ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বগুড়ায় হবে ড্রোন নির্মাণ কারখানা : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম বিএফআইইউ এর প্রতিবেদন : ১০২ কোটি টাকা পাচার করেছে জেমকন ত্রাণের ঢেউটিন ক্রয়ে অনিয়ম, পিপিআর লঙ্ঘন ও ভ্যাট আত্মসাতের অভিযোগ ১৫ রোগীকে হত্যা, জার্মান চিকিৎসকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুয়েত, বাহরাইনে ফের হামলা চালাল ইরান বড়লেখায় ৩০ বছরের পুরনো রাস্তা অবরুদ্ধ করে হামলা ও নারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ ফিফা থেকে বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কার নিয়ে দেশে ফিরছে মিশর অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে জ্বালানি ও খনিজ খাতে ‘ঐতিহাসিক’ অংশীদারত্বের আহ্বান মোদির সংবিধানে ফিরেছে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ঢাকাসহ ২০ জেলায় ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

ফিফা থেকে বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কার নিয়ে দেশে ফিরছে মিশর

  • ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ৫১০ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হলেও এবারের আসর থেকে বড় আর্থিক প্রাপ্তি নিয়ে দেশে ফিরছে মিশর। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছ থেকে প্রায় ১৮.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২৮ কোটি টাকা) পুরস্কার পেতে যাচ্ছে ইজিপশিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ)।

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দুর্দান্ত লড়াই করেছিল আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। ম্যাচে একসময় ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল মিশর। তবে শেষ দিকে লিওনেল মেসিদের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ৩-২ গোলের নাটকীয় হারে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয় মোহাম্মদ সালাহদের।

তবুও এবারের বিশ্বকাপ মিশরের ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম সফল অভিযান হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। নকআউট পর্বে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউটে জয় তুলে নেয় দলটি। এরপর আর্জেন্টিনার বিপক্ষেও দীর্ঘ সময় দাপট দেখিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেয়।

২০২৬ বিশ্বকাপে নতুন কয়েকটি রেকর্ডও গড়েছে মিশর। বিশ্বকাপের একক কোনো আসরে প্রথমবারের মতো পাঁচটি ম্যাচ খেলেছে তারা। পাশাপাশি পুরো টুর্নামেন্টে ৮ গোল করে বিশ্বকাপের এক আসরে নিজেদের সর্বোচ্চ গোল করার কীর্তিও গড়েছে মিশরীয়রা।

মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি আর্থিক দিক থেকেও বড় অর্জন এসেছে। ফিফার বর্তমান প্রাইজমানি কাঠামো অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক ব্যয়ের জন্য অংশগ্রহণকারী প্রতিটি ফেডারেশন পেয়েছে ২.৫ মিলিয়ন ডলার। বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করার জন্য দেওয়া হয়েছে আরও ১০ মিলিয়ন ডলার। আর শেষ ষোলোতে ওঠার পুরস্কার হিসেবে যোগ হয়েছে অতিরিক্ত ৬ মিলিয়ন ডলার।

সব মিলিয়ে ফিফার কাছ থেকে মিশরের মোট প্রাপ্তি দাঁড়িয়েছে ১৮.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২৮ কোটি টাকা। মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি এই আর্থিক প্রাপ্তিও ভবিষ্যতে দেশটির ফুটবল উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ায় হবে ড্রোন নির্মাণ কারখানা : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

ফিফা থেকে বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কার নিয়ে দেশে ফিরছে মিশর

আপডেট সময় ১১:৫৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হলেও এবারের আসর থেকে বড় আর্থিক প্রাপ্তি নিয়ে দেশে ফিরছে মিশর। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছ থেকে প্রায় ১৮.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২৮ কোটি টাকা) পুরস্কার পেতে যাচ্ছে ইজিপশিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ)।

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দুর্দান্ত লড়াই করেছিল আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। ম্যাচে একসময় ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল মিশর। তবে শেষ দিকে লিওনেল মেসিদের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ৩-২ গোলের নাটকীয় হারে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয় মোহাম্মদ সালাহদের।

তবুও এবারের বিশ্বকাপ মিশরের ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম সফল অভিযান হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। নকআউট পর্বে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউটে জয় তুলে নেয় দলটি। এরপর আর্জেন্টিনার বিপক্ষেও দীর্ঘ সময় দাপট দেখিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেয়।

২০২৬ বিশ্বকাপে নতুন কয়েকটি রেকর্ডও গড়েছে মিশর। বিশ্বকাপের একক কোনো আসরে প্রথমবারের মতো পাঁচটি ম্যাচ খেলেছে তারা। পাশাপাশি পুরো টুর্নামেন্টে ৮ গোল করে বিশ্বকাপের এক আসরে নিজেদের সর্বোচ্চ গোল করার কীর্তিও গড়েছে মিশরীয়রা।

মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি আর্থিক দিক থেকেও বড় অর্জন এসেছে। ফিফার বর্তমান প্রাইজমানি কাঠামো অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক ব্যয়ের জন্য অংশগ্রহণকারী প্রতিটি ফেডারেশন পেয়েছে ২.৫ মিলিয়ন ডলার। বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করার জন্য দেওয়া হয়েছে আরও ১০ মিলিয়ন ডলার। আর শেষ ষোলোতে ওঠার পুরস্কার হিসেবে যোগ হয়েছে অতিরিক্ত ৬ মিলিয়ন ডলার।

সব মিলিয়ে ফিফার কাছ থেকে মিশরের মোট প্রাপ্তি দাঁড়িয়েছে ১৮.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২৮ কোটি টাকা। মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি এই আর্থিক প্রাপ্তিও ভবিষ্যতে দেশটির ফুটবল উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।