ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

আ.লীগ নেতার ওপর ককটেল হামলা, কারাগারে মহিলা লীগ নেত্রীর ভাই

বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল রাজি জুয়েল ও ছাত্রলীগকর্মীদের ওপর হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হেফাজত আরা মিরার ছোট ভাই এনামুল হক সুমনকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন। জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম রনি জানান, তার সংগঠনের সদস্য সচিব সুমন বগুড়া পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও জেলা মহিলা লীগ নেত্রী মিরার ভাই।

পুলিশ, আদালত ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কৃষক দল নেতা এনামুল হক সুমন বগুড়া শহরের কলোনি এলাকার মৃত মাহফুজুল হকের ছেলে। গত নির্বাচনে তিনি বগুড়া পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। একই বাড়িতে বসবাসকারী তার অপর তিন ভাই বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। একমাত্র বড় বোন হেফাজত আরা মিরা বগুড়া জেলা মহিলা লীগের সভানেত্রী।

গত বছরের ২৯ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে শহরের টেম্পল রোডে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক, সাবেক ছাত্রনেতা আবদুল্লাহ আল রাজি জুয়েল ও নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালান। তারা মারপিটের পর ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান। এতে রক্তাক্ত জখম হন জুয়েল, ছাত্রলীগের নাইমুর রহমান নাইম, ফয়সাল প্রমুখ।

এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ নেতা জুয়েল সদর থানায় জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর তালুকদার হেনা, জেলা কৃষক দল সদস্য সচিব পৌর কাউন্সিলর এনামুল হক সুমনসহ ৮৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এ মামলার আসামিরা হাইকোর্ট থেকে জামিন লাভ করেন। হাইকোর্টের নির্দেশে তারা বগুড়ার আদালতে জামিন প্রার্থনা করেন। ৫ মার্চ জামিনের শুনানি ছিল। জেলা ও দায়রা জজ একেএম মোজাম্মেল হক চৌধুরী শুনানি শেষে জেলা বিএনপি সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার জামিনের আবেদন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল পর্যন্ত মঞ্জুর করেন। এ ছাড়া এনামুল হক সুমনের জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

আ.লীগ নেতার ওপর ককটেল হামলা, কারাগারে মহিলা লীগ নেত্রীর ভাই

আপডেট সময় ০৩:২০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মার্চ ২০২৪

বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল রাজি জুয়েল ও ছাত্রলীগকর্মীদের ওপর হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হেফাজত আরা মিরার ছোট ভাই এনামুল হক সুমনকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন। জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম রনি জানান, তার সংগঠনের সদস্য সচিব সুমন বগুড়া পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও জেলা মহিলা লীগ নেত্রী মিরার ভাই।

পুলিশ, আদালত ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কৃষক দল নেতা এনামুল হক সুমন বগুড়া শহরের কলোনি এলাকার মৃত মাহফুজুল হকের ছেলে। গত নির্বাচনে তিনি বগুড়া পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। একই বাড়িতে বসবাসকারী তার অপর তিন ভাই বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। একমাত্র বড় বোন হেফাজত আরা মিরা বগুড়া জেলা মহিলা লীগের সভানেত্রী।

গত বছরের ২৯ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে শহরের টেম্পল রোডে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক, সাবেক ছাত্রনেতা আবদুল্লাহ আল রাজি জুয়েল ও নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালান। তারা মারপিটের পর ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান। এতে রক্তাক্ত জখম হন জুয়েল, ছাত্রলীগের নাইমুর রহমান নাইম, ফয়সাল প্রমুখ।

এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ নেতা জুয়েল সদর থানায় জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর তালুকদার হেনা, জেলা কৃষক দল সদস্য সচিব পৌর কাউন্সিলর এনামুল হক সুমনসহ ৮৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এ মামলার আসামিরা হাইকোর্ট থেকে জামিন লাভ করেন। হাইকোর্টের নির্দেশে তারা বগুড়ার আদালতে জামিন প্রার্থনা করেন। ৫ মার্চ জামিনের শুনানি ছিল। জেলা ও দায়রা জজ একেএম মোজাম্মেল হক চৌধুরী শুনানি শেষে জেলা বিএনপি সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার জামিনের আবেদন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল পর্যন্ত মঞ্জুর করেন। এ ছাড়া এনামুল হক সুমনের জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।