ঢাকা ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অফিস কক্ষের আলমারি ভেঙে নগদ অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণ নথি লুট এম এ কাসেমের শতকোটি টাকার অনিয়ম সাউথইস্ট ব্যাংক চেয়ারম্যান ও ভাগ্নি জামাইর দূর্নীতি মিঠাপুকুরে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু, ৬ ঘণ্টা পর লাশ উদ্ধার সিএমপি’র আকবরশাহ থানার অভিযানে ১২০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ভালুকায় ইউএনও’র বিরুদ্ধে অসহযোগিতা ও অনিয়মের অভিযোগ লামায় রাতের আধাঁরে জোরপূর্বক মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে যাকে নিয়ে চলছে দুদকের তদন্ত, তিনিই পেলেন বিমানের বড় পদ প্রধান প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলামের সিন্ডিকেটে জিম্মি নৌপথ গণপূর্তের লাইসেন্স শাখায় চলছে বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্য

মেকআপের প্রসাধনীতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি!

মেকআপ নারীর সাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মেকআপ যেমন নারীর সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে, তেমনি এর ক্ষতিকর দিকও রয়েছে- যদি ত্বকের ধরন অনুযায়ী সঠিক প্রসাধনী ব্যবহার না করা যায়। কারণ বাজারে চলতি প্রসাধনীতে মেশানো থাকে কিছু না কিছু রাসায়নিক, যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক।

ত্বক ভীষণ সংবেদনশীল। আর তাই ত্বকে কোনো কিছু ব্যবহারের আগে তার সম্বন্ধে অবশ্যই জেনে রাখা প্রয়োজন।যেমন ফাউন্ডেশন এবং মাসকারার মতো মেকআপ যেগুলো নারীরা ব্যবহার করেন, সেগুলো নিরাপদই মনে করা হয়। কিন্তু বাস্তবে এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। যার মধ্যে স্তন ক্যান্সার, ইনফেকশন, ব্রণ ও বন্ধ্যত্বের মতো স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।

প্রথমত মেকআপে ‘প্যারাবেন’ নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেমিক্যালের উপস্থিতি পাওয়া যায়৷ দ্বিতীয়ত ‘ফালেটস’-এর উপস্থিতি অসংখ্য স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

প্যারাবেন যা মাসকারা এবং মেকআপে পাওয়া যায়। ভেতরে ব্যাক্টিরিয়ার বেড়ে ওঠা আটকাতে, এটি নারীদের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে ভূমিকা রাখে।

প্যারাবেন ছাড়াও ডিইপি (ডাইথেল ফালেটস) বন্ধ্যত্ব সৃষ্টিতে জড়িত এবং এটি গর্ভবতীকালীন সময়ে শিশুর বেড়ে ওঠায় প্রভাব ফেলে। ফলে আমরা মেকআপ সাবধানতার সঙ্গে এবং কম ব্যবহারের জন্য বলি৷

তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে আমাদের মেকাপ পরিবর্তন করা জরুরি, যেটি কঠিন। তাই আমার উপদেশ সঠিক মেকআপ বাঁছাইয়ে ত্বক বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলাপ করে নিন।

অতিরিক্ত মেকআপ ব্যবহার করলে কী হয়?

মেকআপে কেমিক্যাল থাকে। কিছুতে কম এবং কিছুতে বেশি। মেকআপ নেওয়া সমস্যা নয়। অতিরিক্ত এবং লম্বা সময়ের (৫ ঘণ্টার বেশি) জন্য এবং প্রতিদিন মেকআপ নেওয়া পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। যেমন- লোমকূপ, ব্রণ, লোমকূপ বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং অনুজ্জ্বল ত্বকের মতো সমস্যা দেখা দেয়।

মেকআপ কি ত্বকের বয়স বাড়িয়ে দেয়?

হ্যাঁ, মেকআপের কারণে আমাদের বয়স্ক দেখা যেতে পারে। এর কারণে অকাল বার্ধক্য ঘটতে পারে। অতিরিক্ত মেকআপ ব্যবহারের কারণে ত্বকের গুণও হারিয়ে যেতে পারে। ত্বক শুষ্ক, সংবেদনশীল এবং লাবণ্যহীন দেখা যায়। এ কারণে ত্বকের ধরন অনুযায়ী মেকআপ বাছাইয়ে সব সময় একজন ত্বক বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।

তাই স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্যারাবেনবিহীন এবং গ্লুটেনবিহীন প্রসাধনী অপরিহার্য। কারণ উজ্জ্বল ত্বক বলতে কিছু না, গ্লাস ত্বকই (মসৃণ, কোমল ও দাগহীন) আসল।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অফিস কক্ষের আলমারি ভেঙে নগদ অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণ নথি লুট

মেকআপের প্রসাধনীতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি!

আপডেট সময় ১০:০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর ২০২২

মেকআপ নারীর সাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মেকআপ যেমন নারীর সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে, তেমনি এর ক্ষতিকর দিকও রয়েছে- যদি ত্বকের ধরন অনুযায়ী সঠিক প্রসাধনী ব্যবহার না করা যায়। কারণ বাজারে চলতি প্রসাধনীতে মেশানো থাকে কিছু না কিছু রাসায়নিক, যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক।

ত্বক ভীষণ সংবেদনশীল। আর তাই ত্বকে কোনো কিছু ব্যবহারের আগে তার সম্বন্ধে অবশ্যই জেনে রাখা প্রয়োজন।যেমন ফাউন্ডেশন এবং মাসকারার মতো মেকআপ যেগুলো নারীরা ব্যবহার করেন, সেগুলো নিরাপদই মনে করা হয়। কিন্তু বাস্তবে এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। যার মধ্যে স্তন ক্যান্সার, ইনফেকশন, ব্রণ ও বন্ধ্যত্বের মতো স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।

প্রথমত মেকআপে ‘প্যারাবেন’ নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেমিক্যালের উপস্থিতি পাওয়া যায়৷ দ্বিতীয়ত ‘ফালেটস’-এর উপস্থিতি অসংখ্য স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

প্যারাবেন যা মাসকারা এবং মেকআপে পাওয়া যায়। ভেতরে ব্যাক্টিরিয়ার বেড়ে ওঠা আটকাতে, এটি নারীদের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে ভূমিকা রাখে।

প্যারাবেন ছাড়াও ডিইপি (ডাইথেল ফালেটস) বন্ধ্যত্ব সৃষ্টিতে জড়িত এবং এটি গর্ভবতীকালীন সময়ে শিশুর বেড়ে ওঠায় প্রভাব ফেলে। ফলে আমরা মেকআপ সাবধানতার সঙ্গে এবং কম ব্যবহারের জন্য বলি৷

তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে আমাদের মেকাপ পরিবর্তন করা জরুরি, যেটি কঠিন। তাই আমার উপদেশ সঠিক মেকআপ বাঁছাইয়ে ত্বক বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলাপ করে নিন।

অতিরিক্ত মেকআপ ব্যবহার করলে কী হয়?

মেকআপে কেমিক্যাল থাকে। কিছুতে কম এবং কিছুতে বেশি। মেকআপ নেওয়া সমস্যা নয়। অতিরিক্ত এবং লম্বা সময়ের (৫ ঘণ্টার বেশি) জন্য এবং প্রতিদিন মেকআপ নেওয়া পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। যেমন- লোমকূপ, ব্রণ, লোমকূপ বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং অনুজ্জ্বল ত্বকের মতো সমস্যা দেখা দেয়।

মেকআপ কি ত্বকের বয়স বাড়িয়ে দেয়?

হ্যাঁ, মেকআপের কারণে আমাদের বয়স্ক দেখা যেতে পারে। এর কারণে অকাল বার্ধক্য ঘটতে পারে। অতিরিক্ত মেকআপ ব্যবহারের কারণে ত্বকের গুণও হারিয়ে যেতে পারে। ত্বক শুষ্ক, সংবেদনশীল এবং লাবণ্যহীন দেখা যায়। এ কারণে ত্বকের ধরন অনুযায়ী মেকআপ বাছাইয়ে সব সময় একজন ত্বক বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।

তাই স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্যারাবেনবিহীন এবং গ্লুটেনবিহীন প্রসাধনী অপরিহার্য। কারণ উজ্জ্বল ত্বক বলতে কিছু না, গ্লাস ত্বকই (মসৃণ, কোমল ও দাগহীন) আসল।