ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী অনেককেই এখন চেনেন না ইলিয়াস কাঞ্চন, মনেও রাখতে পারেন না কেউ যদি আমাকে গালি দেয় তাহলে আমার গুনাহ মাফ হবে: জামায়াত আমির  তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে : তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে: ডা. জুবাইদা রহমান পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর ‘সাংবাদিকের লেখায় কিছু যায় আসে না!’ বোরহানউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেতন-টিএ-ডিএ নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি শরীয়তপুরে কু’প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণীকে চুরির অপবাদে নি’র্যা’তন, গ্রে’প্তার ২ কুমিল্লায় মোহনা টেলিভিশন অফিসে লুট: দুই আসামি গ্রেপ্তার সোনামসজিদ বন্দরে অবকাঠামো সংকট ব্যবসায়ীদের ক্ষতি, সরকারের দৃষ্টি কামনা” আব্দুল ওয়াহেদর

নেত্রকোনায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর অনুসারী হত্যা মামলায় গ্রেফতার আরও ২

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনপরবর্তী সহিংসতায় নেত্রকোনা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) আসনের বিজয়ী স্বতন্ত্র ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী ইফতিকার উদ্দিন তালুকদার পিন্টুর অনুসারী নূরুল আমিন হত্যা মামলায় আরও দুইজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হচ্ছেন- আটপাড়া উপজেলার দেওগাঁও গ্রামের ইসলাম উদ্দিন ও রোকসানা বেগম।

পার্শ্ববর্তী জেলা সুনামগঞ্জ শহর থেকে শনিবার গভীর রাতে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। গতকাল রোববার সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠায় পুলিশ। আটপাড়া আমলি আদালতের বিচারক তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে ওই রাতে নেত্রকোনা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) আসনে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী ইফতিকার উদ্দিন তালুকদার পিন্টুর সমর্থকরা আটপাড়া উপজেলার দেওগাঁও বাজারে বিজয় মিছিল বের করেন। এ সময় পরাজিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অসীম কুমার উকিলের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মিছিলে হামলা চালায়।

এতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক দেওগাঁও গ্রামের কাজিম উদ্দিনের ছেলে নূরুল আমিনসহ অন্তত ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত নূরুল আমিনকে আটপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরদিন ৮ জানুয়ারি সোমবার নূরুল আমিন মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই সোহাগ হাসান বাদী হয়ে মৃত্যুর দুই দিন পর বুধবার রাতে লুনেশ্বর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান, যুবলীগ নেতা জুনায়েদ, সাখাওয়াত হোসেন বারীসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৭-৮ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আটপাড়া থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার আসামি সাখাওয়াত হোসেনকে পুলিশ বুধবার রাতেই গ্রেফতার করেছে। মামলার অন্য আসামিরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাত ১২টার দিকে পার্শ্ববর্তী সুনামগঞ্জ জেলা শহর থেকে হত্যা মামলার আসামি ইসলাম উদ্দিন ও রোকসানা বেগমকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

আটপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তাওহীদুর রহমান বলেন, নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় হত্যা মামলার ২ আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চলছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

নেত্রকোনায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর অনুসারী হত্যা মামলায় গ্রেফতার আরও ২

আপডেট সময় ০৮:৩০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনপরবর্তী সহিংসতায় নেত্রকোনা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) আসনের বিজয়ী স্বতন্ত্র ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী ইফতিকার উদ্দিন তালুকদার পিন্টুর অনুসারী নূরুল আমিন হত্যা মামলায় আরও দুইজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হচ্ছেন- আটপাড়া উপজেলার দেওগাঁও গ্রামের ইসলাম উদ্দিন ও রোকসানা বেগম।

পার্শ্ববর্তী জেলা সুনামগঞ্জ শহর থেকে শনিবার গভীর রাতে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। গতকাল রোববার সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠায় পুলিশ। আটপাড়া আমলি আদালতের বিচারক তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে ওই রাতে নেত্রকোনা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) আসনে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী ইফতিকার উদ্দিন তালুকদার পিন্টুর সমর্থকরা আটপাড়া উপজেলার দেওগাঁও বাজারে বিজয় মিছিল বের করেন। এ সময় পরাজিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অসীম কুমার উকিলের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মিছিলে হামলা চালায়।

এতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক দেওগাঁও গ্রামের কাজিম উদ্দিনের ছেলে নূরুল আমিনসহ অন্তত ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত নূরুল আমিনকে আটপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরদিন ৮ জানুয়ারি সোমবার নূরুল আমিন মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই সোহাগ হাসান বাদী হয়ে মৃত্যুর দুই দিন পর বুধবার রাতে লুনেশ্বর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান, যুবলীগ নেতা জুনায়েদ, সাখাওয়াত হোসেন বারীসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৭-৮ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আটপাড়া থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার আসামি সাখাওয়াত হোসেনকে পুলিশ বুধবার রাতেই গ্রেফতার করেছে। মামলার অন্য আসামিরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাত ১২টার দিকে পার্শ্ববর্তী সুনামগঞ্জ জেলা শহর থেকে হত্যা মামলার আসামি ইসলাম উদ্দিন ও রোকসানা বেগমকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

আটপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তাওহীদুর রহমান বলেন, নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় হত্যা মামলার ২ আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চলছে।