ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সব ধ্বংস করে গেছে ফ্যাসিবাদী সরকার, এখন পুনর্গঠনের পালা: প্রধানমন্ত্রী শিশুশ্রম, বাল্যবিবাহ ও ড্রপআউটমুক্ত রামপাল গঠনে সাংবাদিকদের অঙ্গীকারনামা স্বাক্ষর বড়লেখা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত মুকসুদপুরে ৯২টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস চাঁপাইনবাবগঞ্জে আদালতে হামলার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি এসএসসিতে চমক রংপুরের জানপুর মুন্সির হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের নীলফামারীর সৈয়দপুরে দুদক মামলার আসামিই এখন তদন্ত কর্মকর্তা ফুলবাড়ীয়ায় পুকুর প্রকল্পে বিস্তর অনিয়মের অভিযোগ বেসিক ব্যাংকের ১৭৩ নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ রাজউক জোন-৪ পরিচালক সালেহ আহমেদ জাকারিয়াকে ঘিরে অনিয়ম-দুর্নীতি

মালয়েশিয়ায় ২৫২ বাংলাদেশি আটক

মালয়েশিয়ার বঙ্গসারের আবদুল্লাহ হুকুমের একটি অ্যাপার্টমেন্টে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অভিবাসন অপরাধের জন্য ২৫২ বাংলাদেশিসহ ৫৬৭ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে।

শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) কুয়ালালামপুরে ইমিগ্রেশন বিভাগ এই তথ্য জানায়।কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশনের পরিচালক স্যামসুল বদরিন মহশিন বলেন, এলাকাটিতে বিদেশিদের থাকার সম্পর্কে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে এক সপ্তাহ গোয়েন্দা নজরদারির পর শুক্রবার রাত ১১.১৫ মিনিটে শুরু হয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলে এই অভিযান । অভিযানের সময় এক হাজার বিদেশিদের কাগজ পত্র যাচাইয়ের জন্য আটক করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে বৈধ কাগজপত্র না থাকা সহ বিভিন্ন অভিবাসন অপরাধের জন্য ২৫২ জন বাংলাদেশি, ১৬৩ জন নেপালি, ৭৫ জন মায়ানমার নাগরিক, ৭২জন ইন্দোনেশিয়ান, চার ফিলিপিনো এবং একজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করে ইমিগ্রেশন বিভাগ।

তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে যে আটককৃত অবৈধ অভিবাসীরা প্রতি ফ্ল্যাটে আট থেকে ১০ জন বাস করতো। এমনকি অ্যাপার্টমেন্টের আশেপাশের শপিং সেন্টারসহ বিভিন্ন দোকান ও নির্মাণ সাইটে কাজ করতো বলে জানা যায়। ১৪ তলা অ্যাপার্টমেন্টটিতে ইমিগ্রেশনের ৮৫ জন কর্মকর্তা ও সদস্যদের সমন্বয়ে অভিযানটি পরিচালনা করা হয় । অভিযানটি করতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল। অভিযানের সময় বেশকিছু অভিবাসী ভবন থেকে লাফ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল এবং দরজা খুলতে অস্বীকার করেছিল। এ ছাড়া ইমিগ্রেশন সদস্যদের জোর করে দরজা ভেঙে ফেলতে হয়েছিল। আটক হওয়া অভিবাসীদের আরও তদন্তের জন্য বুকিত জলিলের অভিবাসন ডিপোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

অভিযানের পর ইমিগ্রেশনের পরিচালক সাংবাদিকদের বলেন, আটক অবৈধ অভিবাসীদের বুকিত জলিল ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর ধারা ৬(১)(সি) অনুসরণ করে তদন্ত করা হবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সব ধ্বংস করে গেছে ফ্যাসিবাদী সরকার, এখন পুনর্গঠনের পালা: প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়ায় ২৫২ বাংলাদেশি আটক

আপডেট সময় ০১:০১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩

মালয়েশিয়ার বঙ্গসারের আবদুল্লাহ হুকুমের একটি অ্যাপার্টমেন্টে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অভিবাসন অপরাধের জন্য ২৫২ বাংলাদেশিসহ ৫৬৭ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে।

শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) কুয়ালালামপুরে ইমিগ্রেশন বিভাগ এই তথ্য জানায়।কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশনের পরিচালক স্যামসুল বদরিন মহশিন বলেন, এলাকাটিতে বিদেশিদের থাকার সম্পর্কে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে এক সপ্তাহ গোয়েন্দা নজরদারির পর শুক্রবার রাত ১১.১৫ মিনিটে শুরু হয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলে এই অভিযান । অভিযানের সময় এক হাজার বিদেশিদের কাগজ পত্র যাচাইয়ের জন্য আটক করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে বৈধ কাগজপত্র না থাকা সহ বিভিন্ন অভিবাসন অপরাধের জন্য ২৫২ জন বাংলাদেশি, ১৬৩ জন নেপালি, ৭৫ জন মায়ানমার নাগরিক, ৭২জন ইন্দোনেশিয়ান, চার ফিলিপিনো এবং একজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করে ইমিগ্রেশন বিভাগ।

তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে যে আটককৃত অবৈধ অভিবাসীরা প্রতি ফ্ল্যাটে আট থেকে ১০ জন বাস করতো। এমনকি অ্যাপার্টমেন্টের আশেপাশের শপিং সেন্টারসহ বিভিন্ন দোকান ও নির্মাণ সাইটে কাজ করতো বলে জানা যায়। ১৪ তলা অ্যাপার্টমেন্টটিতে ইমিগ্রেশনের ৮৫ জন কর্মকর্তা ও সদস্যদের সমন্বয়ে অভিযানটি পরিচালনা করা হয় । অভিযানটি করতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল। অভিযানের সময় বেশকিছু অভিবাসী ভবন থেকে লাফ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল এবং দরজা খুলতে অস্বীকার করেছিল। এ ছাড়া ইমিগ্রেশন সদস্যদের জোর করে দরজা ভেঙে ফেলতে হয়েছিল। আটক হওয়া অভিবাসীদের আরও তদন্তের জন্য বুকিত জলিলের অভিবাসন ডিপোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

অভিযানের পর ইমিগ্রেশনের পরিচালক সাংবাদিকদের বলেন, আটক অবৈধ অভিবাসীদের বুকিত জলিল ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর ধারা ৬(১)(সি) অনুসরণ করে তদন্ত করা হবে।