ঢাকা ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী অনেককেই এখন চেনেন না ইলিয়াস কাঞ্চন, মনেও রাখতে পারেন না কেউ যদি আমাকে গালি দেয় তাহলে আমার গুনাহ মাফ হবে: জামায়াত আমির  তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে : তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে: ডা. জুবাইদা রহমান পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর ‘সাংবাদিকের লেখায় কিছু যায় আসে না!’ বোরহানউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেতন-টিএ-ডিএ নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের দাবি শরীয়তপুরে কু’প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণীকে চুরির অপবাদে নি’র্যা’তন, গ্রে’প্তার ২ কুমিল্লায় মোহনা টেলিভিশন অফিসে লুট: দুই আসামি গ্রেপ্তার সোনামসজিদ বন্দরে অবকাঠামো সংকট ব্যবসায়ীদের ক্ষতি, সরকারের দৃষ্টি কামনা” আব্দুল ওয়াহেদর

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে রাসিক মেয়রের বাণী

১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে বাণী দিয়েছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।
বাণীতে রাসিক মেয়র বলেন, ১৯৭২ এর ১০ জানুয়ারি বাঙালির জীবনে একটি ঐতিহাসিক দিন। মহান স্বাধীনতার ¯’প্রতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। বাঙালি জাতির হাজার বছরের পরাধীনতার গ্লানিময় অন্ধকার ইতিহাস থেকে এক আলোকিত জয়যাত্রার মাহেন্দ্রক্ষণ এই দিনটি।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সম্মোহনী নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ বাঙালি জাতি ঔপনিবেশিক শাসক গোষ্ঠীর শোষণ থেকে শৃঙ্খলমুক্তির লক্ষ্যে স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে নয় মাসের সশস্ত্র রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করে। জাতির পিতা রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠসহচর জাতীয় চার নেতা শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, শহীদ এম মনসুর আলী, শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান এঁর প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে, ৩০ লক্ষ শহীদের প্রাণের বিনিময়ে এবং ২ লক্ষ সম্ভ্রমহারা জননীর আত্মত্যাগের মাধ্যমে প্রিয় মাতৃভূমি শত্রুমুক্ত হয়। প্রকৃতপক্ষে, পরাজিত পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী বাঙালির বীরোচিত বিজয় ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মহান এই নেতাকে কারামুক্ত করতে বাধ্য হয়। আজকের এই দিনে স্বাধীন মাতৃভূমিতে বঙ্গবন্ধু ‘উন্নত শিরে’ ফিরে আসেন। সেই সময়ের সাড়ে সাতকোটি বাঙালির কাছে এইদিনটি আবেগ অনুভূতির ও আনন্দ-বেদনার এক গর্বিত দিন।
স্বদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছিলেন, বাঙালি আজ সত্যিকারের স্বাধীন জাতি। আমরা উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তুলবো। স্বাধীনতা সংগ্রামের মতো আমরা অর্থনৈতিক মুক্তি সংগ্রামে বিজয় অর্জন করবো। সেই আকাক্সক্ষা থেকে জাতির পিতার কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতি ক্রমাগত খ্যাতির শিখরে আরোহণ করে চলেছে। বঙ্গবন্ধু যে অন্ধকার থেকে বাঙালিকে মুক্তি দিয়ে আলোকের যাত্রী করেছিলেন-সেই আলোর নিশানা নিয়ে বাঙালি ও বাংলাদেশ আরও সমৃদ্ধির যাত্রা অব্যাহত রেখেছে।
আমি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে তাঁর লালিত স্বপ্ন সোনার বাংলা বিনির্মাণে সকলকে অংশগ্রহণের আহবান জানিয়ে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতাসহ সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে রাসিক মেয়রের বাণী

আপডেট সময় ০১:২৮:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৪

১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে বাণী দিয়েছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।
বাণীতে রাসিক মেয়র বলেন, ১৯৭২ এর ১০ জানুয়ারি বাঙালির জীবনে একটি ঐতিহাসিক দিন। মহান স্বাধীনতার ¯’প্রতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। বাঙালি জাতির হাজার বছরের পরাধীনতার গ্লানিময় অন্ধকার ইতিহাস থেকে এক আলোকিত জয়যাত্রার মাহেন্দ্রক্ষণ এই দিনটি।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সম্মোহনী নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ বাঙালি জাতি ঔপনিবেশিক শাসক গোষ্ঠীর শোষণ থেকে শৃঙ্খলমুক্তির লক্ষ্যে স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে নয় মাসের সশস্ত্র রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করে। জাতির পিতা রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠসহচর জাতীয় চার নেতা শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, শহীদ এম মনসুর আলী, শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান এঁর প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে, ৩০ লক্ষ শহীদের প্রাণের বিনিময়ে এবং ২ লক্ষ সম্ভ্রমহারা জননীর আত্মত্যাগের মাধ্যমে প্রিয় মাতৃভূমি শত্রুমুক্ত হয়। প্রকৃতপক্ষে, পরাজিত পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী বাঙালির বীরোচিত বিজয় ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মহান এই নেতাকে কারামুক্ত করতে বাধ্য হয়। আজকের এই দিনে স্বাধীন মাতৃভূমিতে বঙ্গবন্ধু ‘উন্নত শিরে’ ফিরে আসেন। সেই সময়ের সাড়ে সাতকোটি বাঙালির কাছে এইদিনটি আবেগ অনুভূতির ও আনন্দ-বেদনার এক গর্বিত দিন।
স্বদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছিলেন, বাঙালি আজ সত্যিকারের স্বাধীন জাতি। আমরা উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তুলবো। স্বাধীনতা সংগ্রামের মতো আমরা অর্থনৈতিক মুক্তি সংগ্রামে বিজয় অর্জন করবো। সেই আকাক্সক্ষা থেকে জাতির পিতার কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতি ক্রমাগত খ্যাতির শিখরে আরোহণ করে চলেছে। বঙ্গবন্ধু যে অন্ধকার থেকে বাঙালিকে মুক্তি দিয়ে আলোকের যাত্রী করেছিলেন-সেই আলোর নিশানা নিয়ে বাঙালি ও বাংলাদেশ আরও সমৃদ্ধির যাত্রা অব্যাহত রেখেছে।
আমি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে তাঁর লালিত স্বপ্ন সোনার বাংলা বিনির্মাণে সকলকে অংশগ্রহণের আহবান জানিয়ে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতাসহ সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।