ঢাকা ০৫:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাফল্যের সুতোয় স্বপ্ন বুনে বিশ্বজয়ের পথে উইন্ডি গ্রুপ যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদেরকে নজরদারিতে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডেমরায় বাড়ি থেকে ২ বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার জাপানে ভারি বৃষ্টিতে ৮ জনের মৃত্যু, টোকিও বিমানবন্দরে আটকা হাজারো যাত্রী মোংলা নদীতে দশম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণ হবে : নৌপরিবহনমন্ত্রী যারা পালিয়ে যায়, তার আর দেশে ফিরতে পারে না: রিজভী শিক্ষার মানোন্নয়ন সভায় শিক্ষকদেরই ঠাঁই হলো না মঞ্চে; কালিহাতীতে তীব্র ক্ষোভ বিদ্যুৎ-গ্যাসের সমস্যা সমাধানে অন্তত দুই বছর লাগবে : অর্থমন্ত্রী বংশালে হেলমেটের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট অনার্স পর্যন্ত নারীদের ফ্রিতে পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

শেরপুরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, প্রতারক গ্রেফতার

শেরপুরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তার ভুয়া পরিচয়ে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে প্রতারণা করার অভিযোগে মো. কামরুল হাসান (৩৮) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার কামরুল নকলা উপজেলার চকজানকিপুর পাটাকাটা গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার বিকেলে সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের কানাশাখোলা বাজার এলাকা থেকে সদর থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। আজ রোববার বিকেলে তাঁকে শেরপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

এদিকে এ প্রতারণার ঘটনার খবর পেয়ে শেরপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা রোববার দুপুরে কানাশাখোলা বাজারে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ফায়ার সার্ভিসের ভুয়া পরিচয়দানকারী প্রতারকদের থেকে সাবধান থাকতে পরামর্শ দেন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে কামরুল হাসান সদর উপজেলার কানাশাখোলা বাজারে মেসার্স আয়াত ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড গ্যাস হাউসে গিয়ে নিজেকে ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা বলে পরিচয় দিয়ে ম্যানেজার মো. নাজমুলকে ফায়ার লাইসেন্স দেখতে বলেন। ম্যানেজার নাজমুল ফায়ার লাইসেন্সটি দেখালে কামরুল মূল লাইসেন্সটি হাতে নিয়ে এটি নবায়ন করে দেওয়ার কথা বলে নাজমুলের নিকট থেকে ৯০০ টাকা গ্রহণ করেন।

এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. আ. রহিম রনি তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসেন। এ সময় কামরুলের কথাবার্তায় সন্দেহ হলে শেরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালককে ফোন দেন। এ সময় কামরুল হাসান নামে শেরপুর ফায়ার সার্ভিসে কোন কর্মকর্তা নেই বলে জানান তিনি।

প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে কানাশাখোলা বাজারের লোকজন কামরুল হাসানকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাঁকে গ্রেপ্তার করেন।

এবিষয়ে সদর থানার এস আই মো. কামরুল হাসান বলেন, “এ ঘটনায় ব্যবসায়ী মো. আ. রহিম রনি গ্রেপ্তার কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে সদর থানায় মামলা করেছেন। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার কামরুল প্রতারণার অভিযোগ স্বীকার করেছেন। তাঁকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাফল্যের সুতোয় স্বপ্ন বুনে বিশ্বজয়ের পথে উইন্ডি গ্রুপ

শেরপুরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, প্রতারক গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৭:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৩

শেরপুরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তার ভুয়া পরিচয়ে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে প্রতারণা করার অভিযোগে মো. কামরুল হাসান (৩৮) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার কামরুল নকলা উপজেলার চকজানকিপুর পাটাকাটা গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার বিকেলে সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের কানাশাখোলা বাজার এলাকা থেকে সদর থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। আজ রোববার বিকেলে তাঁকে শেরপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

এদিকে এ প্রতারণার ঘটনার খবর পেয়ে শেরপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা রোববার দুপুরে কানাশাখোলা বাজারে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ফায়ার সার্ভিসের ভুয়া পরিচয়দানকারী প্রতারকদের থেকে সাবধান থাকতে পরামর্শ দেন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে কামরুল হাসান সদর উপজেলার কানাশাখোলা বাজারে মেসার্স আয়াত ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড গ্যাস হাউসে গিয়ে নিজেকে ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা বলে পরিচয় দিয়ে ম্যানেজার মো. নাজমুলকে ফায়ার লাইসেন্স দেখতে বলেন। ম্যানেজার নাজমুল ফায়ার লাইসেন্সটি দেখালে কামরুল মূল লাইসেন্সটি হাতে নিয়ে এটি নবায়ন করে দেওয়ার কথা বলে নাজমুলের নিকট থেকে ৯০০ টাকা গ্রহণ করেন।

এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. আ. রহিম রনি তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসেন। এ সময় কামরুলের কথাবার্তায় সন্দেহ হলে শেরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালককে ফোন দেন। এ সময় কামরুল হাসান নামে শেরপুর ফায়ার সার্ভিসে কোন কর্মকর্তা নেই বলে জানান তিনি।

প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে কানাশাখোলা বাজারের লোকজন কামরুল হাসানকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাঁকে গ্রেপ্তার করেন।

এবিষয়ে সদর থানার এস আই মো. কামরুল হাসান বলেন, “এ ঘটনায় ব্যবসায়ী মো. আ. রহিম রনি গ্রেপ্তার কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে সদর থানায় মামলা করেছেন। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার কামরুল প্রতারণার অভিযোগ স্বীকার করেছেন। তাঁকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে