্যা মামলা আসামি মাহাবুব, তার বড় ছেলে সানজিদ আল প্রত্যয় বর্তামানে সমসাময়িক শেরপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী। গত ১ জুলাই ২০২২ ইং তারিখে জেলা কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয় এবং সেই সাথে আগামী কমিটিতে পদ প্রত্যাশীদের জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহের নির্দেশনা দেওয়া হয় শেরপুর জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দদেরকে। শেরপুর জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের হাতে সভাপতি পদ প্রার্থী হয়ে জীবনবৃত্তান্ত জমা দেন এই সানজিত আল প্রত্যয়।

লোকমুখে বিভিন্ন ভাবে জানা যায়, সানিজদ আল প্রত্যয় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক সহ জেলা আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ ও ব্যক্তিগত আক্রমণ করে স্টাটাস দেয় এবং শহরের বিভিন্ন পয়েন্টের মাদকসেবী, মাদক ব্যবসায়ী ও পূর্বে বিএনপি- ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত পরিবারের ছেলেদের দলে ভিরিয়ে রাজনৈতিক কোন্দল ও অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য দায়ী। এছাড়াও আরো স্পর্শকাতর তথ্য গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো; বিভিন্ন সময়ে নামে বেনামে পদ পদবীর লোভ দেখিয়ে নারী কর্মীদের শ্লীলতাহানি করে থাকে এবং সেগুলো কিছু ছবি ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরালও হয়েছে।
এছাড়াও মদ্যপ অবস্থায় নাচানাচির একটি ভিডিও ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ইতিমধ্যেই তার নারী গঠিত নানা অশ্লীল ছবি ও অডিও টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে। এছাড়াও কমিটিতে পদ বাগিয়ে নিতে নারীদের দ্বারা সিনিয়র নেতৃবৃন্দদের প্রলোব্ধ করে এবং টাকার বিনিময়ে কমিটির শীর্ষ স্থান দখল করতে তার নিজ মুখে স্বীকারোক্তি মূলক অডিও এখন লোক মুখে ছয়লাপ। এমন একজন বিতর্কিত ছেলে যেন জেলা ছাত্রলীগে পদায়িত না হয় এই বিষয়ে আশীষদত্ত ভোলার পরিবারও শেরপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনের সকল নেতৃবৃন্দ জোর দাবি তুলেছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

হত্যা মামলার আসামির ছেলে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী

আপডেট সময় ০৫:১৫:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মার্চ ২০২৪

ছাত্রলীগ নেতা আশীষ দত্ত ভোলা। ৭৫ পরবর্তী সময়ে হাতে গুণা যে কয়েকজনের রক্তের বিনিময়ে শেরপুর জেলার আওয়ামী রাজনীতি আজ শক্ত অবস্থানে দাঁড়িয়ে তাদের মধ্যে ছাত্রলীগ নেতা আশীষ দত্ত ভোলা একজন উন্নতম। ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮৮ সালে জাসদের ক্যাডারদের নির্মম হামলায় নিহত হন আশীষ দত্ত ভোলা।

সেদিন, আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও সন্ত্রাসীরা ছাড় দেয়নি তাকে হামলা করেছিল। মৃত্যু নিশ্চিত করতে দ্বিতীয় দিন
সেদিন, আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও সন্ত্রাসীরা ছাড় দেয়নি তাকে হামলা করেছিল। মৃত্যু নিশ্চিত করতে দ্বিতীয় দফায় নেক্কার জনক সে হামলা কাঁদিয়েছিল সবাইকে। তারপর, ১৯৮৮ সালে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা শেরপুরে এসে ভোলার বাসায় গিয়ে ভোলার পরিবারের জন্য দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং ভোলার মা কে সান্ত্বনা দেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সেই জনপ্রিয় ছাত্রলীগ নেতা ভোলা হত্যা মামলা আসামি মাহাবুব, তার বড় ছেলে সানজিদ আল প্রত্যয় বর্তামানে সমসাময়িক শেরপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী। গত ১ জুলাই ২০২২ ইং তারিখে জেলা কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয় এবং সেই সাথে আগামী কমিটিতে পদ প্রত্যাশীদের জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহের নির্দেশনা দেওয়া হয় শেরপুর জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দদেরকে। শেরপুর জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের হাতে সভাপতি পদ প্রার্থী হয়ে জীবনবৃত্তান্ত জমা দেন এই সানজিত আল প্রত্যয়।

লোকমুখে বিভিন্ন ভাবে জানা যায়, সানিজদ আল প্রত্যয় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক সহ জেলা আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ ও ব্যক্তিগত আক্রমণ করে স্টাটাস দেয় এবং শহরের বিভিন্ন পয়েন্টের মাদকসেবী, মাদক ব্যবসায়ী ও পূর্বে বিএনপি- ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত পরিবারের ছেলেদের দলে ভিরিয়ে রাজনৈতিক কোন্দল ও অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য দায়ী। এছাড়াও আরো স্পর্শকাতর তথ্য গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো; বিভিন্ন সময়ে নামে বেনামে পদ পদবীর লোভ দেখিয়ে নারী কর্মীদের শ্লীলতাহানি করে থাকে এবং সেগুলো কিছু ছবি ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরালও হয়েছে।
এছাড়াও মদ্যপ অবস্থায় নাচানাচির একটি ভিডিও ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ইতিমধ্যেই তার নারী গঠিত নানা অশ্লীল ছবি ও অডিও টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে। এছাড়াও কমিটিতে পদ বাগিয়ে নিতে নারীদের দ্বারা সিনিয়র নেতৃবৃন্দদের প্রলোব্ধ করে এবং টাকার বিনিময়ে কমিটির শীর্ষ স্থান দখল করতে তার নিজ মুখে স্বীকারোক্তি মূলক অডিও এখন লোক মুখে ছয়লাপ। এমন একজন বিতর্কিত ছেলে যেন জেলা ছাত্রলীগে পদায়িত না হয় এই বিষয়ে আশীষদত্ত ভোলার পরিবারও শেরপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনের সকল নেতৃবৃন্দ জোর দাবি তুলেছে।