ঢাকা ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

বাড্ডায় জোড়া অস্ত্র, গুলি উদ্ধার ও আন্ডারওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান গ্রুপের সদস্য গ্রেপ্তার!

বাড্ডায় জোড়া অস্ত্র, গুলি উদ্ধার ও আন্ডারওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান গ্রুপের সদস্য গ্রেপ্তার!
গত ১৮ ই ফেব্রুয়ারি আন্ডারওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান গ্রুপের অনুসারী আমজাদ হোসেন সোহেল ওরফে চাক্কু সোহেল সহ তিনজন, দস্যুতার চেষ্টা কালে চার রাউন্ড গুলি সহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়, তাদের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক দুটি মামলা হয় একটি দসূ্্যতার চেষ্টা মামলা ও একটি অস্ত্র আইনের মামলা। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, আসামিদের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন, রিমান্ডে আনার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসা বাদ করেন এবং চাক্কু সোহেলের মোবাইলে একটি অস্ত্রের ছবি দেখতে পান, এই ছবিটিকে কেন্দ্র করে তার তদন্ত রূপনােয় অস্ত্র উদ্ধারে অভিযানে। ছবিতে দেখা যায় একটি বিদেশি রিবলবার একটি হাতে ধরা অবস্থায় একটি লাল বিছানার চাদরের উপরে। ইতোমধ্যে আসামিদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি বিদেশী পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেন, কিন্তু বিছানার চাদরের উপরে থাকা রিভলবারের ছবি তদন্তকারী কর্মকর্তার মাথায় ঘুরতে থাকে, পরবর্তীতে চাক্কু সোহেলকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর সে জানায় যে, উক্ত রিভলবার পিস্তলটি জনৈক মোহাম্মদ রহিমের নিকট রয়েছে যিনি আন্ডার ওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড আবুল বাশার বাদশার একনিষ্ঠ সহযোগী, আবুল বাশার বাদশা বাড্ডা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সেক্রেটারি। রাজনৈতিক পরিচয় এর আড়ালে বাদশা এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অস্ত্রের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে, আর এই রহিম হচ্ছে বাদশার অস্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণকারী, পুলিশ ও নাছোড়বান্দা। সরকারি পুলিশ কমিশনার বাড্ডা জোন, জনাব রাজন কুমার বলেন, বাড্ডায় আন্ডার ওয়ার্ল্ড এর সন্ত্রাসীদের আধিপত্য গুঁড়িয়ে দিতে যা যা করা লাগবে পুলিশ তাই করবে, বাড্ডা থানার অফিসার ইনচার্জ সহ ঊর্ধ্বতন অফিসারদের দিকনির্দেশনায়, তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া সঙ্গীয় এসআই শাহ আলম খলিফা সহ এএসআই মোহাম্মদ রুহুল আমিন সহ প্রতিনিয়ত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে থাকেন। এক পর্যায়ে, চাক্কু সোহেলের তথ্যের ভিত্তিতে, এবং ছবির অস্ত্রটির বিছানার চাদরের সূত্র ধরে বহু প্রতীক্ষিত বিদেশি রিবোলবার টি চার রাউন্ড গুলি সহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় যে, আন্ডার ওয়ার্ল্ডের কুখ্যাত সন্ত্রাসী জিসান গ্রুপ, মেহেদী বা কলিন্স গ্রুপ, বহুল আলোচিত মিল্কি হত্যা মামলার আসামি চঞ্চল গ্রুপ, ডালিম রবিন গ্রুপ সহ আন্ডার ওয়ার্ল্ডের বহু গ্রুপ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি, অস্ত্র কেনাবেচা সহ নানান ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রমে লিপ্ত, জিসান গ্রুপের অনুসারী সহ চারজন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য বাড্ডা থানা কতৃক অস্ত্রগুলি সহ ধৃত হওয়ায় জনজীবনে স্বস্তি নেমে এসেছে। একাধিক সূত্রে জানা যায় যে, পূর্বের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত এরকম অনেক সন্ত্রাসী প্রকৃতির ব্যক্তিরা পুলিশের ভয়ে বাড্ডা থানা এলাকার ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছে। চলমান পুলিশ সপ্তাহ এরমধ্যে বাড্ডা থানার এরূপ সাফল্য সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

বাড্ডায় জোড়া অস্ত্র, গুলি উদ্ধার ও আন্ডারওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান গ্রুপের সদস্য গ্রেপ্তার!

আপডেট সময় ১০:২১:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বাড্ডায় জোড়া অস্ত্র, গুলি উদ্ধার ও আন্ডারওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান গ্রুপের সদস্য গ্রেপ্তার!
গত ১৮ ই ফেব্রুয়ারি আন্ডারওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান গ্রুপের অনুসারী আমজাদ হোসেন সোহেল ওরফে চাক্কু সোহেল সহ তিনজন, দস্যুতার চেষ্টা কালে চার রাউন্ড গুলি সহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়, তাদের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক দুটি মামলা হয় একটি দসূ্্যতার চেষ্টা মামলা ও একটি অস্ত্র আইনের মামলা। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, আসামিদের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন, রিমান্ডে আনার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসা বাদ করেন এবং চাক্কু সোহেলের মোবাইলে একটি অস্ত্রের ছবি দেখতে পান, এই ছবিটিকে কেন্দ্র করে তার তদন্ত রূপনােয় অস্ত্র উদ্ধারে অভিযানে। ছবিতে দেখা যায় একটি বিদেশি রিবলবার একটি হাতে ধরা অবস্থায় একটি লাল বিছানার চাদরের উপরে। ইতোমধ্যে আসামিদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি বিদেশী পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেন, কিন্তু বিছানার চাদরের উপরে থাকা রিভলবারের ছবি তদন্তকারী কর্মকর্তার মাথায় ঘুরতে থাকে, পরবর্তীতে চাক্কু সোহেলকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর সে জানায় যে, উক্ত রিভলবার পিস্তলটি জনৈক মোহাম্মদ রহিমের নিকট রয়েছে যিনি আন্ডার ওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড আবুল বাশার বাদশার একনিষ্ঠ সহযোগী, আবুল বাশার বাদশা বাড্ডা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সেক্রেটারি। রাজনৈতিক পরিচয় এর আড়ালে বাদশা এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অস্ত্রের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে, আর এই রহিম হচ্ছে বাদশার অস্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণকারী, পুলিশ ও নাছোড়বান্দা। সরকারি পুলিশ কমিশনার বাড্ডা জোন, জনাব রাজন কুমার বলেন, বাড্ডায় আন্ডার ওয়ার্ল্ড এর সন্ত্রাসীদের আধিপত্য গুঁড়িয়ে দিতে যা যা করা লাগবে পুলিশ তাই করবে, বাড্ডা থানার অফিসার ইনচার্জ সহ ঊর্ধ্বতন অফিসারদের দিকনির্দেশনায়, তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া সঙ্গীয় এসআই শাহ আলম খলিফা সহ এএসআই মোহাম্মদ রুহুল আমিন সহ প্রতিনিয়ত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে থাকেন। এক পর্যায়ে, চাক্কু সোহেলের তথ্যের ভিত্তিতে, এবং ছবির অস্ত্রটির বিছানার চাদরের সূত্র ধরে বহু প্রতীক্ষিত বিদেশি রিবোলবার টি চার রাউন্ড গুলি সহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় যে, আন্ডার ওয়ার্ল্ডের কুখ্যাত সন্ত্রাসী জিসান গ্রুপ, মেহেদী বা কলিন্স গ্রুপ, বহুল আলোচিত মিল্কি হত্যা মামলার আসামি চঞ্চল গ্রুপ, ডালিম রবিন গ্রুপ সহ আন্ডার ওয়ার্ল্ডের বহু গ্রুপ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি, অস্ত্র কেনাবেচা সহ নানান ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রমে লিপ্ত, জিসান গ্রুপের অনুসারী সহ চারজন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য বাড্ডা থানা কতৃক অস্ত্রগুলি সহ ধৃত হওয়ায় জনজীবনে স্বস্তি নেমে এসেছে। একাধিক সূত্রে জানা যায় যে, পূর্বের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত এরকম অনেক সন্ত্রাসী প্রকৃতির ব্যক্তিরা পুলিশের ভয়ে বাড্ডা থানা এলাকার ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছে। চলমান পুলিশ সপ্তাহ এরমধ্যে বাড্ডা থানার এরূপ সাফল্য সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।