ঢাকা ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবাদলিপি প্রাইভেটকারে পরীক্ষা নিয়ে বাস-ট্রাকের লাইসেন্স দেন আবু পলাশ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী ওয়াদাগুলো একটি একটি পূরণ করছেন: মঈন খান নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে ৯৫, নিখোঁজ ৪০৩ পল্লবীতে পিস্তল ঠেকিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, রাসেলসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা ব্রাহ্মণপাড়া​ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে স্বর্ণের চেইন চুরি, নারী চোরচক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার মুরাদনগরে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার ‘পাশে আছি’, বালেন্দ্র শাহকে ফোন মোদির, দিলেন সাহায্যের আশ্বাস মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা আত্রাইয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল চায় বিএনপি ও গণতন্ত্র মঞ্চ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল চায় বিএনপি ও তাদের আন্দোলনের সঙ্গী গণতন্ত্র মঞ্চ। রোববার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের লিয়াজোঁ কমিটির সঙ্গে বৈঠকের পর দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল এই দাবি তুলে ধরেন।

জনমত দমিয়ে রাখতে সরকার সংবাদমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এ আইন বাতিলে একমত হয়েছে বিএনপি ও গণতন্ত্র মঞ্চ। উদাহারণ হিসেবে তিনি প্রথম আলোর প্রতিবেদক শামসুজ্জামান শামসকে গ্রেফতার এবং দৈনিকটির সম্পাদক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলার কথা তুলে ধরেন। বলেন, এ সরকার অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে জনমত যাতে প্রকাশিত না হয় সে চেষ্টা করছে।

ফখরুলের অভিযোগ, সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে দমন করবার জন্য ক্ষমতাসীনরা গত ১৪ বছর ধরে একই কায়দায় সাংবাদিকদের ওপর আক্রমণ করছে, হত্যা করেছে, নির্যাতন করেছে, গ্রেফতার করেছে, মিথ্যা মামলা দিয়েছে। ‘বিশেষ করে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টকে ব্যবহারকে সংবাদপত্রের যে স্বাধীনতা, সংবাদমাধ্যমের যে স্বাধীনতা তাকে তারা পুরোপুরিভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে।

এ আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে ফখরুল বলেন, ‘এই কালো আইন বাতিলের ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি। আপনারা জানেন, এই অ্যাক্টে সরকারের নির্যাতনের কারণে কয়েকজন সম্পাদক দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। আমাদের বহু সাংবাদিক তারা নির্যাতিত হয়েছেন, তারা নিহত হয়েছেন, তারা গ্রেফতার হয়েছেন এই ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের মামলার কারণে।

বৈঠকে ছিলেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম বাবুল ও গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান।

বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে ছিলেন দলের লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু ও যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবাদলিপি

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল চায় বিএনপি ও গণতন্ত্র মঞ্চ

আপডেট সময় ০৯:৪৯:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ এপ্রিল ২০২৩

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল চায় বিএনপি ও তাদের আন্দোলনের সঙ্গী গণতন্ত্র মঞ্চ। রোববার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের লিয়াজোঁ কমিটির সঙ্গে বৈঠকের পর দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল এই দাবি তুলে ধরেন।

জনমত দমিয়ে রাখতে সরকার সংবাদমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এ আইন বাতিলে একমত হয়েছে বিএনপি ও গণতন্ত্র মঞ্চ। উদাহারণ হিসেবে তিনি প্রথম আলোর প্রতিবেদক শামসুজ্জামান শামসকে গ্রেফতার এবং দৈনিকটির সম্পাদক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলার কথা তুলে ধরেন। বলেন, এ সরকার অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে জনমত যাতে প্রকাশিত না হয় সে চেষ্টা করছে।

ফখরুলের অভিযোগ, সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে দমন করবার জন্য ক্ষমতাসীনরা গত ১৪ বছর ধরে একই কায়দায় সাংবাদিকদের ওপর আক্রমণ করছে, হত্যা করেছে, নির্যাতন করেছে, গ্রেফতার করেছে, মিথ্যা মামলা দিয়েছে। ‘বিশেষ করে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টকে ব্যবহারকে সংবাদপত্রের যে স্বাধীনতা, সংবাদমাধ্যমের যে স্বাধীনতা তাকে তারা পুরোপুরিভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে।

এ আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে ফখরুল বলেন, ‘এই কালো আইন বাতিলের ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি। আপনারা জানেন, এই অ্যাক্টে সরকারের নির্যাতনের কারণে কয়েকজন সম্পাদক দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। আমাদের বহু সাংবাদিক তারা নির্যাতিত হয়েছেন, তারা নিহত হয়েছেন, তারা গ্রেফতার হয়েছেন এই ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের মামলার কারণে।

বৈঠকে ছিলেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম বাবুল ও গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান।

বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে ছিলেন দলের লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু ও যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।