বালু উত্তোলন, ঘাট ইজারা ও কুলিদের কাছ থেকে মাসিক চাঁদা আদায়, প্রতিবাদ করায় দোকান উচ্ছেদ
চিলমারী [কুড়িগ্রাম]: ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী চিলমারী নৌ-বন্দর এখন পরিণত হয়েছে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির অভয়ারণ্যে। বিআইডব্লিউটিএ চিলমারী শাখার সহকারী পোর্ট অফিসার পুতুল চন্দ্র রায়/বর্মন এর বিরুদ্ধে নদী থেকে বালু উত্তোলন, ঘাট ইজারা, বালগেট ও দিনমজুর কুলিদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।পাশাপাশি তিনি হাসিনার আস্থাভাজন ও ঢাকা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত কর্মকর্তা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অর্ডার দিয়ে থাকেন এবং এর বিনিময়ে মোটা অংকের টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন। চিলমারী থেকে জোরগাছ পর্যন্ত সকল ঘাট পয়েন্টের মাঝি, নৌ-শ্রমিক ও বালগেট থেকে প্রতিদিন চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। ঘাট ইজারার নামেও লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী চিলমারী রমনা ঘাটের নিম্ন আয়ের মানুষ। অভিযোগ রয়েছে, কুলি, পান-চায়ের দোকানদারসহ ছোট ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতি মাসে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দিলে তাদের দোকান উচ্ছেদ করে দেওয়া হয়। ফলে অনেক গরিব পরিবার কর্মহীন হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, “পুতুল চন্দ্র রায় নিজেকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় দিয়ে ক্ষমতার দাপট দেখান। তার ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারে না।”
এ বিষয়ে অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থানীয়রা বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান ও বন্দর ও পরিবহন বিভাগের পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে দ্রুত চিলমারী থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
বিআইডব্লিউটিএর বক্তব্য: এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ চিলমারী শাখার সহকারী পোর্ট অফিসার পুতুল চন্দ্র রায়/বর্মন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন।প্রতিবেদকের সঙ্গে উচ্চ বাক্য ব্যবহার করেন।
প্রশাসনের বক্তব্য: কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক বলেন, “অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া
শহিদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি 



















