ঢাকা ০২:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঘুষ-দুর্নীতি ও ভুয়া বিলের অভিযোগ, নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুলকে প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন মেঘনা পেট্রোলিয়ামে রাশেদুলের ভুয়া সনদ, তেল চুরি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ৩৬ লাখ টাকা জমা না দেওয়ার অভিযোগে বরখাস্ত, দুই সপ্তাহেই পুনর্বহাল বিএডিসির ইব্রাহীম খলিল রাজউকের অথরাইজড অফিসার ইলিয়াসকে ঘিরে পুরোনো অভিযোগ, নতুন বিতর্ক সানাউল-সলিম সিন্ডিকেটে জিম্মি বিআরটিএ চট্টগ্রাম মেট্রো-২ কর কমিশনার আবদুর রকিবের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ নওগাঁয় ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের ১১ নেতা-কর্মী আটক দক্ষিণ আফ্রিকায় পানশালায় বন্দুকধারীদের হামলা, নিহত ১৭ নওগাঁর পোরশায় ট্যাপেন্টাডলের বড় চালানসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে এডিবি

সানাউল-সলিম সিন্ডিকেটে জিম্মি বিআরটিএ চট্টগ্রাম মেট্রো-২

চট্টগ্রাম মেট্রো-২ সার্কেলে অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে উপপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. সানাউল হক এবং জেলা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. সলিম উল্যাহকে ঘিরে। ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, সরকারি নির্ধারিত ফি পরিশোধ করেও স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সেবা পেতে দীর্ঘসূত্রতার মুখে পড়তে হচ্ছে সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের। অন্যদিকে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে দ্রুত লাইসেন্স, ফিটনেস, রুট পারমিট ও অন্যান্য সেবা পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

বিআরটিএ চট্টগ্রাম মেট্রো-২ সার্কেলের বায়েজিদ বালুচরা কার্যালয় ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে দালালনির্ভরতার অভিযোগ রয়েছে বলে জানান একাধিক সেবাপ্রার্থী। তাদের ভাষ্য, নির্ধারিত সরকারি ফি অনলাইনে পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও অনেক ক্ষেত্রে ফাইল পড়ে থাকে। বিপরীতে দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করলে দ্রুত কাজ সম্পন্ন হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের কয়েকজনের দাবি, এই পুরো প্রক্রিয়ার পেছনে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। ওই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে সানাউল হক ও সলিম উল্যাহ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট নথি ও প্রমাণ যাচাই প্রয়োজন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর অভিযোগ, ড্রাইভিং লাইসেন্স, যানবাহনের ফিটনেস, রুট পারমিট, মালিকানা পরিবর্তন, রেজিস্ট্রেশনসহ বিভিন্ন সেবায় নির্ধারিত সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। বিশেষ করে পরীক্ষা ছাড়াই ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং যথাযথ পরিদর্শন ছাড়াই যানবাহনের ফিটনেস সনদ দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্যে আরও কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বহিরাগত ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে সহকারী মোটরযান পরিদর্শক আব্দুল মতিন, জেলা রেজিস্ট্রেশন শাখার টিপু সুলতান, অফিস সহকারী-পিয়ন খোরশেদ আলম, নৈশপ্রহরী লিটন এবং বহিরাগত হিসেবে পরিচিত রুবেলের নাম উল্লেখ করেছেন কয়েকজন সেবাপ্রার্থী। তাদের বিরুদ্ধে রেজিস্ট্রেশন, মালিকানা পরিবর্তন ও অন্যান্য সেবা প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। লিটনের বিরুদ্ধে অস্থায়ী কর্মী হয়েও গুরুত্বপূর্ণ শাখার কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার এবং ভুয়া কাগজপত্র তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও করেছেন কয়েকজন।

সেবাপ্রার্থীদের কয়েকজনের দাবি, বিভিন্ন সেবার জন্য অলিখিত একটি রেট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, পরীক্ষা ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা, স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় আবেদন করলেও অতিরিক্ত ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের ফিটনেস ও রুট পারমিটের ক্ষেত্রে কয়েক হাজার থেকে কয়েক দশ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়।

অক্সিজেন এলাকার লেগুনা চালক মহিদুল এবং অলংকার এলাকার সিএনজি চালক স্বপনসহ কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, বৈধ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কাজ শেষ করা কঠিন হয়ে পড়ে। অথচ দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ দিলে দ্রুত সেবা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। তাদের দাবি, এতে সাধারণ সেবাপ্রার্থীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

সানাউল হকের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার দাবি করা হয়েছে। বিশেষ করে বিআরটিএ সিলেট ও ঢাকার মিরপুর কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে তাঁকে ঘিরে অভিযোগ এবং সিলেটে পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রসঙ্গও সামনে এসেছে।

চট্টগ্রাম মেট্রো-২ সার্কারে বর্তমানে যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। সানাউল হকের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরে তাঁর হোয়াটসঅ্যাপে অভিযোগসংক্রান্ত প্রশ্ন পাঠানো হলেও প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে সলিম উল্যাহর হোয়াটসঅ্যাপেও প্রশ্ন পাঠানো হয়, কিন্তু তিনিও কোনো জবাব দেননি।

সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগগুলো সত্য হলে তা শুধু প্রশাসনিক অনিয়মের বিষয় নয়, সড়ক নিরাপত্তার জন্যও গুরুতর উদ্বেগের কারণ হতে পারে। কারণ দক্ষতা যাচাই ছাড়া লাইসেন্স কিংবা যথাযথ যান্ত্রিক পরিদর্শন ছাড়া ফিটনেস সনদ দেওয়ার অভিযোগ সত্য হলে তা সড়কে অনিরাপদ চালক ও ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহনের চলাচলের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে বিআরটিএর অভ্যন্তরীণ তদন্তের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে দুর্নীতি দমন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকারি ফি পরিশোধের পর কোনো সেবাপ্রার্থী কেন নির্ধারিত সময়ে সেবা পাচ্ছেন না, কোন পর্যায়ে ফাইল আটকে থাকছে এবং অতিরিক্ত অর্থের অভিযোগের সঙ্গে কারা জড়িত—এসব বিষয় নথি ও তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘুষ-দুর্নীতি ও ভুয়া বিলের অভিযোগ, নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুলকে প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

সানাউল-সলিম সিন্ডিকেটে জিম্মি বিআরটিএ চট্টগ্রাম মেট্রো-২

আপডেট সময় ০১:৪৩:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রাম মেট্রো-২ সার্কেলে অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে উপপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. সানাউল হক এবং জেলা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. সলিম উল্যাহকে ঘিরে। ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, সরকারি নির্ধারিত ফি পরিশোধ করেও স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সেবা পেতে দীর্ঘসূত্রতার মুখে পড়তে হচ্ছে সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের। অন্যদিকে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে দ্রুত লাইসেন্স, ফিটনেস, রুট পারমিট ও অন্যান্য সেবা পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

বিআরটিএ চট্টগ্রাম মেট্রো-২ সার্কেলের বায়েজিদ বালুচরা কার্যালয় ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে দালালনির্ভরতার অভিযোগ রয়েছে বলে জানান একাধিক সেবাপ্রার্থী। তাদের ভাষ্য, নির্ধারিত সরকারি ফি অনলাইনে পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও অনেক ক্ষেত্রে ফাইল পড়ে থাকে। বিপরীতে দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করলে দ্রুত কাজ সম্পন্ন হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের কয়েকজনের দাবি, এই পুরো প্রক্রিয়ার পেছনে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। ওই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে সানাউল হক ও সলিম উল্যাহ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট নথি ও প্রমাণ যাচাই প্রয়োজন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর অভিযোগ, ড্রাইভিং লাইসেন্স, যানবাহনের ফিটনেস, রুট পারমিট, মালিকানা পরিবর্তন, রেজিস্ট্রেশনসহ বিভিন্ন সেবায় নির্ধারিত সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। বিশেষ করে পরীক্ষা ছাড়াই ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং যথাযথ পরিদর্শন ছাড়াই যানবাহনের ফিটনেস সনদ দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্যে আরও কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বহিরাগত ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে সহকারী মোটরযান পরিদর্শক আব্দুল মতিন, জেলা রেজিস্ট্রেশন শাখার টিপু সুলতান, অফিস সহকারী-পিয়ন খোরশেদ আলম, নৈশপ্রহরী লিটন এবং বহিরাগত হিসেবে পরিচিত রুবেলের নাম উল্লেখ করেছেন কয়েকজন সেবাপ্রার্থী। তাদের বিরুদ্ধে রেজিস্ট্রেশন, মালিকানা পরিবর্তন ও অন্যান্য সেবা প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। লিটনের বিরুদ্ধে অস্থায়ী কর্মী হয়েও গুরুত্বপূর্ণ শাখার কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার এবং ভুয়া কাগজপত্র তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও করেছেন কয়েকজন।

সেবাপ্রার্থীদের কয়েকজনের দাবি, বিভিন্ন সেবার জন্য অলিখিত একটি রেট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, পরীক্ষা ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা, স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় আবেদন করলেও অতিরিক্ত ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের ফিটনেস ও রুট পারমিটের ক্ষেত্রে কয়েক হাজার থেকে কয়েক দশ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়।

অক্সিজেন এলাকার লেগুনা চালক মহিদুল এবং অলংকার এলাকার সিএনজি চালক স্বপনসহ কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, বৈধ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কাজ শেষ করা কঠিন হয়ে পড়ে। অথচ দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ দিলে দ্রুত সেবা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। তাদের দাবি, এতে সাধারণ সেবাপ্রার্থীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

সানাউল হকের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার দাবি করা হয়েছে। বিশেষ করে বিআরটিএ সিলেট ও ঢাকার মিরপুর কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে তাঁকে ঘিরে অভিযোগ এবং সিলেটে পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রসঙ্গও সামনে এসেছে।

চট্টগ্রাম মেট্রো-২ সার্কারে বর্তমানে যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। সানাউল হকের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরে তাঁর হোয়াটসঅ্যাপে অভিযোগসংক্রান্ত প্রশ্ন পাঠানো হলেও প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে সলিম উল্যাহর হোয়াটসঅ্যাপেও প্রশ্ন পাঠানো হয়, কিন্তু তিনিও কোনো জবাব দেননি।

সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগগুলো সত্য হলে তা শুধু প্রশাসনিক অনিয়মের বিষয় নয়, সড়ক নিরাপত্তার জন্যও গুরুতর উদ্বেগের কারণ হতে পারে। কারণ দক্ষতা যাচাই ছাড়া লাইসেন্স কিংবা যথাযথ যান্ত্রিক পরিদর্শন ছাড়া ফিটনেস সনদ দেওয়ার অভিযোগ সত্য হলে তা সড়কে অনিরাপদ চালক ও ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহনের চলাচলের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে বিআরটিএর অভ্যন্তরীণ তদন্তের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে দুর্নীতি দমন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকারি ফি পরিশোধের পর কোনো সেবাপ্রার্থী কেন নির্ধারিত সময়ে সেবা পাচ্ছেন না, কোন পর্যায়ে ফাইল আটকে থাকছে এবং অতিরিক্ত অর্থের অভিযোগের সঙ্গে কারা জড়িত—এসব বিষয় নথি ও তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।