ঢাকা ০১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪ বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশিদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার কীটনাশক ও বালাইনাশক কোম্পানির ‘ইচ্ছামতো’ দামে দিশেহারা তাড়াইল উপজেলার কৃষক একটি দল বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে: মীর শাহে আলম মিঠাপুকুর উপজেলার ১৩ নং গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদে সরকারি প্রকল্পের টাকা হরিলুট কন্যাসন্তানের বাবা-মা হলেন ডিলান-বারবারা এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জিয়াউর রহমান থেকে তারেক রহমান জাতিসংঘের মঞ্চে বাংলাদেশের পথচলা নিবন্ধনের আওতায় আসছে ব্যাটারিচালিত রিকশা রাজশাহীর মুদি দোকানদারকে হত্যার আসামি গ্রেপ্তার শাহজালালে কার্গো শেড নেই, খোলা আকাশে নষ্ট হচ্ছে হাজার কোটি টাকার পণ্য

শাহজালালে কার্গো শেড নেই, খোলা আকাশে নষ্ট হচ্ছে হাজার কোটি টাকার পণ্য

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ১২:১৫:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫১৫ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে রোদ-বৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে আমদানি করা হাজার কোটি টাকার পণ্য। গত বছর একমাত্র কার্গো ভিলেজ ও ১ লাখ ৫৮ হাজার বর্গফুটের স্থায়ী শেডটি পুড়ে যাওয়ার পর নতুন করে শেড নির্মাণ করা হয়নি। ফলে বিদেশ থেকে আসা পণ্যসামগ্রী খোলা আকাশের নিচে রাখতে হচ্ছে। স্থায়ী শেড না থাকলেও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত স্টোর চার্জ আদায় করা হচ্ছে। দ্রুত সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

