ঢাকা ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবাদলিপি প্রাইভেটকারে পরীক্ষা নিয়ে বাস-ট্রাকের লাইসেন্স দেন আবু পলাশ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী ওয়াদাগুলো একটি একটি পূরণ করছেন: মঈন খান নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে ৯৫, নিখোঁজ ৪০৩ পল্লবীতে পিস্তল ঠেকিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, রাসেলসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা ব্রাহ্মণপাড়া​ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে স্বর্ণের চেইন চুরি, নারী চোরচক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার মুরাদনগরে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার ‘পাশে আছি’, বালেন্দ্র শাহকে ফোন মোদির, দিলেন সাহায্যের আশ্বাস মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা আত্রাইয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম গণপূর্তের নির্মাণ কাজে ঠিকাদারের অনিয়ম, কাজ শেষ না করেই ঠিকাদার উধাও

চট্টগ্রাম গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিএসটিআই ১০ তলা ভবনের কাজ ৫ বছরেও তিন তলা সম্পন্ন হয়নি।

তথ্যসূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ গণপূর্ত অধিদপ্তর চট্টগ্রাম এর আওতাধীন বিএসটিআই এর বিল্ডিং নির্মাণের টেন্ডার হয় ২০১৮ সালে। অনেক নির্ভরযোগ্য ঠিকাদার কোম্পানির অংশগ্রহণ থাকা স্বত্বেও বিএসটিআই ভবনের টেন্ডার কাজ যৌথ উদ্যেগে ভাগিয়ে নেন টেন্ডার মাফিয়া খ্যাত জিকে শামীম ও ফেনী জেলা বিএনপি’র সহ সভাপতি দি বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার এসোসিয়েশন লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল করিম চৌধুরী (স্বপন)। গত ১০/১৫ বছরে বাংলাদেশ সরকারের হাজার কোটি টাকার কাজ ভাগিয়ে নেয়া দি বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার এসোসিয়েশন লিমিটেড বিগত সময়ে অনেক নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি অর্থাৎ তিনি নির্মাণ কাজে একাধিকবার ফেল করেছেন এবং সরকারের সময় ও অর্থ নষ্ট করেছেন।

চট্টগ্রাম বিএসটিআই ভবনের নির্মাণ কাজে বিলম্ব করায় গণপূর্ত অধিদপ্তর জিকে বিল্ডার্স ও দি বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন লিমিটেডকে নির্মাণ কাজ সঠিকভাবে ও যথাসময়ে করার জন্য একাধিকবার চিঠি প্রেরণ করেন এবং তিনবার অতিরিক্ত সময় বাড়িয়ে দেন কিন্তু জিকে বিল্ডার্স ও দি বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন লিমিটেড যথাসময়ে কাজটি সম্পন্ন না করে ১০ তলা ভবনের ৩ তলা নির্মাণ পর্যন্ত ৫ বছর সময় অতিক্রম করে এবং সর্বশেষ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন না করে পুরনো মালামাল ও সাইড ইকুইপমেন্ট ফেলে রেখে ঠিকাদার কোম্পানি পালিয়ে যায়।

তথ্যসূত্রে আরো জানা যায়, টেন্ডার প্রাপ্তির পর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন না করে পালিয়ে যাওয়া জিকে বিল্ডার্স ও দি বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার এসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে সরকারি সময় ও অর্থ নষ্টের অভিযোগে আর্থিক জরিমানা ও মালামাল নিলাম না করেই গণপূর্ত অধিদপ্তর ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান গুলোকে তাদের পুরনো মালামাল বিক্রির পাশাপাশি ও ইকুইপমেন্ট সরিয়ে নিতে সুযোগ করে দেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবাদলিপি

চট্টগ্রাম গণপূর্তের নির্মাণ কাজে ঠিকাদারের অনিয়ম, কাজ শেষ না করেই ঠিকাদার উধাও

আপডেট সময় ০৪:৩৯:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ এপ্রিল ২০২৩

চট্টগ্রাম গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিএসটিআই ১০ তলা ভবনের কাজ ৫ বছরেও তিন তলা সম্পন্ন হয়নি।

তথ্যসূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ গণপূর্ত অধিদপ্তর চট্টগ্রাম এর আওতাধীন বিএসটিআই এর বিল্ডিং নির্মাণের টেন্ডার হয় ২০১৮ সালে। অনেক নির্ভরযোগ্য ঠিকাদার কোম্পানির অংশগ্রহণ থাকা স্বত্বেও বিএসটিআই ভবনের টেন্ডার কাজ যৌথ উদ্যেগে ভাগিয়ে নেন টেন্ডার মাফিয়া খ্যাত জিকে শামীম ও ফেনী জেলা বিএনপি’র সহ সভাপতি দি বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার এসোসিয়েশন লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল করিম চৌধুরী (স্বপন)। গত ১০/১৫ বছরে বাংলাদেশ সরকারের হাজার কোটি টাকার কাজ ভাগিয়ে নেয়া দি বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার এসোসিয়েশন লিমিটেড বিগত সময়ে অনেক নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি অর্থাৎ তিনি নির্মাণ কাজে একাধিকবার ফেল করেছেন এবং সরকারের সময় ও অর্থ নষ্ট করেছেন।

চট্টগ্রাম বিএসটিআই ভবনের নির্মাণ কাজে বিলম্ব করায় গণপূর্ত অধিদপ্তর জিকে বিল্ডার্স ও দি বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন লিমিটেডকে নির্মাণ কাজ সঠিকভাবে ও যথাসময়ে করার জন্য একাধিকবার চিঠি প্রেরণ করেন এবং তিনবার অতিরিক্ত সময় বাড়িয়ে দেন কিন্তু জিকে বিল্ডার্স ও দি বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন লিমিটেড যথাসময়ে কাজটি সম্পন্ন না করে ১০ তলা ভবনের ৩ তলা নির্মাণ পর্যন্ত ৫ বছর সময় অতিক্রম করে এবং সর্বশেষ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন না করে পুরনো মালামাল ও সাইড ইকুইপমেন্ট ফেলে রেখে ঠিকাদার কোম্পানি পালিয়ে যায়।

তথ্যসূত্রে আরো জানা যায়, টেন্ডার প্রাপ্তির পর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন না করে পালিয়ে যাওয়া জিকে বিল্ডার্স ও দি বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার এসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে সরকারি সময় ও অর্থ নষ্টের অভিযোগে আর্থিক জরিমানা ও মালামাল নিলাম না করেই গণপূর্ত অধিদপ্তর ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান গুলোকে তাদের পুরনো মালামাল বিক্রির পাশাপাশি ও ইকুইপমেন্ট সরিয়ে নিতে সুযোগ করে দেন।