সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক কারবারি যত প্রভাবশালীই হোক তার জায়গা সমাজে হবে না: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী কেন শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ভোট দিতে গেলেন না শাকিব খান? ১৭ বছরে অনেক নির্যাতনেও মাথা নত করিনি : মির্জা ফখরুল ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি জুলাই হত্যার প্রতিটি ঘটনার বিচার করতে সরকার বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী নয়নপুরে হচ্ছে নতুন সাব-স্টেশন, কমবে লোডশেডিং হ’ত্যা মামলা ঠেকাতে ৫ কোটি টাকার তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে ‘সুলতান সাম্রাজ্যের’ বিরুদ্ধে তারেক রহমান শুধু স্বপ্ন দেখেন না, স্বপ্ন বাস্তবায়নও করেন: মির্জা ফখরুল ফেনীতে এনটিভির ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন রক্ষক যখন ভক্ষক: ২৯ বছরেও প্রতিষ্ঠানের ৫০ শতাংশ জমি নিয়ে প্রশ্ন
বিআইডব্লিউটিএতে চলছে কোটি টাকার খেলা

হ’ত্যা মামলা ঠেকাতে ৫ কোটি টাকার তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে ‘সুলতান সাম্রাজ্যের’ বিরুদ্ধে

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ—বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এ পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট এখনো সক্রিয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে রয়েছেন সংস্থাটির আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. সুলতান আহমেদ খান। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর ভাটারা থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড সংশ্লিষ্ট মামলা থাকলেও রহস্যজনক কারণে এখনো তাকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, হত্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে প্রায় ৫ কোটি টাকার তহবিল নিয়ে তদবির ও প্রভাব খাটানোর মিশনে নেমেছেন সুলতান খান। নিজেকে “সৎ, দক্ষ ও বিএনপি-ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তা” হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন মহলে সহানুভূতি আদায়েরও চেষ্টা করছেন তিনি।

সূত্র বলছে, বিগত ১৫ বছর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ–এর ভাগ্নে পরিচয়ে বিআইডব্লিউটিএতে একক আধিপত্য বিস্তার করেন সুলতান আহমেদ খান। বদলি, নিয়োগ, টেন্ডার ও ড্রেজিং প্রকল্প নিয়ন্ত্রণ করে গড়ে তোলেন শক্তিশালী সিন্ডিকেট। তার অনুমতি ছাড়া সংস্থায় কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কার্যকর হতো না বলেও অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

‘সৎ কর্মকর্তাদের টার্গেট, দুর্নীতিবাজদের ছত্রচ্ছায়া’:
অভিযোগ রয়েছে, সুলতানের ঘনিষ্ঠ শ্রমিক লীগ নেতা সনজিব কুমার দাসকে ব্যবহার করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সৎ ও মেধাবী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হতো। ফলে অনেক কর্মকর্তা দীর্ঘদিন কোণঠাসা অবস্থায় ছিলেন।

গত বছরের ২ অক্টোবর সুলতান আহমেদ খানকে বিআইডব্লিউটিএ থেকে তাৎক্ষণিক অব্যাহতি দিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে প্রেষণে পাঠানো হলেও তার প্রভাবএখনো কমেনি বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। অভিযোগ রয়েছে, তার অনুসারীরা এখনো সংস্থার ভেতরে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে।

সম্প্রতি বিআইডব্লিউটিএতে শ্রমিক দলের সভাপতি মাজহারুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায়ও সুলতান খানের অনুসারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মতিঝিল থানায় মামলাও হয়েছে।

১২০০ কোটি টাকার প্রকল্পে ‘লুটপাট’ অভিযোগ:
অনুসন্ধানে জানা গেছে, পাবনা ও কুষ্টিয়ার ড্রেজিং প্রকল্পে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে প্রায় ১২০০ কোটি টাকার প্রকল্পে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে সুলতান আহমেদ খানের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ অনুযায়ী, নদী খননের মাটি বিক্রি করে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। প্রকল্পের রাজস্ব রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা না দিয়ে তা ব্যক্তিগতভাবে ভোগ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আরও অভিযোগ রয়েছে, তিনি ডিপ্লোমা প্রকৌশলী হয়েও ভুয়া সনদের মাধ্যমে পদোন্নতি নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হন। এমনকি ১৯৯৬ সালে তার চাকরিতে প্রবেশও ছিল সম্পূর্ণ অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবনির্ভর।

“মামার প্রভাবেই ছিল অপ্রতিরোধ্য দাপট”
বিআইডব্লিউটিএ সূত্র জানায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা–ঘনিষ্ঠ মহলের আশীর্বাদে সুলতান আহমেদ খান বছরের পর বছর ধরেই ছিলেন বেপরোয়া। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বলতেন—“আওয়ামী লীগ ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবে, আমাকে কেউ ছুঁতে পারবে না।

সুলতানের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি পাবনা জেলার শতাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়ে চাকরি দিয়েছেন। বদলি ও নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলেও দাবি করা হচ্ছে। বর্তমানে তিনি উত্তরার একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস করছেন বলে জানা গেছে।

তদন্ত চলছে, ক্ষোভ বাড়ছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে:
বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা জানিয়েছেন, সুলতান আহমেদ খানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের একটি টিমও তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।

সংস্থাটির একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এখনো বিভিন্ন দফতরে বেনামি চিঠি পাঠিয়ে সৎ কর্মকর্তাদের হয়রানি করা হচ্ছে। এতে অনেক কর্মকর্তা সামাজিক ও পারিবারিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছেন এবং কর্মস্পৃহা হারাচ্ছেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে বাধা?