বিমানবন্দরের একমাত্র কার্গো ভিলেজ ও এর সামনে থাকা স্থায়ী শেডটি গত বছরের ১৮ অক্টোবর পুড়ে যায়। এরপর দ্রুত নতুন কার্গো শেড নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও ১১ মাসেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রতিদিন গড়ে ৫০টি ফ্লাইট অবতরণ করে। এর মধ্যে ৮ থেকে ১০টি চার্টার কার্গো ফ্লাইট এবং ৪০ থেকে ৪৫টি যাত্রীবাহী ফ্লাইট। এসব ফ্লাইটে বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিদিন ৬০০ টনের বেশি আমদানি পণ্য আসে। চার্টার কার্গো ফ্লাইটের পণ্য খালাস হতে গড়ে ৩ থেকে ৪ দিন সময় লাগে। ফলে বিমানবন্দরে সার্বক্ষণিক দুই থেকে আড়াই হাজার টন পণ্য মজুত থাকে। এই সময়ে ব্যবসায়ীদের গড়ে ২০ থেকে ৬০ হাজার টাকা স্টোর চার্জ দিতে হয়। অথচ এসব পণ্য রাখা হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাইয়ে ঢাকায় ২০ দিন এবং আগস্টে ১৫ দিন বৃষ্টি হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে রানওয়েতে পড়ে থাকা অনেক পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত বা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন নতুন উদ্যোক্তারা। সীমিত পুঁজি দিয়ে চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আনা মোবাইল এক্সেসরিজ ও ইলেকট্রনিকস পণ্যে পানি ঢুকে নষ্ট হচ্ছে। পাশাপাশি গার্মেন্টস ও ওষুধশিল্পের আমদানিকারকরাও বিপাকে পড়েছেন। খোলা জায়গায় রোদ-বৃষ্টির মধ্যে রাখায় আমদানি করা বিভিন্ন কাঁচামালের মান ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য চীন থেকে পণ্যসামগ্রী আমদানি করে স্কাইবাই বিডি। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী রাসেল বিন আহাদ বলেন, গত বছর কার্গো শেডে আগুন লাগার ঘটনায় তাঁদের আড়াই কোটি টাকার ক্ষতি হয়। রাজস্ব বোর্ডের সফটওয়্যারে আমদানি দেখানো থাকায় ওই পণ্যের আড়াই কোটি টাকার শুল্কও দিতে হয়েছে। সবকিছু মেনে নেওয়া হলেও গত ১১ মাসে একটি নতুন শেড নির্মাণ করা হয়নি। ফলে কোটি কোটি টাকার পণ্য আমদানির পর খোলা আকাশের নিচে রোদ-বৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রাসেল বিন আহাদ বলেন, প্রতিটি পণ্যের জন্য স্টোর চার্জ নেওয়া হচ্ছে, অথচ সেখানে কোনো স্টোর নেই। তরুণ উদ্যোক্তাদের পণ্য নষ্ট হওয়ায় তাঁদের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি ব্যবসায়িক সুনামও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিমানবন্দরের এমন পরিস্থিতি দেখে বিদেশিদেরও বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ কমে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক উদ্যোক্তা বলেন, অল্প মূলধন নিয়ে তিনি গ্যাজেট আমদানি করেন। বৃষ্টিতে তাঁর চোখের সামনেই পণ্য ভিজে যাচ্ছে, কিন্তু কিছুই করার থাকছে না। কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ত্রিপল না পেয়ে নিজের টাকায় বাইরে থেকে ত্রিপল এনে পণ্য ঢেকে রাখার জন্য তাঁকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তরুণ উদ্যোক্তাদের এভাবে ক্ষতির মুখে না ফেলে ব্যবসায়ীদের নিজেদের অর্থে শেড নির্মাণের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এই ব্যবসায়ী আক্ষেপ করে বলেন, পণ্যের পাশাপাশি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাঁদের জীবনও ধ্বংস করে দিচ্ছে। নাম প্রকাশ করলে পরে তাঁকে খুঁজে বের করে আমদানির ক্ষেত্রে হয়রানি করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, পদে পদে হয়রানির কারণে ব্যবসায়ীরা বিমানবন্দরে এসে অসহায় বোধ করেন। ঢাকা কাস্টমস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি খায়রুল কবির ভূঁইয়া মিঠু বলেন, খোলা আকাশের নিচে মাটিতে পণ্য পড়ে থাকলে বৃষ্টির পানি পড়বে এবং নিচ থেকেও পানি উঠবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কার্গো শেডের সংস্কারকাজ ৯ মাসেও শেষ না হওয়াকে বড় ধরনের ব্যর্থতা বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন রাগীব সামাদ বলেন, যে পরিমাণ কার্গো আসছে, সে অনুযায়ী সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও আমদানিকারকেরা পণ্য খালাস করছেন না। ফলে জায়গার সংকট তৈরি হচ্ছে। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা মেরামত করে নতুনভাবে চালু করা সহজ কাজ নয়। বর্ষায় বৃষ্টিতে পণ্য ভিজেছে বলে তাঁরা জানেন। তবে কনসাইনমেন্ট আনার পর দ্রুত পণ্য খালাস করা হলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতো না। নিজেদের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমস্যার সমাধানের জন্য থার্ড টার্মিনাল চালু হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশিদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

শাহজালালে কার্গো শেড নেই, খোলা আকাশে নষ্ট হচ্ছে হাজার কোটি টাকার পণ্য

আপডেট সময় ১২:১৫:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে রোদ-বৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে আমদানি করা হাজার কোটি টাকার পণ্য। গত বছর একমাত্র কার্গো ভিলেজ ও ১ লাখ ৫৮ হাজার বর্গফুটের স্থায়ী শেডটি পুড়ে যাওয়ার পর নতুন করে শেড নির্মাণ করা হয়নি। ফলে বিদেশ থেকে আসা পণ্যসামগ্রী খোলা আকাশের নিচে রাখতে হচ্ছে। স্থায়ী শেড না থাকলেও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত স্টোর চার্জ আদায় করা হচ্ছে। দ্রুত সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

