শরীয়তপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে দীর্ঘদিন ধরে খোলা অবস্থায় স্তূপ করে রাখা হয়েছে বালি ও সুরকি। কোনো ধরনের ত্রিপল বা ঢাকনা না দেওয়ায় বাতাসে বালি উড়ে শিক্ষার্থী ও পথচারীদের ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে শিক্ষার্থীদের চোখ ও শ্বাসতন্ত্রের সমস্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক অভিযোগ করেন,
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে তার মেয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় চোখে বালিকণা ঢুকে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে সে নিজেই চোখে পানি দেয়। এরপরও চোখের ব্যথা না কমায় বিদ্যালয় থেকে ছুটি নিয়ে বিষয়টি মাকে জানায়। পরে অভিভাবক বিদ্যালয়ে এসে মেয়েকে নিয়ে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান।
অভিভাবকের দাবি, সদর হাসপাতালের বহির্বিভাগে চোখের চিকিৎসার টিকিট নিতে গেলে তাকে জানানো হয়, সেখানে গত দুই মাস ধরে চোখের চিকিৎসক বসছেন না। পরে তিনি মেয়েকে নিয়ে গিয়াসউদ্দিন চক্ষু হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান।
অভিভাবক বলেন, ‘উন্নয়ন কাজ অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলে উন্নয়ন করা উচিত নয়। বালি-সুরকি খোলা অবস্থায় রাখায় বাতাসে ধুলা উড়ছে। দ্রুত এগুলো ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়া অথবা বিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।’
এ ঘটনায় প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। তাদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশপথে নির্মাণসামগ্রী খোলা অবস্থায় পড়ে থাকলে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
অভিভাবকদের দাবি, উন্নয়ন কাজ চললেও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নির্মাণসামগ্রী যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হোক। পাশাপাশি দ্রুত বিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে থেকে বালি-সুরকি সরিয়ে নেওয়া বা ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।
শাহাজাদী সুলতানা, শরীয়তপুর প্রতিনিধি 



