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের নৌখাত সংস্কার উদ্যোগকে ব্যাহত করতেই একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নৌপথের নাব্যতা রক্ষা, রাজস্ব আদায় ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগের বিপরীতে অবস্থান নিয়ে তারা বিআইডব্লিউটিএকে অকার্যকর করার চেষ্টা করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নৌখাত বিশেষজ্ঞদের মতে, বিআইডব্লিউটিএতে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রভাব, টেন্ডার সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির শিকড় উপড়ে ফেলা না গেলে দেশের অভ্যন্তরীণ নৌ-ব্যবস্থাপনায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা কঠিন হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদক কারবারি যত প্রভাবশালীই হোক তার জায়গা সমাজে হবে না: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বিআইডব্লিউটিএতে চলছে কোটি টাকার খেলা

হ’ত্যা মামলা ঠেকাতে ৫ কোটি টাকার তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে ‘সুলতান সাম্রাজ্যের’ বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ০৭:৫৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ—বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এ পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট এখনো সক্রিয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে রয়েছেন সংস্থাটির আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. সুলতান আহমেদ খান। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর ভাটারা থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড সংশ্লিষ্ট মামলা থাকলেও রহস্যজনক কারণে এখনো তাকে গ্রেফতার করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, হত্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে প্রায় ৫ কোটি টাকার তহবিল নিয়ে তদবির ও প্রভাব খাটানোর মিশনে নেমেছেন সুলতান খান। নিজেকে “সৎ, দক্ষ ও বিএনপি-ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তা” হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন মহলে সহানুভূতি আদায়েরও চেষ্টা করছেন তিনি।

সূত্র বলছে, বিগত ১৫ বছর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ–এর ভাগ্নে পরিচয়ে বিআইডব্লিউটিএতে একক আধিপত্য বিস্তার করেন সুলতান আহমেদ খান। বদলি, নিয়োগ, টেন্ডার ও ড্রেজিং প্রকল্প নিয়ন্ত্রণ করে গড়ে তোলেন শক্তিশালী সিন্ডিকেট। তার অনুমতি ছাড়া সংস্থায় কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কার্যকর হতো না বলেও অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

‘সৎ কর্মকর্তাদের টার্গেট, দুর্নীতিবাজদের ছত্রচ্ছায়া’:
অভিযোগ রয়েছে, সুলতানের ঘনিষ্ঠ শ্রমিক লীগ নেতা সনজিব কুমার দাসকে ব্যবহার করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সৎ ও মেধাবী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হতো। ফলে অনেক কর্মকর্তা দীর্ঘদিন কোণঠাসা অবস্থায় ছিলেন।

গত বছরের ২ অক্টোবর সুলতান আহমেদ খানকে বিআইডব্লিউটিএ থেকে তাৎক্ষণিক অব্যাহতি দিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে প্রেষণে পাঠানো হলেও তার প্রভাবএখনো কমেনি বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। অভিযোগ রয়েছে, তার অনুসারীরা এখনো সংস্থার ভেতরে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে।

সম্প্রতি বিআইডব্লিউটিএতে শ্রমিক দলের সভাপতি মাজহারুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায়ও সুলতান খানের অনুসারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মতিঝিল থানায় মামলাও হয়েছে।

১২০০ কোটি টাকার প্রকল্পে ‘লুটপাট’ অভিযোগ:
অনুসন্ধানে জানা গেছে, পাবনা ও কুষ্টিয়ার ড্রেজিং প্রকল্পে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে প্রায় ১২০০ কোটি টাকার প্রকল্পে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে সুলতান আহমেদ খানের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ অনুযায়ী, নদী খননের মাটি বিক্রি করে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। প্রকল্পের রাজস্ব রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা না দিয়ে তা ব্যক্তিগতভাবে ভোগ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আরও অভিযোগ রয়েছে, তিনি ডিপ্লোমা প্রকৌশলী হয়েও ভুয়া সনদের মাধ্যমে পদোন্নতি নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হন। এমনকি ১৯৯৬ সালে তার চাকরিতে প্রবেশও ছিল সম্পূর্ণ অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবনির্ভর।

“মামার প্রভাবেই ছিল অপ্রতিরোধ্য দাপট”
বিআইডব্লিউটিএ সূত্র জানায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা–ঘনিষ্ঠ মহলের আশীর্বাদে সুলতান আহমেদ খান বছরের পর বছর ধরেই ছিলেন বেপরোয়া। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি বলতেন—“আওয়ামী লীগ ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবে, আমাকে কেউ ছুঁতে পারবে না।

সুলতানের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি পাবনা জেলার শতাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়ে চাকরি দিয়েছেন। বদলি ও নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলেও দাবি করা হচ্ছে। বর্তমানে তিনি উত্তরার একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস করছেন বলে জানা গেছে।

তদন্ত চলছে, ক্ষোভ বাড়ছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে:
বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা জানিয়েছেন, সুলতান আহমেদ খানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের একটি টিমও তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।

সংস্থাটির একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এখনো বিভিন্ন দফতরে বেনামি চিঠি পাঠিয়ে সৎ কর্মকর্তাদের হয়রানি করা হচ্ছে। এতে অনেক কর্মকর্তা সামাজিক ও পারিবারিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছেন এবং কর্মস্পৃহা হারাচ্ছেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে বাধা?

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের নৌখাত সংস্কার উদ্যোগকে ব্যাহত করতেই একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নৌপথের নাব্যতা রক্ষা, রাজস্ব আদায় ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগের বিপরীতে অবস্থান নিয়ে তারা বিআইডব্লিউটিএকে অকার্যকর করার চেষ্টা করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নৌখাত বিশেষজ্ঞদের মতে, বিআইডব্লিউটিএতে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রভাব, টেন্ডার সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির শিকড় উপড়ে ফেলা না গেলে দেশের অভ্যন্তরীণ নৌ-ব্যবস্থাপনায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা কঠিন হবে।