পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বিয়ের আশ্বাস দিয়ে এক নারীর সঙ্গে দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন এবং পরবর্তীতে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে টিকিকাটা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জসিম মাতুব্বরের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী মোসা. মুক্তা আক্তার (২৫) মঠবাড়িয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
থানায় দেওয়া অভিযোগে ওই নারী দাবি করেন, তার সাবেক স্বামী দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার সুযোগে ইউপি সদস্য জসিম মাতুব্বরের সঙ্গে তার পরিচয় ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে জসিম তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সাবেক স্বামীকে তালাক দিতে বলেন। তার আশ্বাসে প্রায় দুই বছর আগে তিনি স্বামীকে তালাক দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, এরপর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে জসিম মাতুব্বর তার সঙ্গে দীর্ঘদিন স্বামী-স্ত্রীর মতো সম্পর্ক বজায় রাখেন। এ সময় তাকে ঢাকা, কুয়াকাটাসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেন ওই নারী। একাধিকবার বিয়ের কথা বললেও অভিযুক্ত বিভিন্নভাবে বিষয়টি এড়িয়ে যান বলে দাবি তাঁর।
সর্বশেষ গত ২০ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে ভুক্তভোগীর বাবার বাড়িতে জসিম তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাকে গালিগালাজ, খারাপ আচরণ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় বলেও দাবি করেন ওই নারী।
এ ছাড়া তাদের সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তথ্য-প্রমাণ মুছে ফেলতে দুটি মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলার অভিযোগও করেছেন তিনি। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন মুক্তা আক্তার।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. জসিম মাতুব্বর অভিযোগটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন।
মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম জানান, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি 


















