ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সব ধ্বংস করে গেছে ফ্যাসিবাদী সরকার, এখন পুনর্গঠনের পালা: প্রধানমন্ত্রী শিশুশ্রম, বাল্যবিবাহ ও ড্রপআউটমুক্ত রামপাল গঠনে সাংবাদিকদের অঙ্গীকারনামা স্বাক্ষর বড়লেখা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত মুকসুদপুরে ৯২টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস চাঁপাইনবাবগঞ্জে আদালতে হামলার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে নুরুল ইসলাম বুলবুল এমপি এসএসসিতে চমক রংপুরের জানপুর মুন্সির হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের নীলফামারীর সৈয়দপুরে দুদক মামলার আসামিই এখন তদন্ত কর্মকর্তা ফুলবাড়ীয়ায় পুকুর প্রকল্পে বিস্তর অনিয়মের অভিযোগ বেসিক ব্যাংকের ১৭৩ নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ রাজউক জোন-৪ পরিচালক সালেহ আহমেদ জাকারিয়াকে ঘিরে অনিয়ম-দুর্নীতি

বোরহানউদ্দিনে সন্দেহের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত -যুবলীগ নেতা জসিম

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ০৬ নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা জসিম হাওলাদারকে সন্দেহের জেরে পিটিয়ে আহত করেন একই ইউনিয়ন এর নান্টু ডাকাত ও গিয়াসউদ্দিন। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে পদ্মা মনসা মিরা বাড়ীর পোল ঘোড়ায়।

এতে মারামারি করে উভয় গ্রুপ আহত হয়ে বোরহানউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন।

আহত জসিম হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন- অনেকদিন আগে নান্টু ডাকাতের ছেলেকে জ্বীন ব্যবসার কারণে প্রশাসন আটক করে, তাদের ধারণা আমি প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছি, সেই ক্ষোভে রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে মিরা বাড়ীর পোল ঘোড়ায় আমাকে একা পেয়ে নান্টু ও গিয়াসউদ্দিন দেশীয় দা দিয়ে আমার মাথায় ও হাতে কোপ দেয়,আমি মাটিতে পরে যাই। আমার ডাক-চিৎকার শুনে লোকজন এলে তারা পালিয়ে যায়।ঘটনাস্হল থেকে স্হানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে এনে ভর্তি করেন।মাথায় ৩টি সেলাই করা হয়,

এছাড়াও আমাকে পাষাণোর জন্য নান্টু ডাকাত নিজের শরীরে নিজেই আঘাত করে বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে এসে ভর্তি হন।

অভিযুক্ত নান্টুর স্ত্রী’র দাবী আমার ছেলেকে মিথ্যা জ্বীন বানিয়ে অনেক দিন আগে প্রশাসন দিয়ে ধরিয়ে দেন জসিম হাওলাদার,সেই বিষয় নিয়ে আমার স্বামীর সাথে কথার কাটাকাটির এক পর্যায়ে জসিম হাওলাদার ও তার লোকজন নিয়ে আমার স্বামীকে এলোপাতাড়ি মারধর ও জখম করেন। পরে লোক মারফত খবর পেয়ে মিরা বাড়ীর পোল ঘোড়ায় গিয়ে দেখি আমার স্বামী অজ্ঞান অবস্থায় মাটিতে পরে আছে, আমি ও আমার দেবর দ্রুত বোরহানউদ্দিন সরকারি হাসপাতালের ইমারজেন্সিতে এনে মাথায় ৩/৪ টি সোলাই করা হয়। জ্ঞান না ফেরায় কর্তব্যরত ডাক্তার ভোলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

বোরহানউদ্দিন থানার (ওসি) ইনচার্জ শাহীন ফকির বলেন- উভয় পক্ষের কেউ এখনও থানায় অভিযোগ করেনি, তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সব ধ্বংস করে গেছে ফ্যাসিবাদী সরকার, এখন পুনর্গঠনের পালা: প্রধানমন্ত্রী

বোরহানউদ্দিনে সন্দেহের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত -যুবলীগ নেতা জসিম

আপডেট সময় ১২:১৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ০৬ নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা জসিম হাওলাদারকে সন্দেহের জেরে পিটিয়ে আহত করেন একই ইউনিয়ন এর নান্টু ডাকাত ও গিয়াসউদ্দিন। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে পদ্মা মনসা মিরা বাড়ীর পোল ঘোড়ায়।

এতে মারামারি করে উভয় গ্রুপ আহত হয়ে বোরহানউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন।

আহত জসিম হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন- অনেকদিন আগে নান্টু ডাকাতের ছেলেকে জ্বীন ব্যবসার কারণে প্রশাসন আটক করে, তাদের ধারণা আমি প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছি, সেই ক্ষোভে রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে মিরা বাড়ীর পোল ঘোড়ায় আমাকে একা পেয়ে নান্টু ও গিয়াসউদ্দিন দেশীয় দা দিয়ে আমার মাথায় ও হাতে কোপ দেয়,আমি মাটিতে পরে যাই। আমার ডাক-চিৎকার শুনে লোকজন এলে তারা পালিয়ে যায়।ঘটনাস্হল থেকে স্হানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে এনে ভর্তি করেন।মাথায় ৩টি সেলাই করা হয়,

এছাড়াও আমাকে পাষাণোর জন্য নান্টু ডাকাত নিজের শরীরে নিজেই আঘাত করে বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে এসে ভর্তি হন।

অভিযুক্ত নান্টুর স্ত্রী’র দাবী আমার ছেলেকে মিথ্যা জ্বীন বানিয়ে অনেক দিন আগে প্রশাসন দিয়ে ধরিয়ে দেন জসিম হাওলাদার,সেই বিষয় নিয়ে আমার স্বামীর সাথে কথার কাটাকাটির এক পর্যায়ে জসিম হাওলাদার ও তার লোকজন নিয়ে আমার স্বামীকে এলোপাতাড়ি মারধর ও জখম করেন। পরে লোক মারফত খবর পেয়ে মিরা বাড়ীর পোল ঘোড়ায় গিয়ে দেখি আমার স্বামী অজ্ঞান অবস্থায় মাটিতে পরে আছে, আমি ও আমার দেবর দ্রুত বোরহানউদ্দিন সরকারি হাসপাতালের ইমারজেন্সিতে এনে মাথায় ৩/৪ টি সোলাই করা হয়। জ্ঞান না ফেরায় কর্তব্যরত ডাক্তার ভোলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

বোরহানউদ্দিন থানার (ওসি) ইনচার্জ শাহীন ফকির বলেন- উভয় পক্ষের কেউ এখনও থানায় অভিযোগ করেনি, তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।