ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈশাখীকে বাদ দিয়ে টেন্ডার ছাড়াই মেট্রোরেলে নতুন চুক্তি! জাল দলিলে খাস জমি খারিজের নামে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় ইসহাক আলী আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকে অনিয়মের অভিযোগ অতীতে আটকে গেলে তো উন্নয়ন হবে না : ভারতীয় হাইকমিশনার দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি : প্রধানমন্ত্রী দুই দিনের সফরে ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি নেপাল-তিব্বতে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ১০০০ মুকসুদপুরে সরকারি খাসজমি ও জলাশয় দখলের অভিযোগ বোরহানউদ্দিনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, হাফিজ ইব্রাহিমের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য র‍্যালি জিয়া ‍উদ্যানের লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

অতীতে আটকে গেলে তো উন্নয়ন হবে না : ভারতীয় হাইকমিশনার

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, আমি একজন রাষ্ট্রদূত। ইন্টারনাল পলিটিক্স নিয়ে কিছু বলতে চাই না। আমাদের বলা উচিতও না। কেননা যা দেশের মানুষ ভালো বুঝবে, দেশের ইলেক্টেড গভর্মেন্ট উইথ মেজরিটি ভালো বুঝবে যে তাদের লোকেদের জন্য কি ভালো। ওটাই সত্যি কথা।

আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভারতের হাইকমিশনার একথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, “আমরা চাই পিপল টু পিপল রিলেশনশিপ সবসময় থাকুক। আমি না থাকলেও অন্য কেউ আমার জায়গায় থাকলে-একই জিনিস থাকবে। আপনারও যিনি প্রতিনিধি দিল্লিতে আছেন— তিনিও একটাই কথা চান যে, পিপল টু পিপল কীভাবে আমরা যুক্ত থাকি। আল্টিমেটলি আমরা যা ডিসিশন নিই তার ইফেক্টও পড়ে সাধারণ মানুষের ওপর। সাধারণ মানুষের যা কিছু ভালো হয়, ওটা আমাদের দায়িত্ব, ইটস আওয়ার রেসপন্সিবিলিটি যে আমরা যা ডিসিশন নিই…। আর আমরা তো সবসময় বলি— আমরা একটা ড্রিম শেয়ার করি, স্বপ্ন শেয়ার করি। বর্ডার শেয়ার করি— এজন্য আমাদের দায়িত্ব বেড়ে যায়। প্রতিবেশি হিসেবে আমাদের দায়িত্ব বেড়ে যায়। আর এই প্রতিবেশি হিসেবে আমি সবসময় বলি ‘উই আর ইকুয়াল’ নোবডি বিগ নোবডি স্মল।”

ভারতের হাইকমিশনার আরও বলেন, “আমি অনেক কিছু এখানে এসে শিখছি। মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে আমি ছিলাম অল্প ৩০ মিনিট বোধহয়। আর এই ৩০ মিনিট আমরা অনেক শিখেছি। আর চ্যালেঞ্জেস থাকবে। আমাকে, আমাদের এপ্রিশিয়েট করতে হবে যে বাংলাদেশের কী ডেমোক্রেটিক চ্যালেঞ্জ, বাংলাদেশকেও এপ্রিশিয়েট করতে হবে যে, ইন্ডিয়ার কী চ্যালেঞ্জ। ওই চ্যালেঞ্জ আমাদের মাথায় রেখে এগিয়ে যেতে হবে। কেননা যদি অতীতে আমরা আটকে যাই… অতীত আমরা ভুলতে পারি না। কিন্তু আটকে যাওয়ারতো কোনও জায়গা নাই। কেননা আটকে গেলে উন্নয়নের কাজ হবে না। আর এটাও আজকে কথা হলো-ফ্রি ট্রেড। কীভাবে আমরা দু’দেশে ফ্রি ট্রেড করতে পারি। ডিপেন্ডেন্সি কিংবা ইন্টারডিপেন্ডেন্সি ফ্রি ট্রেড নিয়েও কথা হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈশাখীকে বাদ দিয়ে টেন্ডার ছাড়াই মেট্রোরেলে নতুন চুক্তি!

অতীতে আটকে গেলে তো উন্নয়ন হবে না : ভারতীয় হাইকমিশনার

আপডেট সময় ০২:৩৩:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, আমি একজন রাষ্ট্রদূত। ইন্টারনাল পলিটিক্স নিয়ে কিছু বলতে চাই না। আমাদের বলা উচিতও না। কেননা যা দেশের মানুষ ভালো বুঝবে, দেশের ইলেক্টেড গভর্মেন্ট উইথ মেজরিটি ভালো বুঝবে যে তাদের লোকেদের জন্য কি ভালো। ওটাই সত্যি কথা।

আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভারতের হাইকমিশনার একথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, “আমরা চাই পিপল টু পিপল রিলেশনশিপ সবসময় থাকুক। আমি না থাকলেও অন্য কেউ আমার জায়গায় থাকলে-একই জিনিস থাকবে। আপনারও যিনি প্রতিনিধি দিল্লিতে আছেন— তিনিও একটাই কথা চান যে, পিপল টু পিপল কীভাবে আমরা যুক্ত থাকি। আল্টিমেটলি আমরা যা ডিসিশন নিই তার ইফেক্টও পড়ে সাধারণ মানুষের ওপর। সাধারণ মানুষের যা কিছু ভালো হয়, ওটা আমাদের দায়িত্ব, ইটস আওয়ার রেসপন্সিবিলিটি যে আমরা যা ডিসিশন নিই…। আর আমরা তো সবসময় বলি— আমরা একটা ড্রিম শেয়ার করি, স্বপ্ন শেয়ার করি। বর্ডার শেয়ার করি— এজন্য আমাদের দায়িত্ব বেড়ে যায়। প্রতিবেশি হিসেবে আমাদের দায়িত্ব বেড়ে যায়। আর এই প্রতিবেশি হিসেবে আমি সবসময় বলি ‘উই আর ইকুয়াল’ নোবডি বিগ নোবডি স্মল।”

ভারতের হাইকমিশনার আরও বলেন, “আমি অনেক কিছু এখানে এসে শিখছি। মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে আমি ছিলাম অল্প ৩০ মিনিট বোধহয়। আর এই ৩০ মিনিট আমরা অনেক শিখেছি। আর চ্যালেঞ্জেস থাকবে। আমাকে, আমাদের এপ্রিশিয়েট করতে হবে যে বাংলাদেশের কী ডেমোক্রেটিক চ্যালেঞ্জ, বাংলাদেশকেও এপ্রিশিয়েট করতে হবে যে, ইন্ডিয়ার কী চ্যালেঞ্জ। ওই চ্যালেঞ্জ আমাদের মাথায় রেখে এগিয়ে যেতে হবে। কেননা যদি অতীতে আমরা আটকে যাই… অতীত আমরা ভুলতে পারি না। কিন্তু আটকে যাওয়ারতো কোনও জায়গা নাই। কেননা আটকে গেলে উন্নয়নের কাজ হবে না। আর এটাও আজকে কথা হলো-ফ্রি ট্রেড। কীভাবে আমরা দু’দেশে ফ্রি ট্রেড করতে পারি। ডিপেন্ডেন্সি কিংবা ইন্টারডিপেন্ডেন্সি ফ্রি ট্রেড নিয়েও কথা হয়েছে।