বিমানবন্দরের একমাত্র কার্গো ভিলেজ ও এর সামনে থাকা স্থায়ী শেডটি গত বছরের ১৮ অক্টোবর পুড়ে যায়। এরপর দ্রুত নতুন কার্গো শেড নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও ১১ মাসেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রতিদিন গড়ে ৫০টি ফ্লাইট অবতরণ করে। এর মধ্যে ৮ থেকে ১০টি চার্টার কার্গো ফ্লাইট এবং ৪০ থেকে ৪৫টি যাত্রীবাহী ফ্লাইট। এসব ফ্লাইটে বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিদিন ৬০০ টনের বেশি আমদানি পণ্য আসে। চার্টার কার্গো ফ্লাইটের পণ্য খালাস হতে গড়ে ৩ থেকে ৪ দিন সময় লাগে। ফলে বিমানবন্দরে সার্বক্ষণিক দুই থেকে আড়াই হাজার টন পণ্য মজুত থাকে। এই সময়ে ব্যবসায়ীদের গড়ে ২০ থেকে ৬০ হাজার টাকা স্টোর চার্জ দিতে হয়। অথচ এসব পণ্য রাখা হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাইয়ে ঢাকায় ২০ দিন এবং আগস্টে ১৫ দিন বৃষ্টি হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে রানওয়েতে পড়ে থাকা অনেক পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত বা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন নতুন উদ্যোক্তারা। সীমিত পুঁজি দিয়ে চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আনা মোবাইল এক্সেসরিজ ও ইলেকট্রনিকস পণ্যে পানি ঢুকে নষ্ট হচ্ছে। পাশাপাশি গার্মেন্টস ও ওষুধশিল্পের আমদানিকারকরাও বিপাকে পড়েছেন। খোলা জায়গায় রোদ-বৃষ্টির মধ্যে রাখায় আমদানি করা বিভিন্ন কাঁচামালের মান ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য চীন থেকে পণ্যসামগ্রী আমদানি করে স্কাইবাই বিডি। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী রাসেল বিন আহাদ বলেন, গত বছর কার্গো শেডে আগুন লাগার ঘটনায় তাঁদের আড়াই কোটি টাকার ক্ষতি হয়। রাজস্ব বোর্ডের সফটওয়্যারে আমদানি দেখানো থাকায় ওই পণ্যের আড়াই কোটি টাকার শুল্কও দিতে হয়েছে। সবকিছু মেনে নেওয়া হলেও গত ১১ মাসে একটি নতুন শেড নির্মাণ করা হয়নি। ফলে কোটি কোটি টাকার পণ্য আমদানির পর খোলা আকাশের নিচে রোদ-বৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রাসেল বিন আহাদ বলেন, প্রতিটি পণ্যের জন্য স্টোর চার্জ নেওয়া হচ্ছে, অথচ সেখানে কোনো স্টোর নেই। তরুণ উদ্যোক্তাদের পণ্য নষ্ট হওয়ায় তাঁদের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি ব্যবসায়িক সুনামও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিমানবন্দরের এমন পরিস্থিতি দেখে বিদেশিদেরও বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ কমে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক উদ্যোক্তা বলেন, অল্প মূলধন নিয়ে তিনি গ্যাজেট আমদানি করেন। বৃষ্টিতে তাঁর চোখের সামনেই পণ্য ভিজে যাচ্ছে, কিন্তু কিছুই করার থাকছে না। কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ত্রিপল না পেয়ে নিজের টাকায় বাইরে থেকে ত্রিপল এনে পণ্য ঢেকে রাখার জন্য তাঁকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তরুণ উদ্যোক্তাদের এভাবে ক্ষতির মুখে না ফেলে ব্যবসায়ীদের নিজেদের অর্থে শেড নির্মাণের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এই ব্যবসায়ী আক্ষেপ করে বলেন, পণ্যের পাশাপাশি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাঁদের জীবনও ধ্বংস করে দিচ্ছে। নাম প্রকাশ করলে পরে তাঁকে খুঁজে বের করে আমদানির ক্ষেত্রে হয়রানি করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, পদে পদে হয়রানির কারণে ব্যবসায়ীরা বিমানবন্দরে এসে অসহায় বোধ করেন। ঢাকা কাস্টমস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি খায়রুল কবির ভূঁইয়া মিঠু বলেন, খোলা আকাশের নিচে মাটিতে পণ্য পড়ে থাকলে বৃষ্টির পানি পড়বে এবং নিচ থেকেও পানি উঠবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কার্গো শেডের সংস্কারকাজ ৯ মাসেও শেষ না হওয়াকে বড় ধরনের ব্যর্থতা বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন রাগীব সামাদ বলেন, যে পরিমাণ কার্গো আসছে, সে অনুযায়ী সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও আমদানিকারকেরা পণ্য খালাস করছেন না। ফলে জায়গার সংকট তৈরি হচ্ছে। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা মেরামত করে নতুনভাবে চালু করা সহজ কাজ নয়। বর্ষায় বৃষ্টিতে পণ্য ভিজেছে বলে তাঁরা জানেন। তবে কনসাইনমেন্ট আনার পর দ্রুত পণ্য খালাস করা হলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতো না। নিজেদের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমস্যার সমাধানের জন্য থার্ড টার্মিনাল চালু হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।