ঢাকা ০৭:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হঠাৎ ঢাকাসহ ৪০ জেলায় সতর্কবার্তা পর্যাপ্ত সার মজুদ রয়েছে, কৃত্রিম সংকট তৈরির সুযোগ নেই : পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আগামী গ্রীষ্মে দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি কমে যাবে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট সরকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে অত্যন্ত অবহেলা করেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী খুব দ্রুতই দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর কাজ শুরুর বিষয়ে দেশবাসীকে জানানো হবে: খাদ্যমন্ত্রী বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে জনদুর্ভোগ ডেকে না আনার আহ্বান সমাজকল্যাণমন্ত্রীর বাইকে দুই তরুণের মাঝে বসে ভাইরাল, থানায় এসে যা বললেন সেই তরুণী আমরা কখনোই বিএনপির সঙ্গে আ.লীগের তুলনা করতে চাই না: সারজিস আলম আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী আত্রাইয়ে বাল্যবিবাহ পণ্ড, পুলিশ-প্রশাসনের ওপর হামলা; বরসহ গ্রেপ্তার ৩

ফ্যাসিস্ট সরকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে অত্যন্ত অবহেলা করেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

গত ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট সরকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে অত্যন্ত অবহেলা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ঝটিকা সফরে গিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে রোগীদের চিকিৎসাসেবা, হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা এবং রোগীদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে সরাসরি খোঁজখবর নেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তার আকস্মিক পরিদর্শনের খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হন হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক আহমেদ আলী মুকিব, জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আমিনুল হক সরকার, হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. জাভেদ জিল্লুল বারী, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হকসহ কর্মকর্তারা।

মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে ৫ বছর আগের একটি জেনারেটর ফেলে রেখেছে। কোনো কার্যক্রম করেনি। আজ আমি নির্দেশনা দিয়েছি এটি খুলে দেখার জন্য, যেন কাজে লাগানো যায়। ডাক্তার নিয়োগ করেনি। টাকা-পয়সা লুট করেছে। প্রতিটি কাজে অবহেলা করেছে। শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি করেনি। নতুন ভবন করেনি। বিভিন্ন খাত থেকে প্রচুর লুটপাট করেছে।

তিনি বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। জনসংখ্যার তুলনায় প্রায় হাসপাতালগুলোতেই রোগী অত্যধিক হওয়ায় বেডের বাইরেও রোগী থাকতে হয়। সব রোগীকে খাবার দেওয়া যায় না। কোড নম্বর দিতে হয় ১০০ জনের জন্য, কিন্তু রোগী হয় আড়ইশো। বেড, খাবার আমরা বৃদ্ধি করছি। আমি অন্য জায়গায় যা দেখেছি, তার থেকে এখানে অনেক খারাপ অবস্থা। এখানে ডাক্তার অপ্রতুল। এত রোগীর তুলনায় ডাক্তারের সংখ্যা অনেক কম। আমরা ডাক্তারের সংখ্যা বৃদ্ধি করবো। ইতোমধ্যে ৫ জন ডাক্তার এখানে পদায়ন করেছি। তারা যোগদানের পর আরও ডাক্তার আমরা এখানে দেবো।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মেডিকেল কলেজে ৫০টি এবং সদর হাসপাতালের জন্য ১০টি ডায়ালাইসিস মেশিন দেওয়া হবে। প্রতিটি জেলায়ই এভাবে দেওয়া হবে। তাহলে ঢাকা বা অন্য কোনো বড় শহরের উপরে রোগীর চাপ অনেক কমে যাবে। ইউনিয়ন হাসপাতালে ডাক্তার, নার্স থাকবে। তারা ঘরে ঘরে দিয়ে মায়েদের দেখবে। বিভিন্ন পরীক্ষা করবে। আমরা উদ্যোগ নিচ্ছি, সবার জন্য যেন সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা যায়।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মান, রোগীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। রোগীরা যাতে যথাযথ চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় সুবিধা পান, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হঠাৎ ঢাকাসহ ৪০ জেলায় সতর্কবার্তা

ফ্যাসিস্ট সরকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে অত্যন্ত অবহেলা করেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:৪৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

গত ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট সরকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে অত্যন্ত অবহেলা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ঝটিকা সফরে গিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে রোগীদের চিকিৎসাসেবা, হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা এবং রোগীদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে সরাসরি খোঁজখবর নেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তার আকস্মিক পরিদর্শনের খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হন হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক আহমেদ আলী মুকিব, জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আমিনুল হক সরকার, হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. জাভেদ জিল্লুল বারী, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হকসহ কর্মকর্তারা।

মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে ৫ বছর আগের একটি জেনারেটর ফেলে রেখেছে। কোনো কার্যক্রম করেনি। আজ আমি নির্দেশনা দিয়েছি এটি খুলে দেখার জন্য, যেন কাজে লাগানো যায়। ডাক্তার নিয়োগ করেনি। টাকা-পয়সা লুট করেছে। প্রতিটি কাজে অবহেলা করেছে। শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি করেনি। নতুন ভবন করেনি। বিভিন্ন খাত থেকে প্রচুর লুটপাট করেছে।

তিনি বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। জনসংখ্যার তুলনায় প্রায় হাসপাতালগুলোতেই রোগী অত্যধিক হওয়ায় বেডের বাইরেও রোগী থাকতে হয়। সব রোগীকে খাবার দেওয়া যায় না। কোড নম্বর দিতে হয় ১০০ জনের জন্য, কিন্তু রোগী হয় আড়ইশো। বেড, খাবার আমরা বৃদ্ধি করছি। আমি অন্য জায়গায় যা দেখেছি, তার থেকে এখানে অনেক খারাপ অবস্থা। এখানে ডাক্তার অপ্রতুল। এত রোগীর তুলনায় ডাক্তারের সংখ্যা অনেক কম। আমরা ডাক্তারের সংখ্যা বৃদ্ধি করবো। ইতোমধ্যে ৫ জন ডাক্তার এখানে পদায়ন করেছি। তারা যোগদানের পর আরও ডাক্তার আমরা এখানে দেবো।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মেডিকেল কলেজে ৫০টি এবং সদর হাসপাতালের জন্য ১০টি ডায়ালাইসিস মেশিন দেওয়া হবে। প্রতিটি জেলায়ই এভাবে দেওয়া হবে। তাহলে ঢাকা বা অন্য কোনো বড় শহরের উপরে রোগীর চাপ অনেক কমে যাবে। ইউনিয়ন হাসপাতালে ডাক্তার, নার্স থাকবে। তারা ঘরে ঘরে দিয়ে মায়েদের দেখবে। বিভিন্ন পরীক্ষা করবে। আমরা উদ্যোগ নিচ্ছি, সবার জন্য যেন সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা যায়।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মান, রোগীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। রোগীরা যাতে যথাযথ চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় সুবিধা পান, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি।