ঢাকা ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবাদলিপি প্রাইভেটকারে পরীক্ষা নিয়ে বাস-ট্রাকের লাইসেন্স দেন আবু পলাশ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী ওয়াদাগুলো একটি একটি পূরণ করছেন: মঈন খান নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে ৯৫, নিখোঁজ ৪০৩ পল্লবীতে পিস্তল ঠেকিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, রাসেলসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা ব্রাহ্মণপাড়া​ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে স্বর্ণের চেইন চুরি, নারী চোরচক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার মুরাদনগরে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার ‘পাশে আছি’, বালেন্দ্র শাহকে ফোন মোদির, দিলেন সাহায্যের আশ্বাস মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা আত্রাইয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

মাদারিপুরের ডাসারে ঘুষ সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ তহশিলদারের বিরুদ্ধে

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলায় কাজীবাকাই ইউনিয়ন ভূমি সহকারী ভূমি কর্মকর্তা গোলাম মাওলার বিরুদ্ধে নামজারির নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা। বিভিন্ন অজুহাত ও হয়রানির হুমকি দিয়ে এ অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করছে স্থানীয় কিছু দালাল চক্র, ভূমি অফিসে রীতিমত চেয়ার পেতে বসে থাকে এসব দলাল চক্রের সদস্যরা। তাদের ছাড়া কোনো সেবা মেলে না এই অফিসে।
জমির নামজারি বাবদ পূর্ব মাইজপাড়া সিদ্দিক হাওলাদারের কাছে সাত হাজার টাকা নেয়া হয়েছে, যা সরকার নির্ধারিত খরচের চেয়ে ৫/৬ গুণ বেশি। ভুক্তভোগী সিদ্দিক হাওলাদার জানান, তিন একর জমি নামজারি করতে আসছিলাম কাজীবাকাই ইউনিয়ন তহশিলদার গোলাম মাওলার কাছে। সে বড় অংকের টাকা ঘুষ দাবি করে, না দিলে উপজেলায় গিয়ে নামজারি করে নিয়ে আসতে বলা সহ বিভিন্ন হয়রানির হুমকি দেন। পরে অনেক অনুরোধের পর তাকে শাত হাজার টকা দিয়ে নামজারি করাই।
আরেক ভূক্তভোগী পূর্ব খানতলীর অসহয় হতদরিদ্র পারুল বেগম (৬৫) বলেন, তহশিলদার মাওলা আমাকে একটি ঘর দিবে বলে আমার থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছে এবং বাড়িতে এসে জায়গা মেপে নিয়েছে কিন্তু এখনো আমাকে ঘর দেয়নি।
একই গ্রামের আলামিন মিয়া (৪০) বলেন, ঘোসেরহাট বাজারে আমি একটি চাঁনদিনা ভিটায় পানের দোকান করি তহশিলদার মাওলা আমার কাছে ২০হাজার টাকা চেয়েছে আমি টাকা দিতে পারিনি বিধায় আমার দোকানের চালা ভেঙে দিয়েছে, এখন আমি খোলা আকাশের নিচে পান বিক্রি করি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাজীবাকাই ইউনিয়ন ভূমি সহকারী ভূমি কর্মকর্তার গোলাম মাওলা বলেন, অতিরিক্ত টাকা নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এখানে কোন মিউটেশন (নামজারি) করা হয় না, এমনকি জমা নেওয়াও হয় না। সব কাজ করা হয় উপজেলা ভূমি অফিসে।
কালকিনি উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার কায়েসুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে কেউ যদি লিখিত অভিযোগ জানায় তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুসারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবাদলিপি

মাদারিপুরের ডাসারে ঘুষ সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ তহশিলদারের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ১১:২০:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৩
মাদারীপুরের ডাসার উপজেলায় কাজীবাকাই ইউনিয়ন ভূমি সহকারী ভূমি কর্মকর্তা গোলাম মাওলার বিরুদ্ধে নামজারির নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা। বিভিন্ন অজুহাত ও হয়রানির হুমকি দিয়ে এ অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করছে স্থানীয় কিছু দালাল চক্র, ভূমি অফিসে রীতিমত চেয়ার পেতে বসে থাকে এসব দলাল চক্রের সদস্যরা। তাদের ছাড়া কোনো সেবা মেলে না এই অফিসে।
জমির নামজারি বাবদ পূর্ব মাইজপাড়া সিদ্দিক হাওলাদারের কাছে সাত হাজার টাকা নেয়া হয়েছে, যা সরকার নির্ধারিত খরচের চেয়ে ৫/৬ গুণ বেশি। ভুক্তভোগী সিদ্দিক হাওলাদার জানান, তিন একর জমি নামজারি করতে আসছিলাম কাজীবাকাই ইউনিয়ন তহশিলদার গোলাম মাওলার কাছে। সে বড় অংকের টাকা ঘুষ দাবি করে, না দিলে উপজেলায় গিয়ে নামজারি করে নিয়ে আসতে বলা সহ বিভিন্ন হয়রানির হুমকি দেন। পরে অনেক অনুরোধের পর তাকে শাত হাজার টকা দিয়ে নামজারি করাই।
আরেক ভূক্তভোগী পূর্ব খানতলীর অসহয় হতদরিদ্র পারুল বেগম (৬৫) বলেন, তহশিলদার মাওলা আমাকে একটি ঘর দিবে বলে আমার থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছে এবং বাড়িতে এসে জায়গা মেপে নিয়েছে কিন্তু এখনো আমাকে ঘর দেয়নি।
একই গ্রামের আলামিন মিয়া (৪০) বলেন, ঘোসেরহাট বাজারে আমি একটি চাঁনদিনা ভিটায় পানের দোকান করি তহশিলদার মাওলা আমার কাছে ২০হাজার টাকা চেয়েছে আমি টাকা দিতে পারিনি বিধায় আমার দোকানের চালা ভেঙে দিয়েছে, এখন আমি খোলা আকাশের নিচে পান বিক্রি করি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাজীবাকাই ইউনিয়ন ভূমি সহকারী ভূমি কর্মকর্তার গোলাম মাওলা বলেন, অতিরিক্ত টাকা নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এখানে কোন মিউটেশন (নামজারি) করা হয় না, এমনকি জমা নেওয়াও হয় না। সব কাজ করা হয় উপজেলা ভূমি অফিসে।
কালকিনি উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার কায়েসুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে কেউ যদি লিখিত অভিযোগ জানায় তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুসারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।