ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদেরকে নজরদারিতে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডেমরায় বাড়ি থেকে ২ বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার জাপানে ভারি বৃষ্টিতে ৮ জনের মৃত্যু, টোকিও বিমানবন্দরে আটকা হাজারো যাত্রী মোংলা নদীতে দশম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণ হবে : নৌপরিবহনমন্ত্রী যারা পালিয়ে যায়, তার আর দেশে ফিরতে পারে না: রিজভী শিক্ষার মানোন্নয়ন সভায় শিক্ষকদেরই ঠাঁই হলো না মঞ্চে; কালিহাতীতে তীব্র ক্ষোভ বিদ্যুৎ-গ্যাসের সমস্যা সমাধানে অন্তত দুই বছর লাগবে : অর্থমন্ত্রী বংশালে হেলমেটের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট অনার্স পর্যন্ত নারীদের ফ্রিতে পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হবে : প্রধানমন্ত্রী মুক্তিপণ দিয়েও মেলেনি মুক্তি, ফরিদপুরে শিকলবন্দি নিলয় উদ্ধার; গ্রেফতার- ৩

দৃষ্টিনন্দন করে বানাতে ভাঙা হচ্ছে গল্লামারী সেতু

খুলনা: খুলনা শহরের প্রবেশদ্বার গল্লামারী এলাকায় ময়ূর নদের ওপর পাশাপাশি থাকা নতুন ও পুরোনো দুটি সেতু ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সড়ক বিভাগ।

এই দুটি সেতু ভেঙে রাজধানীর হাতিরঝিলের আদলে দৃষ্টিনন্দন নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছে ওই বিভাগ।

 

সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানান, প্রথমে বেশি পুরোনো সেতুটি ভেঙে সেখানে নতুন একটি সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হবে। এটির কাজ শেষ হলে পাশাপাশি থাকা অপর সেতুটি ভেঙে নতুন আরেকটি সেতু নির্মাণ করা হবে। যে কারণে ইতোমধ্যে পুরানো সেতুর ওপর দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে দৃষ্টিনন্দন নতুন সেতু নির্মাণকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।

সম্মানিত অতিথি থাকবেন খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) শেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল ও খুলনা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক।

সভাপতিত্ব করবেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. হেলাল মাহমুদ শরীফ।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী আনিসুজ্জামান মাসুদ জানান, হাতিরঝিলের আদলে দৃষ্টিনন্দন স্টিল আর্চ ডিজাইনের সেতু দুটির প্রতিটির দৈর্ঘ্য হবে ৬৮ দশমিক ৭০ মিটার ও প্রস্থ ১৩ দশমিক ৭০ মিটার। সেতু দুটি নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ৬৮ কোটি টাকা। নদীর পানির সীমা থেকে সেতুর উচ্চতা হবে ৫ মিটার।

সড়ক ও জনপথ সূত্রে জানা যায়, যানবাহনের চাপ বাড়ায় খুলনা মহানগরের প্রবেশদ্বার ময়ূর নদের ওপর থাকা ব্রিটিশ আমলের একটি সেতুর পাশে ২০১৬ সালে আরেকটি নতুন সেতু নির্মাণ করা হয়। দ্বিতীয় সেতুটি নির্মাণের পর থেকেই পানির স্তর থেকে সেতুটির উচ্চতা নিয়ে শঙ্কা দেখা দেয়। পাশাপাশি খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করার কাজ শুরু হলে দুটি সেতুই ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদেরকে নজরদারিতে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দৃষ্টিনন্দন করে বানাতে ভাঙা হচ্ছে গল্লামারী সেতু

আপডেট সময় ০১:৫৪:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৩

খুলনা: খুলনা শহরের প্রবেশদ্বার গল্লামারী এলাকায় ময়ূর নদের ওপর পাশাপাশি থাকা নতুন ও পুরোনো দুটি সেতু ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সড়ক বিভাগ।

এই দুটি সেতু ভেঙে রাজধানীর হাতিরঝিলের আদলে দৃষ্টিনন্দন নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছে ওই বিভাগ।

 

সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানান, প্রথমে বেশি পুরোনো সেতুটি ভেঙে সেখানে নতুন একটি সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হবে। এটির কাজ শেষ হলে পাশাপাশি থাকা অপর সেতুটি ভেঙে নতুন আরেকটি সেতু নির্মাণ করা হবে। যে কারণে ইতোমধ্যে পুরানো সেতুর ওপর দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে দৃষ্টিনন্দন নতুন সেতু নির্মাণকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।

সম্মানিত অতিথি থাকবেন খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) শেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল ও খুলনা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক।

সভাপতিত্ব করবেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. হেলাল মাহমুদ শরীফ।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী আনিসুজ্জামান মাসুদ জানান, হাতিরঝিলের আদলে দৃষ্টিনন্দন স্টিল আর্চ ডিজাইনের সেতু দুটির প্রতিটির দৈর্ঘ্য হবে ৬৮ দশমিক ৭০ মিটার ও প্রস্থ ১৩ দশমিক ৭০ মিটার। সেতু দুটি নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ৬৮ কোটি টাকা। নদীর পানির সীমা থেকে সেতুর উচ্চতা হবে ৫ মিটার।

সড়ক ও জনপথ সূত্রে জানা যায়, যানবাহনের চাপ বাড়ায় খুলনা মহানগরের প্রবেশদ্বার ময়ূর নদের ওপর থাকা ব্রিটিশ আমলের একটি সেতুর পাশে ২০১৬ সালে আরেকটি নতুন সেতু নির্মাণ করা হয়। দ্বিতীয় সেতুটি নির্মাণের পর থেকেই পানির স্তর থেকে সেতুটির উচ্চতা নিয়ে শঙ্কা দেখা দেয়। পাশাপাশি খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করার কাজ শুরু হলে দুটি সেতুই ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।